গোপালপুরে অপহৃত কিশোরীকে উদ্ধারের দাবি
jugantor
গোপালপুরে অপহৃত কিশোরীকে উদ্ধারের দাবি

  টাঙ্গাইল প্রতিনিধি  

২৬ অক্টোবর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

গোপালপুর উপজেলার উত্তর বিলডগা গ্রামের অপহৃত কিশোরীর উদ্ধার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন এক মুক্তিযোদ্ধা পরিবার। রোববার টাঙ্গাইল প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে মুক্তিযোদ্ধা সাহেব আলী খান বলেন, তার নাতনি স্থানীয় একটি মাদ্রাসার নবম শ্রেণির ছাত্রী (১৪)। ১৬ আগস্ট রাত সোয়া ১১টার দিকে বাড়ির দক্ষিণপাশে টিউবওয়েলের কাছে যায়। ওই সময় একই উপজেলার চতিলা গ্রামের সাকিল হাসান, হাছিনা বেগম, শাফী উদ্দিন, মো. শফিকুল, রেহেনা বেগম ও মো. সোলায়মান তাকে অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যান। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তাকে পাওয়া যায়নি। তার নাতনিকে উদ্ধারের জন্য এলাকার মাতবরদের কাছে গেলে তারা আশ্বাস দিলেও পরবর্তীতে নানাভাবে টালবাহানা করতে থাকে। তাদের কাছ থেকে কোনো সুরাহা না পেয়ে ২১ আগস্ট গোপালপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা করা হয়। পুলিশ আসামি সোলায়মানকে গ্রেফতার করে। তিনি পুলিশকে জানান, সাকিল হাসানসহ আসামিরা কিশোরীকে অপহরণ করে গাজীপুরের অজ্ঞাত স্থানে রেখেছে। ঢাকার দক্ষিণখান থানার আটিপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির মোড় এলাকা থেকে হাছিনা বেগম ও শাফী উদ্দিনকেও গ্রেফতার করা হয়। তারাও কিশোরীকে অপহরণের কথা স্বীকার করে। ১২ অক্টোবর অপর আসামি শফিকুলকেও গ্রেফতার করে পুলিশ। তারপরও কিশোরীকে উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ। কিশোরীর বাবা সংবাদ সম্মেলনে বলেন, আসামিরা নানাভাবে তাকে ও তার পরিবারের লোকজনকে ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। তারা যে কোনো সময় তার পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা করতে পারে বলেও তিনি শঙ্কা প্রকাশ করেন। মেয়েকে উদ্ধারের জন্য তিনি প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেন

গোপালপুরে অপহৃত কিশোরীকে উদ্ধারের দাবি

 টাঙ্গাইল প্রতিনিধি 
২৬ অক্টোবর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

গোপালপুর উপজেলার উত্তর বিলডগা গ্রামের অপহৃত কিশোরীর উদ্ধার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন এক মুক্তিযোদ্ধা পরিবার। রোববার টাঙ্গাইল প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে মুক্তিযোদ্ধা সাহেব আলী খান বলেন, তার নাতনি স্থানীয় একটি মাদ্রাসার নবম শ্রেণির ছাত্রী (১৪)। ১৬ আগস্ট রাত সোয়া ১১টার দিকে বাড়ির দক্ষিণপাশে টিউবওয়েলের কাছে যায়। ওই সময় একই উপজেলার চতিলা গ্রামের সাকিল হাসান, হাছিনা বেগম, শাফী উদ্দিন, মো. শফিকুল, রেহেনা বেগম ও মো. সোলায়মান তাকে অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যান। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তাকে পাওয়া যায়নি। তার নাতনিকে উদ্ধারের জন্য এলাকার মাতবরদের কাছে গেলে তারা আশ্বাস দিলেও পরবর্তীতে নানাভাবে টালবাহানা করতে থাকে। তাদের কাছ থেকে কোনো সুরাহা না পেয়ে ২১ আগস্ট গোপালপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা করা হয়। পুলিশ আসামি সোলায়মানকে গ্রেফতার করে। তিনি পুলিশকে জানান, সাকিল হাসানসহ আসামিরা কিশোরীকে অপহরণ করে গাজীপুরের অজ্ঞাত স্থানে রেখেছে। ঢাকার দক্ষিণখান থানার আটিপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির মোড় এলাকা থেকে হাছিনা বেগম ও শাফী উদ্দিনকেও গ্রেফতার করা হয়। তারাও কিশোরীকে অপহরণের কথা স্বীকার করে। ১২ অক্টোবর অপর আসামি শফিকুলকেও গ্রেফতার করে পুলিশ। তারপরও কিশোরীকে উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ। কিশোরীর বাবা সংবাদ সম্মেলনে বলেন, আসামিরা নানাভাবে তাকে ও তার পরিবারের লোকজনকে ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। তারা যে কোনো সময় তার পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা করতে পারে বলেও তিনি শঙ্কা প্রকাশ করেন। মেয়েকে উদ্ধারের জন্য তিনি প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেন