ভৈরবে বাড়ছে খুন ডাকাতি ছিনতাই
jugantor
ভৈরবে বাড়ছে খুন ডাকাতি ছিনতাই
ছয় মাসে দুই চালক খুন, দুই অটোরিকশা ছিনতাই

  ভৈরব (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি  

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ভৈরবে মহাসড়কসহ আঞ্চলিক সড়কগুলোতে বাড়ছে ছিনতাই, ডাকাতিসহ একাধিক খুনের ঘটনা। বিশেষ করে সন্ধ্যার পর রাত গভীর হলেই ডাকাত ও ছিনতাইকারিরা অপরাধে নেমে পড়ে। ছয় মাসে সড়কগুলোতে কমপক্ষে দু’জন চালক খুনসহ একাধিক ছিনতাই, ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। ছিনতাইকারির কবল থেকে বাদ যাচ্ছে না সাংবাদিকও। এক বছর আগে কালের কণ্ঠ পত্রিকার হাওর অঞ্চল প্রতিনিধি নাসরুল আনোয়ার ভৈরব থেকে বাজিতপুর যাওয়ার পথে তার মোবাইল, ক্যামেরা ও নগদ টাকা ছিনতাই করে ছিনতাইকারিরা। ঘটনায় কয়েকটি মামলাও হয়েছে ভৈরব ও বেলাব থানাসহ হাইওয়ে থানায়। কিন্তু অপরাধীদের ধরতে পারছে না পুলিশ। সম্প্রতি ছিনতাইকারি ও ডাকাতরা অটোরিকশা ছিনতাইয়ের সময় চালককে খুন করছে। ২৩ সেপ্টেম্বর ভৈরবের কালিকাপ্রসাদ এলাকা থেকে সোহেল খন্দকার (৩০) নামের এক অটোচালকের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। আগের দিন ওই চালক গাড়ি নিয়ে রাতে বের হয়ে সে নিখোঁজ হয়। পরিবারের ধারণা ছিনতাইকারীরা তার অটোরিকশা ছিনতাই করতেই তাকে খুন করে লাশ রাস্তায় ফেলে পালিয়ে যায়। বৃহস্পতিবার ঘটনায় ভৈরব থানায় চালকের বাবা আ. হান্নান বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা করেন। এর আগে ১৫ মে ভৈরব শহরের নিউটাউন এলাকার রাজু মিয়া নামের এক অটোচালককে ছিনতাইকারিরা খুন করে তার অটোরিকশাটি নিয়ে পালিয়ে যায়। পরদিন ১৬ মে নরসিংদীর বেলাব থানা পুলিশ ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের নারায়ণপুর এলাকার রাস্তার পাশ থেকে তার লাশ উদ্ধার করে। ঘটনায় বেলাব থানায় একটি মামলা হলেও দীর্ঘ চার মাসেও পুলিশ অপরাধীদের গ্রেফতার করতে পারেনি। ১৯ সেপ্টেম্বর ভৈরবের রসুলপুর গ্রামের মফিজ উদ্দিন নামের এক ব্যক্তি রোগী নিয়ে বাজিতপুর জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ থেকে রাতে বাড়ি আসার পথে শিবপুর আঞ্চলিক সড়কে পৌঁছলে তার দুই সঙ্গীসহ ডাকাতির কবলে পড়েন। এ সময় ডাকাতদের ছুরিকাঘাতে তার সঙ্গী ফরহাদ, ফজলুল হক ও জাহাঙ্গীর গুরুতর আহত হন। একমাস আগে সিএনজির যাত্রী কুলিয়ারচরের রফিক, ধন মিয়া ভৈরব থেকে বাড়ি ফেরার পথে ছিনতাইকারির কবলে পড়েন। এ সময় ছিনতাইকারিরা তাদের মোবাইল, টাকা-পয়সা ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এ ধরনের একাধিক ঘটনা ঘটছে সড়কগুলোতে। ফলে সড়কে ভ্রমণকারী যাত্রীরা এখন আতঙ্কের মধ্য রয়েছে। ভৈরব হাইওয়ে থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ মো. মামুনুর রহমান জানান, আমার থানায় পুলিশের অফিসার কম এবং টহল গাড়ি একটি। হাইওয়ে থানার এরিয়া কয়েকটি থানা এলাকা। তাই স্বল্পসংখ্যক পুলিশ দিয়ে প্রতিদিন রাতে রাস্তার সব এলাকা তদারকি করা যাচ্ছে না। মাঝে মধ্যে বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ঘটে থাকে।

