হবিগঞ্জে স্বামীকে বিষপানে হত্যার স্বীকারোক্তি
jugantor
শ্বশুরবাড়িতে মর্যাদা পাননি
হবিগঞ্জে স্বামীকে বিষপানে হত্যার স্বীকারোক্তি

  হবিগঞ্জ প্রতিনিধি  

০৩ ডিসেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

হবিগঞ্জে স্বামীকে বিষপানে হত্যার স্বীকারোক্তি

হবিগঞ্জে আবাসিক হোটেলে বিষক্রিয়ায় আলমগীর মিয়ার (৪০) মৃত্যুর ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন হয়েছে।

হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন নিহতের চতুর্থ স্ত্রী তানিয়া আক্তার।

আদালতে তিনি জানান, শুধু শ্বশুরবাড়ি থেকে মর্যাদা না পাওয়ার ক্ষোভেই তিনি স্বামীকে মদের সঙ্গে কৌশলে বিষ মিশিয়ে হত্যা করেন।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুল ইসলামের আদালতে তার জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়।

বুধবার সদর মডেল থানার ওসি মো. মাসুক আলী এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, তানিয়া আলমগীরের চতুর্থ স্ত্রী। শ্বশুরবাড়ি থেকে মর্যাদা না পাওয়ার ক্ষোভে স্বামীকে হত্যার পরিকল্পনা করেন তানিয়া।

পরিকল্পনা অনুযায়ী ২৩ জুলাই শহরের একটি রেস্ট হাউসের কক্ষ ভাড়া নেন। সেখানে মদের সঙ্গে কৌশলে বিষ মিশিয়ে স্বামী আলমগীরকে পান করান।

পরে স্বামী অসুস্থ হয়ে পড়েছেন বলে হোটেলকর্মীদের সহায়তায় হাসপাতালে নিলে ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে হাসপাতাল থেকেই তানিয়াকে গ্রেফতার করা হয়।

তাকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করলে স্বামীকে হত্যার কথা স্বীকার করেন তিনি। আদালত স্বীকারোক্তি গ্রহণের পর তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।

নিহতের পরিবার জানায়, আলমগীর সদর উপজেলার সুলতান মাহমুদপুর গ্রামের আবদুর রহিমের ছেলে। আর তার চতুর্থ স্ত্রী তানিয়া বানিয়াচং উপজেলার ইকরাম গ্রামের লুৎফর রহমানের মেয়ে।

শ্বশুরবাড়িতে মর্যাদা পাননি

হবিগঞ্জে স্বামীকে বিষপানে হত্যার স্বীকারোক্তি

 হবিগঞ্জ প্রতিনিধি 
০৩ ডিসেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ
হবিগঞ্জে স্বামীকে বিষপানে হত্যার স্বীকারোক্তি
ফাইল ছবি

হবিগঞ্জে আবাসিক হোটেলে বিষক্রিয়ায় আলমগীর মিয়ার (৪০) মৃত্যুর ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন হয়েছে।

হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন নিহতের চতুর্থ স্ত্রী তানিয়া আক্তার।

আদালতে তিনি জানান, শুধু শ্বশুরবাড়ি থেকে মর্যাদা না পাওয়ার ক্ষোভেই তিনি স্বামীকে মদের সঙ্গে কৌশলে বিষ মিশিয়ে হত্যা করেন।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুল ইসলামের আদালতে তার জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়।

বুধবার সদর মডেল থানার ওসি মো. মাসুক আলী এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, তানিয়া আলমগীরের চতুর্থ স্ত্রী। শ্বশুরবাড়ি থেকে মর্যাদা না পাওয়ার ক্ষোভে স্বামীকে হত্যার পরিকল্পনা করেন তানিয়া।

পরিকল্পনা অনুযায়ী ২৩ জুলাই শহরের একটি রেস্ট হাউসের কক্ষ ভাড়া নেন। সেখানে মদের সঙ্গে কৌশলে বিষ মিশিয়ে স্বামী আলমগীরকে পান করান।

পরে স্বামী অসুস্থ হয়ে পড়েছেন বলে হোটেলকর্মীদের সহায়তায় হাসপাতালে নিলে ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে হাসপাতাল থেকেই তানিয়াকে গ্রেফতার করা হয়।

তাকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করলে স্বামীকে হত্যার কথা স্বীকার করেন তিনি। আদালত স্বীকারোক্তি গ্রহণের পর তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।

নিহতের পরিবার জানায়, আলমগীর সদর উপজেলার সুলতান মাহমুদপুর গ্রামের আবদুর রহিমের ছেলে। আর তার চতুর্থ স্ত্রী তানিয়া বানিয়াচং উপজেলার ইকরাম গ্রামের লুৎফর রহমানের মেয়ে।