সুন্দরগঞ্জে তিস্তার ভাঙনে শতাধিক ঘরবাড়ি বিলীন
jugantor
সুন্দরগঞ্জে তিস্তার ভাঙনে শতাধিক ঘরবাড়ি বিলীন

  গাইবান্ধা প্রতিনিধি  

২২ নভেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সুন্দরগঞ্জে তিস্তার ভাঙনে শতাধিক ঘরবাড়ি বিলীন

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় শুকনো মৌসুমেও তিস্তা নদীর ব্যাপক ভাঙন শুরু হয়েছে। তিস্তার ভাঙনে গত দু’সপ্তাহে হরিপুর ও কাপাসিয়াসহ পার্শ্ববর্তী এলাকায় শতাধিক ঘরবাড়ি ও কয়েকশ’ একর আবাদি জমি নদীতে বিলীন হয়ে গেছে।

নদী ভাঙন ঠেকাতে পানি উন্নয়ন বোর্ড জিও টিউব ও ব্যাগ ফেললেও ভাঙন ঠেকানো যাচ্ছে না। যেসব এলাকায় ফেলানো হচ্ছে সেসব এলাকায় কিছুটা ভাঙন ঠেকলেও অন্য এলাকায় নতুন করে ভাঙন দেখা দিচ্ছে।

এর ফলে গত দু’সপ্তাহে ওই দুটি এলাকার শতাধিক ঘরবাড়ি নদীতে নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে।

এদিকে বন্যার পানি নেমে যাওয়ার পর থেকেই হরিপুর এবং কাপাসিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক ভাঙন শুরু হয়। ফলে ভাঙন কবলিত এলাকার লোকজন ঘরবাড়ি হারা হয়ে অন্যত্র গিয়ে আশ্রয় নিচ্ছে।

অনেকে ঘরবাড়ি অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। হরিপুর ইউনিয়নের মাদারিপাড়া গ্রামের ওয়াহেদ আলী জানান, ৫৫ বছর বয়সে তিনি ১০ বার নদী ভাঙনের শিকার হয়েছেন।

এরমধ্যে চলতি বছরেই তিনি ৩ বার নদী ভাঙনের শিকার হন। পরিবার-পরিজন নিয়ে তিনি আর নদী ভাঙন মোকাবেলা করতে পারছেন না।

হরিপুর ইউপি চেয়ারম্যান নাফিউল ইসলাম জিমি জানান, তিস্তার ভাঙনে এলাকার মানুষ দিশেহারা। তারা নিঃস্ব হয়ে যাচ্ছে। এ ভাঙন ঠেকানোর জন্য কার্যকরি প্রকল্প গ্রহণ প্রয়োজন।

ভাঙন ঠেকানোর ব্যাপারে পানি উন্নয়ন বোর্ডকে বার বার অনুরোধ জানানো হয়েছে। সাময়িক ব্যবস্থা নেয়া হলেও বড় ধরনের কোনো প্রকল্প এখনও নেয়া হয়নি।

এ ব্যাপারে গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোখলেছুর রহমান জানান, ওই এলাকায় দীর্ঘ এলাকাজুড়ে ভাঙছে। এ জন্য

ভাঙন ঠেকানোর লক্ষ্যে ৪০০ কোটি টাকার একটি প্রস্তাবনা প্রধান কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। প্রকল্পটির অনুমোদন এবং অর্থ বরাদ্দ হলে জরুরিভিত্তিতে পদক্ষেপ নেয়া হবে।

সুন্দরগঞ্জে তিস্তার ভাঙনে শতাধিক ঘরবাড়ি বিলীন

 গাইবান্ধা প্রতিনিধি 
২২ নভেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ
সুন্দরগঞ্জে তিস্তার ভাঙনে শতাধিক ঘরবাড়ি বিলীন
ফাইল ছবি

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় শুকনো মৌসুমেও তিস্তা নদীর ব্যাপক ভাঙন শুরু হয়েছে। তিস্তার ভাঙনে গত দু’সপ্তাহে হরিপুর ও কাপাসিয়াসহ পার্শ্ববর্তী এলাকায় শতাধিক ঘরবাড়ি ও কয়েকশ’ একর আবাদি জমি নদীতে বিলীন হয়ে গেছে।

নদী ভাঙন ঠেকাতে পানি উন্নয়ন বোর্ড জিও টিউব ও ব্যাগ ফেললেও ভাঙন ঠেকানো যাচ্ছে না। যেসব এলাকায় ফেলানো হচ্ছে সেসব এলাকায় কিছুটা ভাঙন ঠেকলেও অন্য এলাকায় নতুন করে ভাঙন দেখা দিচ্ছে।

এর ফলে গত দু’সপ্তাহে ওই দুটি এলাকার শতাধিক ঘরবাড়ি নদীতে নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে।

এদিকে বন্যার পানি নেমে যাওয়ার পর থেকেই হরিপুর এবং কাপাসিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক ভাঙন শুরু হয়। ফলে ভাঙন কবলিত এলাকার লোকজন ঘরবাড়ি হারা হয়ে অন্যত্র গিয়ে আশ্রয় নিচ্ছে।

অনেকে ঘরবাড়ি অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। হরিপুর ইউনিয়নের মাদারিপাড়া গ্রামের ওয়াহেদ আলী জানান, ৫৫ বছর বয়সে তিনি ১০ বার নদী ভাঙনের শিকার হয়েছেন।

এরমধ্যে চলতি বছরেই তিনি ৩ বার নদী ভাঙনের শিকার হন। পরিবার-পরিজন নিয়ে তিনি আর নদী ভাঙন মোকাবেলা করতে পারছেন না।

হরিপুর ইউপি চেয়ারম্যান নাফিউল ইসলাম জিমি জানান, তিস্তার ভাঙনে এলাকার মানুষ দিশেহারা। তারা নিঃস্ব হয়ে যাচ্ছে। এ ভাঙন ঠেকানোর জন্য কার্যকরি প্রকল্প গ্রহণ প্রয়োজন।

ভাঙন ঠেকানোর ব্যাপারে পানি উন্নয়ন বোর্ডকে বার বার অনুরোধ জানানো হয়েছে। সাময়িক ব্যবস্থা নেয়া হলেও বড় ধরনের কোনো প্রকল্প এখনও নেয়া হয়নি।

এ ব্যাপারে গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোখলেছুর রহমান জানান, ওই এলাকায় দীর্ঘ এলাকাজুড়ে ভাঙছে। এ জন্য

ভাঙন ঠেকানোর লক্ষ্যে ৪০০ কোটি টাকার একটি প্রস্তাবনা প্রধান কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। প্রকল্পটির অনুমোদন এবং অর্থ বরাদ্দ হলে জরুরিভিত্তিতে পদক্ষেপ নেয়া হবে।