নৌকার হাল ধরতে চান হাফ ডজন প্রার্থী
jugantor
নজিপুর পৌরসভা নির্বাচন
নৌকার হাল ধরতে চান হাফ ডজন প্রার্থী

  পত্নীতলা (নওগাঁ) প্রতিনিধি  

১৬ ডিসেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

নৌকার হাল ধরতে চান হাফ ডজন প্রার্থী

নজিপুর পৌরসভায় বইছে ভোটের হাওয়া। নির্বাচন সামনে রেখে ইতোমধ্যে প্রার্থীরা প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন। ১৬ জানুয়ারি এ পৌরসভায় নির্বাচনের কথা রয়েছে।

এ পৌরসভায় নৌকার হাল কে ধরতে যাচ্ছেন সেটাই এখন আলোচিত হচ্ছে। মেয়র পদ লাভের জন্য আওয়ামী লীগের ৭ জন নেতাকর্মী দলের প্রধান কার্যালয় হতে দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করে জমা দিয়েছেন।

তারা হলেন জেলা আওয়ামী লীগের পরিবেশ ও বনবিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক মেয়র মো. আমিনুল হক, উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবদুল খালেক চৌধুরী, নজিপুর পৌরসভার বর্তমান মেয়র রেজাউল কবির চৌধুরী, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক শিবনাথ চৌধুরী, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক ও জেলা পরিষদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আজাদ রহমান এবং পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. মিলটন উদ্দিন।

সাবেক পৌর মেয়র আমিনুল হক বলেন, আমি মাঠের মানুষ। জীবনের পুরোটা সময় তৃণমূল পর্যায়ে সাধারণ মানুষের জন্য ব্যয় করেছি।

আওয়ামী লীগের দুঃসময়ের আমার জীবনের আয়ের অধিকাংশই আমি দলীয় কর্মসূচি ও নেতাকর্মীদের পেছনে ব্যয় করেছি। কিন্তু বিনিময়ে দল আমাকে বারবার বঞ্চিত করেছে। আমি মেয়র থাকাকালীন পৌরসভার ব্যাপক উন্নয়ন করেছি।

গত ১০ বছরে তুলনামূকভাবে তা হয়নি। আগামী পৌর নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন দেয়া হলে আমি বিপুল ভোটে জয়লাভ করব।

আবদুল খালেক চৌধুরী বলেন, আমি দীর্র্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। ওয়ান ইলেভেনের সময় জননেত্রী শেখ হাসিনার কারামুক্তির দাবিতে রাজপথে আন্দোলন সংগ্রাম করেছি।

প্রাকৃতিক দুর্যোগ বন্যা ও করোনা মহামারীতে আওয়ামী লীগের গরিব নেতাকর্মী ও এলাকার অসহায় মানুষের মাঝে নগদ অর্থ ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছি।

এছাড়া মসজিদ, মাদ্রাসা, মাজার, মন্দির উন্নয়নে সাধ্যমতো সহায়তা করেছি। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন দেয়া হবে বলে আশাবাদী।

মেয়র রেজাউল কবির চৌধুরী বলেন, আমি নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করে জয়ী হয়ে ৫ বছর উন্নয়ন করেছি। আমার সময় পৌরসভা ১ম শ্রেণিতে উপনীত হয়। উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে চাই। শতভাগ আশাবাদী দল আমাকে মনোয়ন দেবে।

উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ বলেন, আমি দলের দুঃসময়ে ছাত্রলীগের নেতৃত্ব দিয়েছি। আমি দীর্ঘদিন কাউন্সিলর হিসেবে তৃণমূলের জন্য কাজ করেছি।

গত পাঁচ পৌরসভায় কোনো পরিকল্পিত উন্নয়ন হয়নি। এবার মেয়র পদে নির্বাচন করতে নৌকা চাই। তৃণমূলের নেতাকর্মীরা আমার পাশে আছে। আশা করি দল আমাকে নৌকা প্রতীক দেবে।

উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক শিবনাথ চৌধুরী বলেন, আমি দলের জন্য নিঃস্বার্থভাবে করছি। তৃণমূল মানুষের পাশে আছি।

আমার শতভাগ বিশ্বাস দল আমাকে মনোনয়ন দেবে বলে আশাবাদী। উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আজাদ রহমান বলেন, গত নির্বাচনেও আমি দলীয় প্রার্থী হতে চেয়েছিলাম।

আমাকে বলা হয়েছিল এবার আমাকে দলীয় প্রার্থী করা হবে। আমি আশাবাদী দল আমাকেই মনোয়ন দেবে। মিল্টন উদ্দিন জানান, আমি ছাত্রলীগ, আমি দুই মেয়াদে কাউন্সিলর ছিলাম।

দলে আমিই সবচেয়ে নির্যাতিত কর্মী। সর্বস্তরের জনগণের ভালোবাসা বিবেচনায় দল আমাকেই নৌকা প্রতীকে নির্বাচনে সুযোগ দেবে বলে আসা করছি।

বর্তমান পৌর শহরের প্রধান সমস্যা জলাবদ্ধতা, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, রাস্তাঘাটের বেহাল দশা, মাদক দুর্নীতি, বাল্যবিয়ে, নারী নির্যাতনসহ নানা সমস্যা সমাধান করব।

