দশ ডাক্তারসহ ৪৪ পদ শূন্য
jugantor
কাঁঠালিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
দশ ডাক্তারসহ ৪৪ পদ শূন্য

  কাঁঠালিয়া (ঝালকাঠি) প্রতিনিধি  

০৪ অক্টোবর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

কাঁঠালিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স

দু’লক্ষাধিক জনসংখ্যা অধ্যুষিত কাঁঠালিয়া উপজেলার একমাত্র সরকারি হাসপাতাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে (আমুয়া) চলছে জনবল সংকট নিয়ে। দীর্ঘদিন ধরে চরম জনবল সংকটের কারণে চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হচ্ছে।

১৯৬৩ সালে প্রতিষ্ঠিত ৫৭ বছরের পুরনো ৫০ শয্যাবিশিষ্ট এ হাসপাতালে চিকিৎসক, নার্স ও মেডিকেল টেকনোলজিস্টের ৪৪টি পদই শূন্য।

অত্যাধুনিক ভবন, আসবাবপত্র, যন্ত্রপাতি, সুসজ্জিত ওটিসহ প্রয়োজনীয় এক্স-রে ও প্যাথলজিক্যাল সরঞ্জামাদি থাকা সত্ত্বেও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও মেডিকেল টেকনোলজিস্টের অভাবে মেজর সার্জারি (অস্ত্রপচার), এক্স-রে ও প্যাথলজিক্যাল পরীক্ষা করানো থেকে বঞ্চিত উপজেলার রোগীরা।

রোগীদের অভিযোগ, এ হাসপাতালে ডাক্তার ও পরীক্ষা করার লোকজন না থাকায় বাধ্য হয়ে কয়েক বছর ধরে পার্শ্ববর্র্তী উপজেলা ভাণ্ডারিয়া, রাজাপুর, বেতাগী, ঝালকাঠি ও বরিশালের সরকারি বা বেসরকারি হাসপাতালে গিয়ে অতিরিক্ত অর্থ ও সময় ব্যয় করে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২০ জন চিকিৎসকের পদ থাকলেও গাইনিসহ ১০টি পদই শূন্য। দুটি সহকারী মেডিকেল অফিসারের একটি এবং ২৩ জন নার্সের মধ্যে শূন্য ৬টি পদ।

এছাড়া পরিসংখ্যানবিদ একজন, ফার্মাসিস্ট ৪ জন, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (ল্যাব) ২ জন, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (রেডিওলজি) একজন, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (ডেন্টাল) একজন, ওয়ার্ড বয় ৩ জন, স্টোর কিপার, জুনিয়র মেকানিক, আয়া ও কুক (বাবুর্চি) ২ জনের পদের সবগুলোই শূন্য।

অপরদিকে অফিস সহকারী ৩টি পদের ২টি, এমএলএসএস ৬টি পদের ৪টি, গার্ড ২টি পদের ১টি ও সুইপার ৫টি পদের ৩টি পদ কয়েক বছর ধরে শূন্য রয়েছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. তাপস কুমার তালুকদার জানান, আমি ও আমার সহকর্মীরা রোগীকে শতভাগ সেবা দেয়ার মানসিকতা নিয়ে কাজ করছি। কিন্তু শত চেষ্টা করেও জনবল সংকটের কারণে সেটা সম্ভব হয় না।

বিশেষ করে চলমান মহামারী করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে আমাদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রাত-দিন সমানে কাজ করতে হচ্ছে।

তাই জরুরিভাবে বাইরে থেকে লোকজন এনে নিজস্ব অর্থায়নে কোনোভাবে দিন চালাচ্ছি। দ্রুত শূন্যপদগুলো পূরণে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করা হয়েছে।

কাঁঠালিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স

দশ ডাক্তারসহ ৪৪ পদ শূন্য

 কাঁঠালিয়া (ঝালকাঠি) প্রতিনিধি 
০৪ অক্টোবর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ
কাঁঠালিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
ফাইল ছবি

দু’লক্ষাধিক জনসংখ্যা অধ্যুষিত কাঁঠালিয়া উপজেলার একমাত্র সরকারি হাসপাতাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে (আমুয়া) চলছে জনবল সংকট নিয়ে। দীর্ঘদিন ধরে চরম জনবল সংকটের কারণে চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হচ্ছে।

১৯৬৩ সালে প্রতিষ্ঠিত ৫৭ বছরের পুরনো ৫০ শয্যাবিশিষ্ট এ হাসপাতালে চিকিৎসক, নার্স ও মেডিকেল টেকনোলজিস্টের ৪৪টি পদই শূন্য।

অত্যাধুনিক ভবন, আসবাবপত্র, যন্ত্রপাতি, সুসজ্জিত ওটিসহ প্রয়োজনীয় এক্স-রে ও প্যাথলজিক্যাল সরঞ্জামাদি থাকা সত্ত্বেও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও মেডিকেল টেকনোলজিস্টের অভাবে মেজর সার্জারি (অস্ত্রপচার), এক্স-রে ও প্যাথলজিক্যাল পরীক্ষা করানো থেকে বঞ্চিত উপজেলার রোগীরা।

রোগীদের অভিযোগ, এ হাসপাতালে ডাক্তার ও পরীক্ষা করার লোকজন না থাকায় বাধ্য হয়ে কয়েক বছর ধরে পার্শ্ববর্র্তী উপজেলা ভাণ্ডারিয়া, রাজাপুর, বেতাগী, ঝালকাঠি ও বরিশালের সরকারি বা বেসরকারি হাসপাতালে গিয়ে অতিরিক্ত অর্থ ও সময় ব্যয় করে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২০ জন চিকিৎসকের পদ থাকলেও গাইনিসহ ১০টি পদই শূন্য। দুটি সহকারী মেডিকেল অফিসারের একটি এবং ২৩ জন নার্সের মধ্যে শূন্য ৬টি পদ।

এছাড়া পরিসংখ্যানবিদ একজন, ফার্মাসিস্ট ৪ জন, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (ল্যাব) ২ জন, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (রেডিওলজি) একজন, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (ডেন্টাল) একজন, ওয়ার্ড বয় ৩ জন, স্টোর কিপার, জুনিয়র মেকানিক, আয়া ও কুক (বাবুর্চি) ২ জনের পদের সবগুলোই শূন্য।

অপরদিকে অফিস সহকারী ৩টি পদের ২টি, এমএলএসএস ৬টি পদের ৪টি, গার্ড ২টি পদের ১টি ও সুইপার ৫টি পদের ৩টি পদ কয়েক বছর ধরে শূন্য রয়েছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. তাপস কুমার তালুকদার জানান, আমি ও আমার সহকর্মীরা রোগীকে শতভাগ সেবা দেয়ার মানসিকতা নিয়ে কাজ করছি। কিন্তু শত চেষ্টা করেও জনবল সংকটের কারণে সেটা সম্ভব হয় না।

বিশেষ করে চলমান মহামারী করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে আমাদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রাত-দিন সমানে কাজ করতে হচ্ছে।

তাই জরুরিভাবে বাইরে থেকে লোকজন এনে নিজস্ব অর্থায়নে কোনোভাবে দিন চালাচ্ছি। দ্রুত শূন্যপদগুলো পূরণে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করা হয়েছে।