গোমস্তাপুরে মানবেতর জীবন চার শতাধিক শিক্ষকের
jugantor
গোমস্তাপুরে মানবেতর জীবন চার শতাধিক শিক্ষকের

  গোমস্তাপুর (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধি  

২৪ অক্টোবর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার বিভিন্ন কিন্ডারগার্টেন (কেজি) স্কুলগুলো বর্তমানে করোনা মহামারীর কারণে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে। এ কারণে স্কুলগুলো ছাত্রছাত্রীদের কাছ থেকে কোনো বেতন আদায় করতে পারছে না। কেজি স্কুলগুলো ছাত্রছাত্রীর বেতনের ওপর নির্ভর করে তাদের বেতন-ভাতাসহ অন্যান্য কাজকর্ম করে থাকে। বেতন আদায় না হওয়ার ফলে মার্চ মাস থেকে শিক্ষক-কর্মচারীরা বেতন থেকে বঞ্চিত। অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ঘর ভাড়া পর্যন্ত দিতে পারছে না। ইতিমধ্যেই অনেক শিক্ষক-কর্মচারী পেটের তাগিদে অন্য পেশায় জড়িয়ে পড়েছেন। এ উপজেলায় ৩০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রায় ৭ হাজার ছাত্রছাত্রী প্লে শ্রেণি থেকে ৫ম শ্রেণি পর্যন্ত অধ্যয়নরত। সাধারণত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর চেয়ে কেজি স্কুলগুলোর ছাত্রছাত্রীরা ভালো ফলাফল করে থাকে।

বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে রহনপুর গাজি শিশু শিক্ষা নিকেতনের অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেন রনি জানান, সরকারের কাছ থেকে আর্থিক প্রণোদনা পেলে শিক্ষক-কর্মচারীরা তাদের পরিবার পরিজনের পাশে দাঁড়াতে পারত। রহনপুর তোজাম্মেল হোসেন একাডেমির প্রধান শিক্ষক সালেহ আহমেদ বাচ্চু সরকারের শুভদৃষ্টি কামনা করেন। বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন অ্যাসোসিয়েশন গোমস্তাপুর উপজেলার সভাপতি ও আলিনগর নুরজাহান প্রি-ক্যাডেট স্কুলের প্রধান শিক্ষক আলহাজ্ব সাদিকুল ইসলাম বলেন, স্কুল বন্ধ ও ছাত্রছাত্রীদের বেতন আদায় না হওয়ার কারণে শিক্ষক-কর্মচারীদের জীবনযাত্রার মান একেবারে তলানিতে নেমে গেছে। অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ও ঘোলাদীঘি ব্রাইট স্টার কিন্ডারগার্টেনের প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলাম জানান, গত জুন মাসে জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর আবেদন করা হয়েছে। তাছাড়া জুলাই মাসে সারা দেশে মানববন্ধন করা হয়েছে। শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য আর্থিক প্রণোদনা চেয়ে একই কথা বলেন, রহনপুর আইডিয়াল স্কুলের অধ্যক্ষ জামিলুর রহমান মারুফ, জ্ঞানচক্র একাডেমির প্রধান শিক্ষক আবদুল্লাহ আল মামুন, রহনপুর পাবলিক স্কুলের অধ্যক্ষ উমর ফারুক, গ্রিনভিউ স্কুলের প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম, হলি চাইল্ড স্কুলের পরিচালক মিজানুর রহমান ও নুর একাডেমির পরিচালক আবদুর নুর।

গোমস্তাপুরে মানবেতর জীবন চার শতাধিক শিক্ষকের

 গোমস্তাপুর (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধি 
২৪ অক্টোবর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার বিভিন্ন কিন্ডারগার্টেন (কেজি) স্কুলগুলো বর্তমানে করোনা মহামারীর কারণে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে। এ কারণে স্কুলগুলো ছাত্রছাত্রীদের কাছ থেকে কোনো বেতন আদায় করতে পারছে না। কেজি স্কুলগুলো ছাত্রছাত্রীর বেতনের ওপর নির্ভর করে তাদের বেতন-ভাতাসহ অন্যান্য কাজকর্ম করে থাকে। বেতন আদায় না হওয়ার ফলে মার্চ মাস থেকে শিক্ষক-কর্মচারীরা বেতন থেকে বঞ্চিত। অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ঘর ভাড়া পর্যন্ত দিতে পারছে না। ইতিমধ্যেই অনেক শিক্ষক-কর্মচারী পেটের তাগিদে অন্য পেশায় জড়িয়ে পড়েছেন। এ উপজেলায় ৩০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রায় ৭ হাজার ছাত্রছাত্রী প্লে শ্রেণি থেকে ৫ম শ্রেণি পর্যন্ত অধ্যয়নরত। সাধারণত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর চেয়ে কেজি স্কুলগুলোর ছাত্রছাত্রীরা ভালো ফলাফল করে থাকে।

বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে রহনপুর গাজি শিশু শিক্ষা নিকেতনের অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেন রনি জানান, সরকারের কাছ থেকে আর্থিক প্রণোদনা পেলে শিক্ষক-কর্মচারীরা তাদের পরিবার পরিজনের পাশে দাঁড়াতে পারত। রহনপুর তোজাম্মেল হোসেন একাডেমির প্রধান শিক্ষক সালেহ আহমেদ বাচ্চু সরকারের শুভদৃষ্টি কামনা করেন। বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন অ্যাসোসিয়েশন গোমস্তাপুর উপজেলার সভাপতি ও আলিনগর নুরজাহান প্রি-ক্যাডেট স্কুলের প্রধান শিক্ষক আলহাজ্ব সাদিকুল ইসলাম বলেন, স্কুল বন্ধ ও ছাত্রছাত্রীদের বেতন আদায় না হওয়ার কারণে শিক্ষক-কর্মচারীদের জীবনযাত্রার মান একেবারে তলানিতে নেমে গেছে। অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ও ঘোলাদীঘি ব্রাইট স্টার কিন্ডারগার্টেনের প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলাম জানান, গত জুন মাসে জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর আবেদন করা হয়েছে। তাছাড়া জুলাই মাসে সারা দেশে মানববন্ধন করা হয়েছে। শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য আর্থিক প্রণোদনা চেয়ে একই কথা বলেন, রহনপুর আইডিয়াল স্কুলের অধ্যক্ষ জামিলুর রহমান মারুফ, জ্ঞানচক্র একাডেমির প্রধান শিক্ষক আবদুল্লাহ আল মামুন, রহনপুর পাবলিক স্কুলের অধ্যক্ষ উমর ফারুক, গ্রিনভিউ স্কুলের প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম, হলি চাইল্ড স্কুলের পরিচালক মিজানুর রহমান ও নুর একাডেমির পরিচালক আবদুর নুর।