ভৈরবে বাড়ছে খুন ডাকাতি ছিনতাই

ছয় মাসে দুই চালক খুন, দুই অটোরিকশা ছিনতাই
 ভৈরব (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি 
২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ভৈরবে মহাসড়কসহ আঞ্চলিক সড়কগুলোতে বাড়ছে ছিনতাই, ডাকাতিসহ একাধিক খুনের ঘটনা। বিশেষ করে সন্ধ্যার পর রাত গভীর হলেই ডাকাত ও ছিনতাইকারিরা অপরাধে নেমে পড়ে। ছয় মাসে সড়কগুলোতে কমপক্ষে দু’জন চালক খুনসহ একাধিক ছিনতাই, ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। ছিনতাইকারির কবল থেকে বাদ যাচ্ছে না সাংবাদিকও। এক বছর আগে কালের কণ্ঠ পত্রিকার হাওর অঞ্চল প্রতিনিধি নাসরুল আনোয়ার ভৈরব থেকে বাজিতপুর যাওয়ার পথে তার মোবাইল, ক্যামেরা ও নগদ টাকা ছিনতাই করে ছিনতাইকারিরা। ঘটনায় কয়েকটি মামলাও হয়েছে ভৈরব ও বেলাব থানাসহ হাইওয়ে থানায়। কিন্তু অপরাধীদের ধরতে পারছে না পুলিশ। সম্প্রতি ছিনতাইকারি ও ডাকাতরা অটোরিকশা ছিনতাইয়ের সময় চালককে খুন করছে। ২৩ সেপ্টেম্বর ভৈরবের কালিকাপ্রসাদ এলাকা থেকে সোহেল খন্দকার (৩০) নামের এক অটোচালকের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। আগের দিন ওই চালক গাড়ি নিয়ে রাতে বের হয়ে সে নিখোঁজ হয়। পরিবারের ধারণা ছিনতাইকারীরা তার অটোরিকশা ছিনতাই করতেই তাকে খুন করে লাশ রাস্তায় ফেলে পালিয়ে যায়। বৃহস্পতিবার ঘটনায় ভৈরব থানায় চালকের বাবা আ. হান্নান বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা করেন। এর আগে ১৫ মে ভৈরব শহরের নিউটাউন এলাকার রাজু মিয়া নামের এক অটোচালককে ছিনতাইকারিরা খুন করে তার অটোরিকশাটি নিয়ে পালিয়ে যায়। পরদিন ১৬ মে নরসিংদীর বেলাব থানা পুলিশ ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের নারায়ণপুর এলাকার রাস্তার পাশ থেকে তার লাশ উদ্ধার করে। ঘটনায় বেলাব থানায় একটি মামলা হলেও দীর্ঘ চার মাসেও পুলিশ অপরাধীদের গ্রেফতার করতে পারেনি। ১৯ সেপ্টেম্বর ভৈরবের রসুলপুর গ্রামের মফিজ উদ্দিন নামের এক ব্যক্তি রোগী নিয়ে বাজিতপুর জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ থেকে রাতে বাড়ি আসার পথে শিবপুর আঞ্চলিক সড়কে পৌঁছলে তার দুই সঙ্গীসহ ডাকাতির কবলে পড়েন। এ সময় ডাকাতদের ছুরিকাঘাতে তার সঙ্গী ফরহাদ, ফজলুল হক ও জাহাঙ্গীর গুরুতর আহত হন। একমাস আগে সিএনজির যাত্রী কুলিয়ারচরের রফিক, ধন মিয়া ভৈরব থেকে বাড়ি ফেরার পথে ছিনতাইকারির কবলে পড়েন। এ সময় ছিনতাইকারিরা তাদের মোবাইল, টাকা-পয়সা ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এ ধরনের একাধিক ঘটনা ঘটছে সড়কগুলোতে। ফলে সড়কে ভ্রমণকারী যাত্রীরা এখন আতঙ্কের মধ্য রয়েছে। ভৈরব হাইওয়ে থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ মো. মামুনুর রহমান জানান, আমার থানায় পুলিশের অফিসার কম এবং টহল গাড়ি একটি। হাইওয়ে থানার এরিয়া কয়েকটি থানা এলাকা। তাই স্বল্পসংখ্যক পুলিশ দিয়ে প্রতিদিন রাতে রাস্তার সব এলাকা তদারকি করা যাচ্ছে না। মাঝে মধ্যে বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ঘটে থাকে।