নজিপুর পৌরসভা নির্বাচন

নৌকার হাল ধরতে চান হাফ ডজন প্রার্থী

 পত্নীতলা (নওগাঁ) প্রতিনিধি 
১৬ ডিসেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ
নৌকার হাল ধরতে চান হাফ ডজন প্রার্থী
ফাইল ছবি

নজিপুর পৌরসভায় বইছে ভোটের হাওয়া। নির্বাচন সামনে রেখে ইতোমধ্যে প্রার্থীরা প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন। ১৬ জানুয়ারি এ পৌরসভায় নির্বাচনের কথা রয়েছে।

এ পৌরসভায় নৌকার হাল কে ধরতে যাচ্ছেন সেটাই এখন আলোচিত হচ্ছে। মেয়র পদ লাভের জন্য আওয়ামী লীগের ৭ জন নেতাকর্মী দলের প্রধান কার্যালয় হতে দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করে জমা দিয়েছেন।

তারা হলেন জেলা আওয়ামী লীগের পরিবেশ ও বনবিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক মেয়র মো. আমিনুল হক, উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবদুল খালেক চৌধুরী, নজিপুর পৌরসভার বর্তমান মেয়র রেজাউল কবির চৌধুরী, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক শিবনাথ চৌধুরী, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক ও জেলা পরিষদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আজাদ রহমান এবং পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. মিলটন উদ্দিন।

সাবেক পৌর মেয়র আমিনুল হক বলেন, আমি মাঠের মানুষ। জীবনের পুরোটা সময় তৃণমূল পর্যায়ে সাধারণ মানুষের জন্য ব্যয় করেছি।

আওয়ামী লীগের দুঃসময়ের আমার জীবনের আয়ের অধিকাংশই আমি দলীয় কর্মসূচি ও নেতাকর্মীদের পেছনে ব্যয় করেছি। কিন্তু বিনিময়ে দল আমাকে বারবার বঞ্চিত করেছে। আমি মেয়র থাকাকালীন পৌরসভার ব্যাপক উন্নয়ন করেছি।

গত ১০ বছরে তুলনামূকভাবে তা হয়নি। আগামী পৌর নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন দেয়া হলে আমি বিপুল ভোটে জয়লাভ করব।

আবদুল খালেক চৌধুরী বলেন, আমি দীর্র্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। ওয়ান ইলেভেনের সময় জননেত্রী শেখ হাসিনার কারামুক্তির দাবিতে রাজপথে আন্দোলন সংগ্রাম করেছি।

প্রাকৃতিক দুর্যোগ বন্যা ও করোনা মহামারীতে আওয়ামী লীগের গরিব নেতাকর্মী ও এলাকার অসহায় মানুষের মাঝে নগদ অর্থ ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছি।

এছাড়া মসজিদ, মাদ্রাসা, মাজার, মন্দির উন্নয়নে সাধ্যমতো সহায়তা করেছি। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন দেয়া হবে বলে আশাবাদী।

মেয়র রেজাউল কবির চৌধুরী বলেন, আমি নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করে জয়ী হয়ে ৫ বছর উন্নয়ন করেছি। আমার সময় পৌরসভা ১ম শ্রেণিতে উপনীত হয়। উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে চাই। শতভাগ আশাবাদী দল আমাকে মনোয়ন দেবে।

উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ বলেন, আমি দলের দুঃসময়ে ছাত্রলীগের নেতৃত্ব দিয়েছি। আমি দীর্ঘদিন কাউন্সিলর হিসেবে তৃণমূলের জন্য কাজ করেছি।

গত পাঁচ পৌরসভায় কোনো পরিকল্পিত উন্নয়ন হয়নি। এবার মেয়র পদে নির্বাচন করতে নৌকা চাই। তৃণমূলের নেতাকর্মীরা আমার পাশে আছে। আশা করি দল আমাকে নৌকা প্রতীক দেবে।

উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক শিবনাথ চৌধুরী বলেন, আমি দলের জন্য নিঃস্বার্থভাবে করছি। তৃণমূল মানুষের পাশে আছি।

আমার শতভাগ বিশ্বাস দল আমাকে মনোনয়ন দেবে বলে আশাবাদী। উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আজাদ রহমান বলেন, গত নির্বাচনেও আমি দলীয় প্রার্থী হতে চেয়েছিলাম।

আমাকে বলা হয়েছিল এবার আমাকে দলীয় প্রার্থী করা হবে। আমি আশাবাদী দল আমাকেই মনোয়ন দেবে। মিল্টন উদ্দিন জানান, আমি ছাত্রলীগ, আমি দুই মেয়াদে কাউন্সিলর ছিলাম।

দলে আমিই সবচেয়ে নির্যাতিত কর্মী। সর্বস্তরের জনগণের ভালোবাসা বিবেচনায় দল আমাকেই নৌকা প্রতীকে নির্বাচনে সুযোগ দেবে বলে আসা করছি।

বর্তমান পৌর শহরের প্রধান সমস্যা জলাবদ্ধতা, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, রাস্তাঘাটের বেহাল দশা, মাদক দুর্নীতি, বাল্যবিয়ে, নারী নির্যাতনসহ নানা সমস্যা সমাধান করব।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন