ডাক্তার একজন, রোগী দেখেন সপ্তাহে ১ দিন
jugantor
হোমনায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
ডাক্তার একজন, রোগী দেখেন সপ্তাহে ১ দিন

  হোমনা (কুমিল্লা) প্রতিনিধি  

০৯ নভেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ডাক্তার একজন, রোগী দেখেন সপ্তাহে ১ দিন

হোমনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ৩১ শয্যা থেকে ৫০ শয্যায় উন্নীত হলেও আধুনিক যন্ত্রপাতি, ডাক্তার, নার্সসহ জনবল সংকট রয়েছে। ফলে ব্যাহত হচ্ছে চিকিৎসা।

জানা গেছে, বর্তমানে এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ জন কনসালটেন্ট কর্মরত থাকার কথা থাকলেও রয়েছেন মাত্র একজন। তিনিও সপ্তাহে এক দিন হাসপাতালে উপস্থিত থাকেন।

ইউনিয়ন সাব সেন্টারের কয়েকজন ডাক্তার দিয়ে কোনো মতে চিকিৎসা চালিয়ে যাচ্ছেন কর্তৃপক্ষ। এদিকে, কমপ্লেক্সের ৩টি এক্সরে মেশিন পাঁচ বছর ধরে বিকল।

এর মধ্যে একটি এক্সরে মেশিন মেরামত হলেও অপারেটরকে ডেপটেশনে অন্যত্র বদলি করায় সেটাও বন্ধ রয়েছে। হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্সও বেশির ভাগ সময় নষ্ট থাকে।

এছাড়া হাসপাতালের নতুন ভবনে স্থাপিত অপারেশন থিয়েটারটিও রয়েছে পরিত্যক্ত অবস্থায়। ফলে ব্যবহার না হওয়ায় নষ্ট হচ্ছে সরকারের দেয়া কোটি কোটি টাকার যন্ত্রপাতি।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ আবদুছ ছালাম সিকদার জানান, হাসপাতালে মাত্র একজন গাইনি কনসালটেন্ট রয়েছে।

অথচ, এ কমপ্লেক্সে কনসালটেন্টের পোস্ট রয়েছে ১০টি। আয়া পাঁচজনের মধ্যে আছে একজন, সুইপার পাঁচজনের মধ্যে আছে একজন, দারোয়ান দু’জনের মধ্যে আছে একজন, ঝাড়ুদার পাঁচজনের মধ্যে আছে দু’জন।

তিনি বলেন, জনবল বাড়াতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেয়া হয়েছে। পৌর মেয়র নজরুল ইসলাম দ্রুত জনবল নিয়োগসহ সেবার মান বাড়াতে কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি কামনা করেছেন।

এ বিষয়ে জেলা সিভিল সার্জন ডা. নিয়াতুজ্জামান জানান, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবহিত আছেন। দ্রুত জনবল সংকট নিরসনে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে তিনি জানান।

হোমনায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স

ডাক্তার একজন, রোগী দেখেন সপ্তাহে ১ দিন

 হোমনা (কুমিল্লা) প্রতিনিধি 
০৯ নভেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ
ডাক্তার একজন, রোগী দেখেন সপ্তাহে ১ দিন
ফাইল ছবি

হোমনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ৩১ শয্যা থেকে ৫০ শয্যায় উন্নীত হলেও আধুনিক যন্ত্রপাতি, ডাক্তার, নার্সসহ জনবল সংকট রয়েছে। ফলে ব্যাহত হচ্ছে চিকিৎসা।

জানা গেছে, বর্তমানে এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ জন কনসালটেন্ট কর্মরত থাকার কথা থাকলেও রয়েছেন মাত্র একজন। তিনিও সপ্তাহে এক দিন হাসপাতালে উপস্থিত থাকেন।

ইউনিয়ন সাব সেন্টারের কয়েকজন ডাক্তার দিয়ে কোনো মতে চিকিৎসা চালিয়ে যাচ্ছেন কর্তৃপক্ষ। এদিকে, কমপ্লেক্সের ৩টি এক্সরে মেশিন পাঁচ বছর ধরে বিকল।

এর মধ্যে একটি এক্সরে মেশিন মেরামত হলেও অপারেটরকে ডেপটেশনে অন্যত্র বদলি করায় সেটাও বন্ধ রয়েছে। হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্সও বেশির ভাগ সময় নষ্ট থাকে।

এছাড়া হাসপাতালের নতুন ভবনে স্থাপিত অপারেশন থিয়েটারটিও রয়েছে পরিত্যক্ত অবস্থায়। ফলে ব্যবহার না হওয়ায় নষ্ট হচ্ছে সরকারের দেয়া কোটি কোটি টাকার যন্ত্রপাতি।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ আবদুছ ছালাম সিকদার জানান, হাসপাতালে মাত্র একজন গাইনি কনসালটেন্ট রয়েছে।

অথচ, এ কমপ্লেক্সে কনসালটেন্টের পোস্ট রয়েছে ১০টি। আয়া পাঁচজনের মধ্যে আছে একজন, সুইপার পাঁচজনের মধ্যে আছে একজন, দারোয়ান দু’জনের মধ্যে আছে একজন, ঝাড়ুদার পাঁচজনের মধ্যে আছে দু’জন।

তিনি বলেন, জনবল বাড়াতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেয়া হয়েছে। পৌর মেয়র নজরুল ইসলাম দ্রুত জনবল নিয়োগসহ সেবার মান বাড়াতে কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি কামনা করেছেন।

এ বিষয়ে জেলা সিভিল সার্জন ডা. নিয়াতুজ্জামান জানান, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবহিত আছেন। দ্রুত জনবল সংকট নিরসনে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে তিনি জানান।