হাসপাতালে ওষুধ সংকট
jugantor
আমতলীতে ডায়রিয়ার প্রকোপ
হাসপাতালে ওষুধ সংকট

  আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি  

৩০ ডিসেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বরগুনা

তীব্র শীতের কারণে বরগুনার আমতলীতে ডায়রিয়ার প্রকোপ দেখা দিয়েছে। এক সপ্তাহে ৩০ জন ডায়রিয়ায় আক্রান্ত রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ওষুধ সংকট রয়েছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছে রোগীর স্বজনরা। ওষুধ সংকট থাকায় বাইরে থেকে অধিকাংশ ওষুধ কিনতে হচ্ছে এমন অভিযোগ রোগীর স্বজনদের।

জানা গেছে, শীত বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে পানিবাহিত রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। গ্রাম-গঞ্জে শিশু ও বৃদ্ধরা ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে।

এক সপ্তাহে ৩০ জন রোগী আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়েছে। এদের মধ্যে অধিকাংশই শিশু ও বৃদ্ধ।

আমতলী ও তালতলী উপজেলার ৪৫টি কমিউনিটি ক্লিনিক ও তিনটি উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রে প্রতিদিন অন্তত দুই শতাধিক আক্রান্ত রোগী চিকিৎসা নিচ্ছে। এর মধ্যে গুরুতর আক্রান্তরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়েছে।

মঙ্গলবার আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ঘুরে দেখা গিয়েছে, ছয় জন ডায়রিয়ায় আক্রান্ত রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে চারজন শিশু।

তাদের হাসপাতাল থেকে শুধু স্যালাইন ছাড়া আর কিছুই দেয়া হচ্ছে না। ডায়রিয়ায় আক্রান্ত শিশু মাহিরার বাবা মামুন মীর, মুছার মা রেহেনা, আমির হামজার মা রিপা ও সামিয়ার মা সানজিদা বলেন, হাসপাতালে থেকে কোনো ওষুধ দেয়া হচ্ছে না, অধিকাংশ ওষুধ বাইরে থেকে কিনতে হচ্ছে। দ্রুত ওষুধ সরবরাহের দাবি জানান তারা।

আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সংকর প্রসাদ অধিকারী সিরাপ সাসপেনশন সংকটের কথা স্বীকার করে বলেন, করোনার কারণে স্বাস্থ্যকর্মীরা গ্রামে-গঞ্জে মানুষকে সচেতন করতে না পারায় ডায়রিয়া রোগীর সংখ্যা বেড়ে গেছে।

আমতলীতে ডায়রিয়ার প্রকোপ

হাসপাতালে ওষুধ সংকট

 আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি 
৩০ ডিসেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ
বরগুনা
ফাইল ছবি

তীব্র শীতের কারণে বরগুনার আমতলীতে ডায়রিয়ার প্রকোপ দেখা দিয়েছে। এক সপ্তাহে ৩০ জন ডায়রিয়ায় আক্রান্ত রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ওষুধ সংকট রয়েছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছে রোগীর স্বজনরা। ওষুধ সংকট থাকায় বাইরে থেকে অধিকাংশ ওষুধ কিনতে হচ্ছে এমন অভিযোগ রোগীর স্বজনদের।

জানা গেছে, শীত বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে পানিবাহিত রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। গ্রাম-গঞ্জে শিশু ও বৃদ্ধরা ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে।

এক সপ্তাহে ৩০ জন রোগী আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়েছে। এদের মধ্যে অধিকাংশই শিশু ও বৃদ্ধ।

আমতলী ও তালতলী উপজেলার ৪৫টি কমিউনিটি ক্লিনিক ও তিনটি উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রে প্রতিদিন অন্তত দুই শতাধিক আক্রান্ত রোগী চিকিৎসা নিচ্ছে। এর মধ্যে গুরুতর আক্রান্তরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়েছে।

মঙ্গলবার আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ঘুরে দেখা গিয়েছে, ছয় জন ডায়রিয়ায় আক্রান্ত রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে চারজন শিশু।

তাদের হাসপাতাল থেকে শুধু স্যালাইন ছাড়া আর কিছুই দেয়া হচ্ছে না। ডায়রিয়ায় আক্রান্ত শিশু মাহিরার বাবা মামুন মীর, মুছার মা রেহেনা, আমির হামজার মা রিপা ও সামিয়ার মা সানজিদা বলেন, হাসপাতালে থেকে কোনো ওষুধ দেয়া হচ্ছে না, অধিকাংশ ওষুধ বাইরে থেকে কিনতে হচ্ছে। দ্রুত ওষুধ সরবরাহের দাবি জানান তারা।

আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সংকর প্রসাদ অধিকারী সিরাপ সাসপেনশন সংকটের কথা স্বীকার করে বলেন, করোনার কারণে স্বাস্থ্যকর্মীরা গ্রামে-গঞ্জে মানুষকে সচেতন করতে না পারায় ডায়রিয়া রোগীর সংখ্যা বেড়ে গেছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন