বড়লেখায় ২ আসামির বিরুদ্ধে চার্জশিট
jugantor
কলেজছাত্র প্রান্ত হত্যা
বড়লেখায় ২ আসামির বিরুদ্ধে চার্জশিট

  বড়লেখা (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি  

১৮ অক্টোবর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বড়লেখায় কলেজছাত্র প্রান্ত চন্দ্র দাস হত্যাকাণ্ডের প্রায় দু’বছর পর ২ আসামিকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেছে পুলিশ। অভিযুক্তরা হল- নিহত কলেজছাত্র প্রান্ত দাসের পিসাতো ভাই সুমন দাস ও তার স্ত্রী নিভা রানী দাস। সম্প্রতি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (কুলাউড়া সার্কেল) সাদেক কাউসার দস্তগীর অভিযোগপত্র জমা দেন। শনিবার বড়লেখা সিনিয়ির জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের এপিপি গোপাল দত্ত তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, মামলার প্রধান আসামি সুমন দাসের স্ত্রী নিভা রানী দাস শিলার সঙ্গে অসামাজিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হওয়ায় তিনি প্রান্তকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন। পরে ঘটনাটি আড়াল করতে আসামি সুমন দাস ও তার স্ত্রী নিভা রানী দাসের সহায়তায় তাদের বাড়ির একটি পরিত্যক্ত ঘরের জানালার গ্রিলে মুখ বেঁধে গলায় ফাঁস লাগিয়ে প্রান্তকে দাঁড় করিয়ে রাখেন। এতে আরও বলা হয়, মামলার এজাহারনামীয় আসামি নিরেশ দাস, নিকেশ দাস, সুকুমার দাস, সুভন দাস, চন্দন দাস, ববিতা রানী দাস মামলার ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

কলেজছাত্র প্রান্ত হত্যা

বড়লেখায় ২ আসামির বিরুদ্ধে চার্জশিট

 বড়লেখা (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি 
১৮ অক্টোবর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বড়লেখায় কলেজছাত্র প্রান্ত চন্দ্র দাস হত্যাকাণ্ডের প্রায় দু’বছর পর ২ আসামিকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেছে পুলিশ। অভিযুক্তরা হল- নিহত কলেজছাত্র প্রান্ত দাসের পিসাতো ভাই সুমন দাস ও তার স্ত্রী নিভা রানী দাস। সম্প্রতি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (কুলাউড়া সার্কেল) সাদেক কাউসার দস্তগীর অভিযোগপত্র জমা দেন। শনিবার বড়লেখা সিনিয়ির জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের এপিপি গোপাল দত্ত তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, মামলার প্রধান আসামি সুমন দাসের স্ত্রী নিভা রানী দাস শিলার সঙ্গে অসামাজিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হওয়ায় তিনি প্রান্তকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন। পরে ঘটনাটি আড়াল করতে আসামি সুমন দাস ও তার স্ত্রী নিভা রানী দাসের সহায়তায় তাদের বাড়ির একটি পরিত্যক্ত ঘরের জানালার গ্রিলে মুখ বেঁধে গলায় ফাঁস লাগিয়ে প্রান্তকে দাঁড় করিয়ে রাখেন। এতে আরও বলা হয়, মামলার এজাহারনামীয় আসামি নিরেশ দাস, নিকেশ দাস, সুকুমার দাস, সুভন দাস, চন্দন দাস, ববিতা রানী দাস মামলার ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।