ভেজাল বীজে দিশেহারা কৃষক
jugantor
ভেজাল বীজে দিশেহারা কৃষক
ঝিনাইদহে বিএডিসির সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণে ব্যবসা

  মিজানুর রহমান, ঝিনাইদহ  

০৮ অক্টোবর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ভেজাল বীজে দিশেহারা কৃষক

বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএডিসি) ধান বীজ কিনে প্রতারিত হয়েছেন ঝিনাইদহের কৃষকরা। ক্ষেতে লাগানো ধানগাছ কোনোটি ছোট, কোনোটি লম্বা আকার ধারণ করেছে।

ওই সব গাছ থেকে আর মাত্র কয়েক দিনের মধ্যে ছড়া বের হওয়া শুরু হবে। এ অবস্থায় কৃষকের চোখে জল ছলছল করছে।

বাংলাদেশ কৃষক লীগ ঝিনাইদহ জেলা শাখার পক্ষ থেকে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়ে কৃষিমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দেয়া হয়েছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর ঝিনাইদহের উপ-পরিচালকের দফতর সূত্রে জানা যায়, চলতি আমন মৌসুমে জেলায় ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয় এক লাখ চার হাজার ২৫ হেক্টর। এক লাখ চার হাজার ১২৮ হেক্টর জমিতে ধান চাষ করা হয়েছে।

এ থেকে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে তিন লাখ ৫২ হাজার ৫১৫ মেট্রিক টন ধান। কিন্তু কৃষকরা বীজ কিনে প্রতারিত হওয়ার কারণে ধান উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত না হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।

প্রাপ্ত তথ্য মতে বিএডিসি কর্তৃক সরবরাহ করা ব্রিধান-৫১ বীজে ভেজাল ধরা পড়েছে। কৃষকরা ওই ধানের বীজ কিনে চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

ধানের মাঠ পরিদর্শনকালে সদর উপজেলার ছোট কামার কুন্ডু গ্রামের কৃষক মিন্টু বিশ্বাস জানান, বিএডিসির সরবরাহ করা ব্রিধান-৫১ বীজ থেকে চারা করে ক্ষেতে লাগানোর কিছুদিন পরেই মিশ্রণ দেখতে পান।

এখন ধানগাছগুলো থেকে ছড়া বের হওয়ার সময়। কিন্তু জমিতে ছোটবড় নানা জাতের ধান গাছ দেখা যাচ্ছে। একই গ্রামের কৃষক গোলাম মোস্তফা বলেন, ফলন বেশি হওয়ার আশায় মাঠের পর মাঠ ব্রিধান-৫১ চাষ করেছেন তারা।

অথচ জমিতে ভেজাল ধানের গাছ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ডেফলবাড়ি গ্রামের শরিফ হোসেন, কুমড়াবাড়িয়া গ্রামের উসমান, বেড়ালোলার তুহিন মিয়া, কোটচাঁদপুরের দয়ারামপুর গ্রামের রেজাউলসহ শত শত কৃষক একই অভিযোগ করেছেন।

বিএডিসি বীজ ডিলার সদর উপজেলার হাটগোপালপুরের মিন্টু দত্ত বলেন, বিএডিসি থেকে সংগ্রহ করা ব্রিধান-৫১ বীজের প্যাকেট খুলে কৃষকরা রত্না ধানের মিশ্রণ পেয়েছেন।

তিনি অভিযোগ করেন, বাজার থেকে সাধারণ ধান কিনে বিএডিসি বীজ হিসেবে প্যাকেট করে বিক্রি করা হয়েছে। এ ঘটনার পেছনের রহস্য কী? এমন প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে বেরিয়ে আসে বিএডিসির দুর্নীতিবাজ সিন্ডিকেটের খবর। প্রাপ্ততথ্য মতে, ঘটনাটি প্রথম ধরা পড়ে কালীগঞ্জ উপজেলা ও সদর উপজেলার হলিধানী এলাকায়।

সদর উপজেলার বর্তমান কৃষি কর্মকর্তা জাহিদুল করিম জানান, বিষয়টি প্রথমে নজরে আসে তার এবং তিনি কালীগঞ্জ উপজেলায় কর্মরত থাকাকালীন ব্রিধান-৫১ বীজ থেকে অন্য জাতের ধান গাছ গজিয়ে উঠেছে মর্মে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরসহ বিএডিসির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অবহিত করেন।

জানা যায়, পাশের জেলা চুয়াডাঙ্গাতে বিএডিসির বীজ প্রসেস কেন্দ্র রয়েছে। ওই কেন্দ্র থেকে পাঠানো বীজে সবচেয়ে বেশি ভেজাল ধরা পড়েছে। আমন মৌসুমের শুরুতে বীজগুলো সরাসরি কৃষক ও ডিলারদের মাধ্যমে বিক্রি করা হয়েছে।

আম্পানের ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে বিএডিসি বীজ বিপণন কেন্দ্র যশোর ও ঝিনাইদহ এবং মাগুরা থেকে কৃষকরা এ ধান বীজ সংগ্রহ করেছে।

অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, যশোর বীজ প্রক্রিয়াজাত কেন্দ্র থেকে গত ১৩ মে ৫১১৯০ নং চালানে ৮ টন, ৭ জুন ২৪৮১১ নং চালানে ৮ টন এবং ১৪ জুন ২৪৮২৪ নং চালানে ৮ টনসহ মোট ২৪ টন এবং চুয়াডাঙ্গা অধিক বীজ উৎপাদন কেন্দ্র থেকে ৭৮৯ নম্বর চালানে ১০ টন প্রত্যয়িত ধান বীজ ঝিনাইদহের বিক্রয় কেন্দ্রে প্রেরণ করা হয়।

এছাড়াও মাগুরা বিক্রয় কেন্দ্র থেকে প্রত্যয়িত দুই টন এবং চলতি বছরের ১২ জুন যশোর গুদাম (বীজ প্রসেস কেন্দ্র) থেকে আরও ৫ টন ভিত্তি ব্রিধান-৫১ বীজ একই বিক্রয় কেন্দ্রে পাঠানো হয়।

অর্থাৎ প্রত্যয়িত ৩৬ টন এবং ভিত্তি বীজ ৪ টন বিএডিসি স্থানীয় বিক্রয় কেন্দ্র থেকে ঝিনাইদহ সদর উপজেলা শৈলকুপা এবং হরিণাকুন্ডুর সরাসরি কৃষক এবং ডিলারদের মাধ্যমে বিক্রি করা হয়েছে।

এছাড়াও যশোর বীজ বিপণন কেন্দ্র (বিবি) থেকেও কালীগঞ্জ, কোটচাঁদপুর, মহেশপুরসহ বিভিন্ন উপজেলায় একই ধান বীজ বিক্রি করা হয়েছে। প্রতি কেজি বীজের ডিলার মূল্য ২৫ টাকা ৫০ পয়সা এবং কৃষকদের কাছে বিক্রি করতে হবে ৩০ টাকা প্রতি কেজি।

কিন্তু কৃষকরা জানান তারা প্রতি ১০ কেজির বস্তা কিনেছেন ৩৫০ টাকায়। ডিলারের মধ্যে বড় একটি অংশ ভুয়া রয়েছে। যাদের কোনো দোকান, গুদাম নেই। ভুয়া ডিলারদের নামেও বিএডিসি বীজ বরাদ্দ দিয়ে থাকে।

তবে ওই বীজ অধিক মূল্যে বিক্রি করা হয় কৃষকদের কাছে। বিএডিসি ঝিনাইদহের উপসহকারী পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত সিনিয়র সহকারী পরিচালক) মো. শফিউদ্দিন সবুজ এ ধরনের অভিযোগ অস্বীকার করেননি। তার ভাষায় ভুয়া ডিলারদের নামে বরাদ্দের বীজ বিক্রি করে বাড়তি কিছু অর্থ পকেটে আসে।

বিনিময়ে ওই ডিলারদের প্রতিবছরের লাইসেন্স নবায়ন করে দেয়া হয়। ব্রিধান-৫১ বীজে ভেজাল ধরা পড়েছে মর্মে সরাসরি স্বীকার করেন বিএডিসির এ কর্মকর্তা।

বর্তমানে ডিলার ও কৃষকদের চাপের মুখে রয়েছেন বলেও স্বীকার করেন তিনি। জেলা প্রশাসক সরোজ কুমার নাথ জানান, ব্রিধান-৫১ বীজে মিশ্রণ ধরা পড়েছে খবর সত্য।

তিনি আরও জানান, ভেজাল বীজ বিক্রির সঙ্গে জড়িত সরকারি কর্মকর্তা/কর্মচারীদের বেতন থেকে ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থাসহ শাস্তির আওতায় আনার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

ভেজাল বীজে দিশেহারা কৃষক

ঝিনাইদহে বিএডিসির সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণে ব্যবসা
 মিজানুর রহমান, ঝিনাইদহ 
০৮ অক্টোবর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ
ভেজাল বীজে দিশেহারা কৃষক
ফাইল ছবি

বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএডিসি) ধান বীজ কিনে প্রতারিত হয়েছেন ঝিনাইদহের কৃষকরা। ক্ষেতে লাগানো ধানগাছ কোনোটি ছোট, কোনোটি লম্বা আকার ধারণ করেছে।

ওই সব গাছ থেকে আর মাত্র কয়েক দিনের মধ্যে ছড়া বের হওয়া শুরু হবে। এ অবস্থায় কৃষকের চোখে জল ছলছল করছে।

বাংলাদেশ কৃষক লীগ ঝিনাইদহ জেলা শাখার পক্ষ থেকে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়ে কৃষিমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দেয়া হয়েছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর ঝিনাইদহের উপ-পরিচালকের দফতর সূত্রে জানা যায়, চলতি আমন মৌসুমে জেলায় ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয় এক লাখ চার হাজার ২৫ হেক্টর। এক লাখ চার হাজার ১২৮ হেক্টর জমিতে ধান চাষ করা হয়েছে।

এ থেকে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে তিন লাখ ৫২ হাজার ৫১৫ মেট্রিক টন ধান। কিন্তু কৃষকরা বীজ কিনে প্রতারিত হওয়ার কারণে ধান উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত না হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।

প্রাপ্ত তথ্য মতে বিএডিসি কর্তৃক সরবরাহ করা ব্রিধান-৫১ বীজে ভেজাল ধরা পড়েছে। কৃষকরা ওই ধানের বীজ কিনে চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

ধানের মাঠ পরিদর্শনকালে সদর উপজেলার ছোট কামার কুন্ডু গ্রামের কৃষক মিন্টু বিশ্বাস জানান, বিএডিসির সরবরাহ করা ব্রিধান-৫১ বীজ থেকে চারা করে ক্ষেতে লাগানোর কিছুদিন পরেই মিশ্রণ দেখতে পান।

এখন ধানগাছগুলো থেকে ছড়া বের হওয়ার সময়। কিন্তু জমিতে ছোটবড় নানা জাতের ধান গাছ দেখা যাচ্ছে। একই গ্রামের কৃষক গোলাম মোস্তফা বলেন, ফলন বেশি হওয়ার আশায় মাঠের পর মাঠ ব্রিধান-৫১ চাষ করেছেন তারা।

অথচ জমিতে ভেজাল ধানের গাছ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ডেফলবাড়ি গ্রামের শরিফ হোসেন, কুমড়াবাড়িয়া গ্রামের উসমান, বেড়ালোলার তুহিন মিয়া, কোটচাঁদপুরের দয়ারামপুর গ্রামের রেজাউলসহ শত শত কৃষক একই অভিযোগ করেছেন।

বিএডিসি বীজ ডিলার সদর উপজেলার হাটগোপালপুরের মিন্টু দত্ত বলেন, বিএডিসি থেকে সংগ্রহ করা ব্রিধান-৫১ বীজের প্যাকেট খুলে কৃষকরা রত্না ধানের মিশ্রণ পেয়েছেন।

তিনি অভিযোগ করেন, বাজার থেকে সাধারণ ধান কিনে বিএডিসি বীজ হিসেবে প্যাকেট করে বিক্রি করা হয়েছে। এ ঘটনার পেছনের রহস্য কী? এমন প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে বেরিয়ে আসে বিএডিসির দুর্নীতিবাজ সিন্ডিকেটের খবর। প্রাপ্ততথ্য মতে, ঘটনাটি প্রথম ধরা পড়ে কালীগঞ্জ উপজেলা ও সদর উপজেলার হলিধানী এলাকায়।

সদর উপজেলার বর্তমান কৃষি কর্মকর্তা জাহিদুল করিম জানান, বিষয়টি প্রথমে নজরে আসে তার এবং তিনি কালীগঞ্জ উপজেলায় কর্মরত থাকাকালীন ব্রিধান-৫১ বীজ থেকে অন্য জাতের ধান গাছ গজিয়ে উঠেছে মর্মে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরসহ বিএডিসির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অবহিত করেন।

জানা যায়, পাশের জেলা চুয়াডাঙ্গাতে বিএডিসির বীজ প্রসেস কেন্দ্র রয়েছে। ওই কেন্দ্র থেকে পাঠানো বীজে সবচেয়ে বেশি ভেজাল ধরা পড়েছে। আমন মৌসুমের শুরুতে বীজগুলো সরাসরি কৃষক ও ডিলারদের মাধ্যমে বিক্রি করা হয়েছে।

আম্পানের ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে বিএডিসি বীজ বিপণন কেন্দ্র যশোর ও ঝিনাইদহ এবং মাগুরা থেকে কৃষকরা এ ধান বীজ সংগ্রহ করেছে।

অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, যশোর বীজ প্রক্রিয়াজাত কেন্দ্র থেকে গত ১৩ মে ৫১১৯০ নং চালানে ৮ টন, ৭ জুন ২৪৮১১ নং চালানে ৮ টন এবং ১৪ জুন ২৪৮২৪ নং চালানে ৮ টনসহ মোট ২৪ টন এবং চুয়াডাঙ্গা অধিক বীজ উৎপাদন কেন্দ্র থেকে ৭৮৯ নম্বর চালানে ১০ টন প্রত্যয়িত ধান বীজ ঝিনাইদহের বিক্রয় কেন্দ্রে প্রেরণ করা হয়।

এছাড়াও মাগুরা বিক্রয় কেন্দ্র থেকে প্রত্যয়িত দুই টন এবং চলতি বছরের ১২ জুন যশোর গুদাম (বীজ প্রসেস কেন্দ্র) থেকে আরও ৫ টন ভিত্তি ব্রিধান-৫১ বীজ একই বিক্রয় কেন্দ্রে পাঠানো হয়।

অর্থাৎ প্রত্যয়িত ৩৬ টন এবং ভিত্তি বীজ ৪ টন বিএডিসি স্থানীয় বিক্রয় কেন্দ্র থেকে ঝিনাইদহ সদর উপজেলা শৈলকুপা এবং হরিণাকুন্ডুর সরাসরি কৃষক এবং ডিলারদের মাধ্যমে বিক্রি করা হয়েছে।

এছাড়াও যশোর বীজ বিপণন কেন্দ্র (বিবি) থেকেও কালীগঞ্জ, কোটচাঁদপুর, মহেশপুরসহ বিভিন্ন উপজেলায় একই ধান বীজ বিক্রি করা হয়েছে। প্রতি কেজি বীজের ডিলার মূল্য ২৫ টাকা ৫০ পয়সা এবং কৃষকদের কাছে বিক্রি করতে হবে ৩০ টাকা প্রতি কেজি।

কিন্তু কৃষকরা জানান তারা প্রতি ১০ কেজির বস্তা কিনেছেন ৩৫০ টাকায়। ডিলারের মধ্যে বড় একটি অংশ ভুয়া রয়েছে। যাদের কোনো দোকান, গুদাম নেই। ভুয়া ডিলারদের নামেও বিএডিসি বীজ বরাদ্দ দিয়ে থাকে।

তবে ওই বীজ অধিক মূল্যে বিক্রি করা হয় কৃষকদের কাছে। বিএডিসি ঝিনাইদহের উপসহকারী পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত সিনিয়র সহকারী পরিচালক) মো. শফিউদ্দিন সবুজ এ ধরনের অভিযোগ অস্বীকার করেননি। তার ভাষায় ভুয়া ডিলারদের নামে বরাদ্দের বীজ বিক্রি করে বাড়তি কিছু অর্থ পকেটে আসে।

বিনিময়ে ওই ডিলারদের প্রতিবছরের লাইসেন্স নবায়ন করে দেয়া হয়। ব্রিধান-৫১ বীজে ভেজাল ধরা পড়েছে মর্মে সরাসরি স্বীকার করেন বিএডিসির এ কর্মকর্তা।

বর্তমানে ডিলার ও কৃষকদের চাপের মুখে রয়েছেন বলেও স্বীকার করেন তিনি। জেলা প্রশাসক সরোজ কুমার নাথ জানান, ব্রিধান-৫১ বীজে মিশ্রণ ধরা পড়েছে খবর সত্য।

তিনি আরও জানান, ভেজাল বীজ বিক্রির সঙ্গে জড়িত সরকারি কর্মকর্তা/কর্মচারীদের বেতন থেকে ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থাসহ শাস্তির আওতায় আনার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।