ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে শিক্ষক নিয়োগের অভিযোগ
jugantor
নান্দাইল স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসা
ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে শিক্ষক নিয়োগের অভিযোগ

  নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি  

২৬ জানুয়ারি ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার মুসুলী ইউনিয়নের দাপুনাটি নজি মিয়া স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসার নামে ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে ৫ জন শিক্ষক নিয়োগ দানের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক ও নান্দাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দপ্তরে দায়েরকৃত অভিযোগ থেকে জানা গেছে, ১৯৭৫ সালে দাপুনাটি নজি মিয়া স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমান সরকারের চলমান স্বীকৃতি প্রদানের কার্যক্রম শুরু করলে একটি স্বার্থান্বেষী মহল মাদ্রাসার জমিদাতা, প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও চলমান ম্যানেজিং কমিটির অগোচরে জালিয়াতি শুরু করে তারা। গোলাম মওলা আলকাছ, আতিকুর রহমান, দিলোয়ারা খাতুন, নূরে আলমসহ ৫ জনকে নিয়োগ দেখিয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার দপ্তরে কাগজপত্র দাখিল করেছে। অথচ ঐ ব্যক্তিরা মাদ্রাসায় কোনোদিন শিক্ষকতা করেনি। সম্পূর্ণ ভুয়া কাগজপত্র দেখিয়ে তাদের ফাইল জমা দেয়া হয়েছে।

মাদ্রাসার জমিদাতার ছেলে আবুল কাশেম ওই মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করতে চাইলেও তাকে বঞ্চিত করা হয়েছে। এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে আবু তাহের, রফিকুল ইসলাম, সাইফুল ইসলাম এ মাদ্রাসার কথিত কমিটি ভেঙে দিয়ে নতুন কমিটি গঠনসহ সরকারি বিধিমালা মোতাবেক ৫ জন শিক্ষক নিয়োগের দাবি জানিয়েছেন। অভিযোগকারী মো. আবুল কাশেম জানান, কথিত প্রধান শিক্ষক গোলাম মওলা আলকাছ এবং তার স্ত্রী দিলোয়ারা খাতুন নিয়োগ গ্রহণ করেছেন। যা নিয়ে এলাকায় বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক গোলাম মওলা আলকাছুর জানান, এই মাদ্রাসার শিক্ষকদের, নিয়োগ কমিটি নিয়োগ দিয়েছে।

নান্দাইল স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসা

ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে শিক্ষক নিয়োগের অভিযোগ

 নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি 
২৬ জানুয়ারি ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার মুসুলী ইউনিয়নের দাপুনাটি নজি মিয়া স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসার নামে ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে ৫ জন শিক্ষক নিয়োগ দানের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক ও নান্দাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দপ্তরে দায়েরকৃত অভিযোগ থেকে জানা গেছে, ১৯৭৫ সালে দাপুনাটি নজি মিয়া স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমান সরকারের চলমান স্বীকৃতি প্রদানের কার্যক্রম শুরু করলে একটি স্বার্থান্বেষী মহল মাদ্রাসার জমিদাতা, প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও চলমান ম্যানেজিং কমিটির অগোচরে জালিয়াতি শুরু করে তারা। গোলাম মওলা আলকাছ, আতিকুর রহমান, দিলোয়ারা খাতুন, নূরে আলমসহ ৫ জনকে নিয়োগ দেখিয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার দপ্তরে কাগজপত্র দাখিল করেছে। অথচ ঐ ব্যক্তিরা মাদ্রাসায় কোনোদিন শিক্ষকতা করেনি। সম্পূর্ণ ভুয়া কাগজপত্র দেখিয়ে তাদের ফাইল জমা দেয়া হয়েছে।

মাদ্রাসার জমিদাতার ছেলে আবুল কাশেম ওই মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করতে চাইলেও তাকে বঞ্চিত করা হয়েছে। এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে আবু তাহের, রফিকুল ইসলাম, সাইফুল ইসলাম এ মাদ্রাসার কথিত কমিটি ভেঙে দিয়ে নতুন কমিটি গঠনসহ সরকারি বিধিমালা মোতাবেক ৫ জন শিক্ষক নিয়োগের দাবি জানিয়েছেন। অভিযোগকারী মো. আবুল কাশেম জানান, কথিত প্রধান শিক্ষক গোলাম মওলা আলকাছ এবং তার স্ত্রী দিলোয়ারা খাতুন নিয়োগ গ্রহণ করেছেন। যা নিয়ে এলাকায় বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক গোলাম মওলা আলকাছুর জানান, এই মাদ্রাসার শিক্ষকদের, নিয়োগ কমিটি নিয়োগ দিয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন