নেত্রকোনায় বিড়ি শ্রমিকদের পাঁচ দফা দাবি
jugantor
নেত্রকোনায় বিড়ি শ্রমিকদের পাঁচ দফা দাবি

  নেত্রেকানা প্রতিনিধি  

০৫ মার্চ ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

চলতি বাজেটে বিড়ির ওপর ধার্যকৃত আয়কর প্রত্যাহারসহ পাঁচ দফা দাবিতে নেত্রকোনায় বৃহস্পতিবার মানববন্ধন করেছেন বিড়ি শ্রমিকরা। তাদের অন্য দাবিগুলো হল, অতিরিক্ত চার টাকা মূল্যস্তর প্রত্যাহার, সপ্তাহে ৬ দিন কাজের ব্যবস্থা, বিড়িতে ১০ শতাংশ অগ্রিম আয়কর প্রত্যাহার, বিড়িকে কুটির শিল্প হিসেবে রাখা। জেলা বিড়ি শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি ও বাংলাদেশ বিড়ি শ্রমিক ফেডারেশনের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আব্দুল গফুরের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য দেন, ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান, যুগ্ম-সম্পাদক মো. হারিক হোসেন, নাজিম উদ্দিন, আনোয়ার খান, শ্রমিকলীগ নেতা আশরাফ আলী খান প্রমুখ। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, বঙ্গবন্ধু মেহনতি মানুষের কর্মসংস্থানের স্বার্থে বিড়িকে শুল্ক মুক্ত ঘোষণা করেছিলেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাজেট বক্তৃতায় বিড়ির ওপর কর কমানোর নির্দেশনা দিয়েছিলেন। কিন্তু বহুজাতিক সিগারেট কোম্পানির ষড়যন্ত্রে এই শিল্পের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে মাত্রাতিরিক্ত করের বোঝা। যা সহ্য করতে না পেরে বিড়ি মালিকরা কারখানা বন্ধ করতে বাধ্য হচ্ছে। ফলে শ্রমিক বেকার হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। শ্রমিকরা আরো বলেন, মাত্রাতিরিক্ত মূল্য বৃদ্ধির ফলে নকল বিড়িতে বাজার সয়লাভ হয়ে গেছে। ফলে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

নেত্রকোনায় বিড়ি শ্রমিকদের পাঁচ দফা দাবি

 নেত্রেকানা প্রতিনিধি 
০৫ মার্চ ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

চলতি বাজেটে বিড়ির ওপর ধার্যকৃত আয়কর প্রত্যাহারসহ পাঁচ দফা দাবিতে নেত্রকোনায় বৃহস্পতিবার মানববন্ধন করেছেন বিড়ি শ্রমিকরা। তাদের অন্য দাবিগুলো হল, অতিরিক্ত চার টাকা মূল্যস্তর প্রত্যাহার, সপ্তাহে ৬ দিন কাজের ব্যবস্থা, বিড়িতে ১০ শতাংশ অগ্রিম আয়কর প্রত্যাহার, বিড়িকে কুটির শিল্প হিসেবে রাখা। জেলা বিড়ি শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি ও বাংলাদেশ বিড়ি শ্রমিক ফেডারেশনের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আব্দুল গফুরের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য দেন, ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান, যুগ্ম-সম্পাদক মো. হারিক হোসেন, নাজিম উদ্দিন, আনোয়ার খান, শ্রমিকলীগ নেতা আশরাফ আলী খান প্রমুখ। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, বঙ্গবন্ধু মেহনতি মানুষের কর্মসংস্থানের স্বার্থে বিড়িকে শুল্ক মুক্ত ঘোষণা করেছিলেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাজেট বক্তৃতায় বিড়ির ওপর কর কমানোর নির্দেশনা দিয়েছিলেন। কিন্তু বহুজাতিক সিগারেট কোম্পানির ষড়যন্ত্রে এই শিল্পের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে মাত্রাতিরিক্ত করের বোঝা। যা সহ্য করতে না পেরে বিড়ি মালিকরা কারখানা বন্ধ করতে বাধ্য হচ্ছে। ফলে শ্রমিক বেকার হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। শ্রমিকরা আরো বলেন, মাত্রাতিরিক্ত মূল্য বৃদ্ধির ফলে নকল বিড়িতে বাজার সয়লাভ হয়ে গেছে। ফলে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন