শিবগঞ্জে ভুয়া সনদে সুপারিনটেনডেন্ট নিয়োগ তদন্তের নির্দেশ
jugantor
নিয়ামতিয়া আলিম মাদ্রাসা
শিবগঞ্জে ভুয়া সনদে সুপারিনটেনডেন্ট নিয়োগ তদন্তের নির্দেশ

  শিবগঞ্জ (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধি  

০৩ ডিসেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সোনামসজিদ এলাকার তোহাখানা নিয়ামতিয়া আলিম মাদ্রাসায় ভুয়া সনদে সুপারিনটেনডেন্ট নিয়োগের অভিযোগে মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত সুপারিনটেনডেন্ট মামুনার রশিদের লিখিত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদফতরের পরিদর্শক দফতর। এ বছরের ২ নভেম্বর মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদফতরের পরিদর্শক ইমন আমীর স্বাক্ষরিত পত্রে এ তদন্তের বিষয়ে জানা যায়। শিবগঞ্জ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তাকে তোহাখানা নিয়ামতিয়া আলিম মাদ্রাসায় ভুয়া সনদে সুপারিনটেনডেন্ট নিয়োগের অভিযোগের বিষয়টি সরেজমিন তদন্ত করে প্রতিবেদন দেয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ডের ১৯-০৪-১৯৮৪ সালের ডিআই এ/৮৩/প্রশা/২ই-৩/৫৮৮২(৫০) স্মারকের সিদ্ধান্তকে অমান্য করে সভাপতি একরামুল হককে গত বছরের ২৮ ডিসেম্বর তড়িঘড়ি করে মাদ্রাসার নির্বাহী সভাপতি রবিউল ইসলাম নিয়োগপত্র দেন। এ বিষয়ে তিনি বলেন, তখন আমি বিধিমোতাবেকই নিয়োগ দিয়েছি। নিয়োগপত্র প্রাপ্তির পরও চলতি বছরের ১ জানুয়ারি মাদ্রাসায় যোগ দেন তিনি। আরও উল্লেখ রয়েছে- আবেদনকারী একরামুল হক ১৯৮৬ সালে আলিম ও ১৯৮৮ সালে ফাজিল পরীক্ষা পাসের সার্টিফিকেট ভারতের কলকাতার মাদ্রাসা বোর্ডের সনদপত্র দাখিল করেন। দুটি সনদপত্রে কলকাতা মাদ্রাসা বোর্ডের রেজিস্ট্রেশন ও রোল নম্বর নেই।

এছাড়া বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ডের ১৯৮৪ সালের এপ্রিলের স্মারকে অনুষ্ঠিত একাডেমিক কমিটির নতুন সিদ্ধান্ত হয়। এতে ভারত ও পাকিস্তানে অবস্থিত মাদ্রাসা বোর্ডগুলো থেকে পাস করা কোনো ব্যক্তিকে বাংলাদেশ মাদ্রাসা বোর্ডের কোনো মঞ্জুরিপ্রাপ্ত মাদ্রাসায় শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ করা যাবে না। কিন্তু যাচাই-বাছাই কমিটি ওই সার্কুলারের তোয়াক্কা না করে রবিউল ইসলাম একরামুল হকের আবেদনপত্র বৈধ ঘোষণা করেন, যা সম্পূর্ণ বিধিবহির্ভূত। সুপার (ভারপ্রাপ্ত) মাওলানা মামুনুর রশীদের সঙ্গে ঘটনা তদন্তের বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, ভারপ্রাপ্ত সুপার ছাড়া অন্য কারও সুপারিনটেনডেন্ট নিয়োগপত্র দেয়ার এখতিয়ার নেই।

নিয়ামতিয়া আলিম মাদ্রাসা

শিবগঞ্জে ভুয়া সনদে সুপারিনটেনডেন্ট নিয়োগ তদন্তের নির্দেশ

 শিবগঞ্জ (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধি 
০৩ ডিসেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সোনামসজিদ এলাকার তোহাখানা নিয়ামতিয়া আলিম মাদ্রাসায় ভুয়া সনদে সুপারিনটেনডেন্ট নিয়োগের অভিযোগে মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত সুপারিনটেনডেন্ট মামুনার রশিদের লিখিত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদফতরের পরিদর্শক দফতর। এ বছরের ২ নভেম্বর মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদফতরের পরিদর্শক ইমন আমীর স্বাক্ষরিত পত্রে এ তদন্তের বিষয়ে জানা যায়। শিবগঞ্জ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তাকে তোহাখানা নিয়ামতিয়া আলিম মাদ্রাসায় ভুয়া সনদে সুপারিনটেনডেন্ট নিয়োগের অভিযোগের বিষয়টি সরেজমিন তদন্ত করে প্রতিবেদন দেয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ডের ১৯-০৪-১৯৮৪ সালের ডিআই এ/৮৩/প্রশা/২ই-৩/৫৮৮২(৫০) স্মারকের সিদ্ধান্তকে অমান্য করে সভাপতি একরামুল হককে গত বছরের ২৮ ডিসেম্বর তড়িঘড়ি করে মাদ্রাসার নির্বাহী সভাপতি রবিউল ইসলাম নিয়োগপত্র দেন। এ বিষয়ে তিনি বলেন, তখন আমি বিধিমোতাবেকই নিয়োগ দিয়েছি। নিয়োগপত্র প্রাপ্তির পরও চলতি বছরের ১ জানুয়ারি মাদ্রাসায় যোগ দেন তিনি। আরও উল্লেখ রয়েছে- আবেদনকারী একরামুল হক ১৯৮৬ সালে আলিম ও ১৯৮৮ সালে ফাজিল পরীক্ষা পাসের সার্টিফিকেট ভারতের কলকাতার মাদ্রাসা বোর্ডের সনদপত্র দাখিল করেন। দুটি সনদপত্রে কলকাতা মাদ্রাসা বোর্ডের রেজিস্ট্রেশন ও রোল নম্বর নেই।

এছাড়া বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ডের ১৯৮৪ সালের এপ্রিলের স্মারকে অনুষ্ঠিত একাডেমিক কমিটির নতুন সিদ্ধান্ত হয়। এতে ভারত ও পাকিস্তানে অবস্থিত মাদ্রাসা বোর্ডগুলো থেকে পাস করা কোনো ব্যক্তিকে বাংলাদেশ মাদ্রাসা বোর্ডের কোনো মঞ্জুরিপ্রাপ্ত মাদ্রাসায় শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ করা যাবে না। কিন্তু যাচাই-বাছাই কমিটি ওই সার্কুলারের তোয়াক্কা না করে রবিউল ইসলাম একরামুল হকের আবেদনপত্র বৈধ ঘোষণা করেন, যা সম্পূর্ণ বিধিবহির্ভূত। সুপার (ভারপ্রাপ্ত) মাওলানা মামুনুর রশীদের সঙ্গে ঘটনা তদন্তের বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, ভারপ্রাপ্ত সুপার ছাড়া অন্য কারও সুপারিনটেনডেন্ট নিয়োগপত্র দেয়ার এখতিয়ার নেই।