বরগুনায় কিন্ডার গার্টেনের শিক্ষক কর্মচারীদের মানবেতর জীবন
jugantor
বরগুনায় কিন্ডার গার্টেনের শিক্ষক কর্মচারীদের মানবেতর জীবন

  বরগুনা প্রতিনিধি  

০৩ ডিসেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বরগুনা জেলার ছয় উপজেলার বিভিন্ন কিন্ডারগার্টেন, কেজি স্কুল ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো করোনা দুর্যোগে দীর্ঘদিন বন্ধ রয়েছে। এ কারণে বিদ্যালয়গুলো ছাত্রছাত্রীদের কাছ থেকে কোনো বেতন আদায় করতে পারছে না। এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রীদের বেতনের ওপর নির্ভর করেই চলে থাকে। শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বেতন আদায় না হওয়ার ফলে মার্চ মাস থেকে প্রায় ৮ মাস শিক্ষক-কর্মচারীরা বেকার হয়ে পড়েছেন। বাড়িওয়ালারা ঘর বাড়ার জন্য বারবার তাগাদা দেয়া সত্ত্বেও অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ঘর ভাড়া পর্যন্ত দিতে পারছে না। ইতোমধ্যে অনেক শিক্ষক-কর্মচারী আর্থিক অভাব-অনটনের জন্য অন্য পেশায় জড়িয়ে পড়েছেন। এ জেলায় প্রাথমিক স্তরে কেজি স্কুল ৯৫টি ও মাধ্যমিক স্তরের ৭১টি স্কুল রয়েছে। এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রায় ৩ হাজার শিক্ষক-কর্মচারী রয়েছে। শিক্ষার্থী রয়েছে প্রায় ৫০ হাজার। বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে জানতে চাইলে ক্যালিক্স একাডেমির চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান জানান, করোনা দুর্যোগে মার্চ মাস থেকে এ জেলার কেজি স্কুল ও মাধমিক স্তরের স্কুলগুলো বন্ধ হয়ে যায়। শিক্ষার্থীদের বেতনের ওপরই নির্ভর করে শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন। কিন্তু স্কুলগুলো বন্ধ থাকায় বেতন আদায় করা সম্ভব হচ্ছে না। এর পাশাপাশি এসব প্রতিষ্ঠান ভাড়া বাড়িতেই চলে আসছে। ঘরের ভাড়া না দিতে পারায় অনেক প্রতিষ্ঠানই ছেড়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। মাধ্যমিক এভারগ্রিন পাবলিক মডেল স্কুলের অধ্যক্ষ মো. আ. জব্বার বলেন, করোনা দুর্যোগের ৮ মাস বন্ধ থাকায় স্কুলগুলোর শিক্ষক-কর্মচারীরা বেতনভাতা না পাওয়ায় এ পেশা ছেড়ে অন্য পেশায় যেতে বাধ্য হয়েছেন।

বরগুনায় কিন্ডার গার্টেনের শিক্ষক কর্মচারীদের মানবেতর জীবন

 বরগুনা প্রতিনিধি 
০৩ ডিসেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বরগুনা জেলার ছয় উপজেলার বিভিন্ন কিন্ডারগার্টেন, কেজি স্কুল ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো করোনা দুর্যোগে দীর্ঘদিন বন্ধ রয়েছে। এ কারণে বিদ্যালয়গুলো ছাত্রছাত্রীদের কাছ থেকে কোনো বেতন আদায় করতে পারছে না। এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রীদের বেতনের ওপর নির্ভর করেই চলে থাকে। শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বেতন আদায় না হওয়ার ফলে মার্চ মাস থেকে প্রায় ৮ মাস শিক্ষক-কর্মচারীরা বেকার হয়ে পড়েছেন। বাড়িওয়ালারা ঘর বাড়ার জন্য বারবার তাগাদা দেয়া সত্ত্বেও অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ঘর ভাড়া পর্যন্ত দিতে পারছে না। ইতোমধ্যে অনেক শিক্ষক-কর্মচারী আর্থিক অভাব-অনটনের জন্য অন্য পেশায় জড়িয়ে পড়েছেন। এ জেলায় প্রাথমিক স্তরে কেজি স্কুল ৯৫টি ও মাধ্যমিক স্তরের ৭১টি স্কুল রয়েছে। এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রায় ৩ হাজার শিক্ষক-কর্মচারী রয়েছে। শিক্ষার্থী রয়েছে প্রায় ৫০ হাজার। বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে জানতে চাইলে ক্যালিক্স একাডেমির চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান জানান, করোনা দুর্যোগে মার্চ মাস থেকে এ জেলার কেজি স্কুল ও মাধমিক স্তরের স্কুলগুলো বন্ধ হয়ে যায়। শিক্ষার্থীদের বেতনের ওপরই নির্ভর করে শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন। কিন্তু স্কুলগুলো বন্ধ থাকায় বেতন আদায় করা সম্ভব হচ্ছে না। এর পাশাপাশি এসব প্রতিষ্ঠান ভাড়া বাড়িতেই চলে আসছে। ঘরের ভাড়া না দিতে পারায় অনেক প্রতিষ্ঠানই ছেড়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। মাধ্যমিক এভারগ্রিন পাবলিক মডেল স্কুলের অধ্যক্ষ মো. আ. জব্বার বলেন, করোনা দুর্যোগের ৮ মাস বন্ধ থাকায় স্কুলগুলোর শিক্ষক-কর্মচারীরা বেতনভাতা না পাওয়ায় এ পেশা ছেড়ে অন্য পেশায় যেতে বাধ্য হয়েছেন।