চাটমোহরে অভিযুক্ত ২ যুবককে জরিমানায় ছাড়লেন চেয়ারম্যান
jugantor
গৃহবধূর শ্লীলতাহানির চেষ্টা
চাটমোহরে অভিযুক্ত ২ যুবককে জরিমানায় ছাড়লেন চেয়ারম্যান

  চাটমোহর (পাবনা) প্রতিনিধি  

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

চাটমোহরের এক গৃহবধূকে শ্লীলতাহানির চেষ্টায় আটক হওয়া দুই যুবককে ইউনিয়ন পরিষদে সালিশের মাধ্যমে জরিমানা করে ছেড়ে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে। শুক্রবার সন্ধ্যায় ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার গুনাইগাছায়।

স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার দুপুরে দিয়ারপাড়া গ্রামের গৃহবধূ বাড়ির পাশে ছাগল ঘাস খাওয়াতে নিয়ে গেলে চরপাড়া গ্রামের মোজাম্মেল প্রামাণিকের ছেলে জনি ও ময়লাল প্রামাণিকের ছেলে আকতার হোসেন ওই গৃহবধূকে শ্লীলতাহানির চেষ্টা চালায়। এ সময় তার চিৎকারে লোকজন এসে জনি ও আকতারকে হাতেনাতে আটক করেন। বিষয়টি ভুক্তভোগী ওই গৃহবধূর স্বজনরা ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল ইসলামকে জানালে সন্ধ্যায় তিনি গুনাইগাছা ইউনিয়ন পরিষদে সালিশ বসান। বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ায় অভিযুক্ত দুই যুবকের প্রত্যেককে ৩০ হাজার করে মোট ৬০ হাজার টাকা জরিমানার রায় দেন চেয়ারম্যানসহ সালিশ বোর্ড। তাৎক্ষণিক জরিমানার ২০ হাজার টাকা দিয়ে বাকিটা পরিশোধ করার জন্য আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত সময় নেয় অভিযুক্ত দুই যুবকের পরিবার। এরপর অভিযুক্ত জনি ও আকতারকে ছেড়ে দেয়া হয়। এ ব্যাপারে চেয়ারম্যান নুরুল ইসলামের মোবাইলে কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি। একপর্যায়ে তিনি সংযোগ কেটে দিয়ে ফোন বন্ধ করে দেন।

তবে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ইউপি সদস্য আবেদ আলী বলেন, ‘বিষয়টি ওই গৃহবধূর পরিবার চেয়ারম্যানকে জানালে তিনি পরিষদে বোর্ড বসান। আমি ওই বৈঠকে পরে গিয়েছিলাম।’

গৃহবধূর শ্লীলতাহানির চেষ্টা

চাটমোহরে অভিযুক্ত ২ যুবককে জরিমানায় ছাড়লেন চেয়ারম্যান

 চাটমোহর (পাবনা) প্রতিনিধি 
২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

চাটমোহরের এক গৃহবধূকে শ্লীলতাহানির চেষ্টায় আটক হওয়া দুই যুবককে ইউনিয়ন পরিষদে সালিশের মাধ্যমে জরিমানা করে ছেড়ে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে। শুক্রবার সন্ধ্যায় ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার গুনাইগাছায়।

স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার দুপুরে দিয়ারপাড়া গ্রামের গৃহবধূ বাড়ির পাশে ছাগল ঘাস খাওয়াতে নিয়ে গেলে চরপাড়া গ্রামের মোজাম্মেল প্রামাণিকের ছেলে জনি ও ময়লাল প্রামাণিকের ছেলে আকতার হোসেন ওই গৃহবধূকে শ্লীলতাহানির চেষ্টা চালায়। এ সময় তার চিৎকারে লোকজন এসে জনি ও আকতারকে হাতেনাতে আটক করেন। বিষয়টি ভুক্তভোগী ওই গৃহবধূর স্বজনরা ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল ইসলামকে জানালে সন্ধ্যায় তিনি গুনাইগাছা ইউনিয়ন পরিষদে সালিশ বসান। বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ায় অভিযুক্ত দুই যুবকের প্রত্যেককে ৩০ হাজার করে মোট ৬০ হাজার টাকা জরিমানার রায় দেন চেয়ারম্যানসহ সালিশ বোর্ড। তাৎক্ষণিক জরিমানার ২০ হাজার টাকা দিয়ে বাকিটা পরিশোধ করার জন্য আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত সময় নেয় অভিযুক্ত দুই যুবকের পরিবার। এরপর অভিযুক্ত জনি ও আকতারকে ছেড়ে দেয়া হয়। এ ব্যাপারে চেয়ারম্যান নুরুল ইসলামের মোবাইলে কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি। একপর্যায়ে তিনি সংযোগ কেটে দিয়ে ফোন বন্ধ করে দেন।

তবে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ইউপি সদস্য আবেদ আলী বলেন, ‘বিষয়টি ওই গৃহবধূর পরিবার চেয়ারম্যানকে জানালে তিনি পরিষদে বোর্ড বসান। আমি ওই বৈঠকে পরে গিয়েছিলাম।’