মামলা নিতে ২০ হাজার টাকা দাবি পুলিশের
jugantor
নান্দাইলে গৃহবধূ অপহরণ
মামলা নিতে ২০ হাজার টাকা দাবি পুলিশের

  নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি  

২০ ডিসেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মামলা নিতে ২০ হাজার টাকা দাবি পুলিশের

নান্দাইলে লিমা আক্তার নামে দুই সন্তানের জননীকে অপহরণ করার ঘটনায় অভিযোগ দায়ের করলেও মামলা নিচ্ছে না থানা পুলিশ। মামলা না নেওয়ার নেপথ্যে বাদীর কাছ থেকে বিশ হাজার টাকা দাবি।

বাদী আল আমিন মিয়া জেলা পুলিশ সুপার বরাবর অভিযোগ দায়ের করেন। জানা গেছে, অপহৃত লিমা আক্তার নান্দাইলের নিজ বানাইল গ্রামের আল আমিনের স্ত্রী।

১০ নভেম্বর সন্ধ্যার পর একই গ্রামের প্রতিবেশী মো. তপু আকন্দ তার সহযোগীদের নিয়ে সিএনজিযোগে সুকৌশলে অপহরণ করে নিয়ে যায়।

পরে এ ঘটনায় স্বামী আল আমিন তার দুই শিশু সন্তান বর্ষা আক্তার (২০ মাস) ও বৃষ্টি আক্তারকে (৭) কাঁধে করে নিয়ে নিজে বাদী হয়ে নান্দাইল মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন। কিন্তু অভিযোগ দায়েরের এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও থানা পুলিশ এ ঘটনার মামলা নিচ্ছে না।

বাদী জানান, লিখিত অভিযোগ দায়েরের পর নান্দাইল মডেল থানার উপ-পরিদর্শক আসাদুজ্জামান তদন্তে গিয়ে ঘটনার সত্যতা পেলেও তার যাতায়াত খরচ বাবদ তিন হাজার টাকা চাইলে ১৫০০ টাকা দিয়ে বিদায় দেন।

কিন্তু পরবর্তীতে মামলা এফআইআর করার কথা বললে এসআই আসাদুজ্জামান উক্ত বাদীর কাছে ২০ হাজার টাকা দাবি করেন। এসআই আসাদুজ্জামান জানান, আমি তদন্ত করে বিষয়টি ওসিকে জানিয়েছি, মামলা এফআইআর করার দায়িত্ব আমার না।

নান্দাইলে গৃহবধূ অপহরণ

মামলা নিতে ২০ হাজার টাকা দাবি পুলিশের

 নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি 
২০ ডিসেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ
মামলা নিতে ২০ হাজার টাকা দাবি পুলিশের
ফাইল ছবি

নান্দাইলে লিমা আক্তার নামে দুই সন্তানের জননীকে অপহরণ করার ঘটনায় অভিযোগ দায়ের করলেও মামলা নিচ্ছে না থানা পুলিশ। মামলা না নেওয়ার নেপথ্যে বাদীর কাছ থেকে বিশ হাজার টাকা দাবি।

বাদী আল আমিন মিয়া জেলা পুলিশ সুপার বরাবর অভিযোগ দায়ের করেন। জানা গেছে, অপহৃত লিমা আক্তার নান্দাইলের নিজ বানাইল গ্রামের আল আমিনের স্ত্রী।

১০ নভেম্বর সন্ধ্যার পর একই গ্রামের প্রতিবেশী মো. তপু আকন্দ তার সহযোগীদের নিয়ে সিএনজিযোগে সুকৌশলে অপহরণ করে নিয়ে যায়।

পরে এ ঘটনায় স্বামী আল আমিন তার দুই শিশু সন্তান বর্ষা আক্তার (২০ মাস) ও বৃষ্টি আক্তারকে (৭) কাঁধে করে নিয়ে নিজে বাদী হয়ে নান্দাইল মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন। কিন্তু অভিযোগ দায়েরের এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও থানা পুলিশ এ ঘটনার মামলা নিচ্ছে না।

বাদী জানান, লিখিত অভিযোগ দায়েরের পর নান্দাইল মডেল থানার উপ-পরিদর্শক আসাদুজ্জামান তদন্তে গিয়ে ঘটনার সত্যতা পেলেও তার যাতায়াত খরচ বাবদ তিন হাজার টাকা চাইলে ১৫০০ টাকা দিয়ে বিদায় দেন।

কিন্তু পরবর্তীতে মামলা এফআইআর করার কথা বললে এসআই আসাদুজ্জামান উক্ত বাদীর কাছে ২০ হাজার টাকা দাবি করেন। এসআই আসাদুজ্জামান জানান, আমি তদন্ত করে বিষয়টি ওসিকে জানিয়েছি, মামলা এফআইআর করার দায়িত্ব আমার না।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন