দুই লাখ টাকার জন্য থেমে যাচ্ছে হাসিবের জীবন
jugantor
দুই লাখ টাকার জন্য থেমে যাচ্ছে হাসিবের জীবন
কিডনি বিক্রি করতে চান মা

  চাটমোহর (পাবনা) প্রতিনিধি  

০৮ এপ্রিল ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দুই লাখ টাকার জন্য থেমে যাচ্ছে হাসিবের জীবন

ছয় বছর বয়সী হাসিব শেখ। মুখ ভরা হাসি দেখে বোঝার উপায় নেই, বুক ভরা কষ্ট শিশুটির। বছরখানেক আগেও সমবয়সীদের সঙ্গে খেলাধুলায় মেতে থাকা, দাদা-দাদির সঙ্গে খুনসুটি আর চিৎকার-চেঁচামেচিতে পুরো বাড়ি মাতিয়ে রাখাই ছিল হাসিবের নিত্যদিনের কাজ।

অথচ এখন মাঝেমধ্যে মুখে হাসি দেখা গেলেও হার্টে ছিদ্র ধরা পড়ায় বুকের যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে শিশুটি। হাসিব চাটমোহর পৌর শহরের বালুচর মহল্লার হাসমত আলীর ছেলে। নির্মাণ শ্রমিক বাবার সাধ্য নেই ছেলের চিকিৎসা করানোর। একমাত্র ছেলের এমন করুণ পরিণতি মেনে নিতে পারছেন না শিশুটির মা সীমা খাতুন।

হাসিবের মা বলেন, ‘দয়া করে আমার ছেলের চিকিৎসা করানোর ব্যবস্থা করেন। ওর (হাসিব) কষ্ট আমি মা হয়ে সহ্য করতে পারছি না! চিকিৎসা করানোর মতো টাকা আমাদের নেই।’ তিনি আরও বলেন, ‘টিভি ও পেপার পত্রিকায় দেখেছি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী অনেককেই সহযোগিতা করেছেন বা করেন। আমার ছেলের চিকিৎসার দায়িত্ব প্রধানমন্ত্রী নিলে চিরকৃতজ্ঞ থাকতাম। যদি না হয়, তবে আমার কিডনি বিক্রি করে হলেও ছেলেকে বাঁচাতে চাই।’

জানা যায়, বছরছয়েক আগে করোনা পরিস্থিতি শুরু হওয়ায় চাটমোহরে নির্মাণ কাজে ভাটা পড়ে। জীবিকার তাগিদে হাসমত আলী ও সীমা খাতুন ছেলে হাসিবকে নিয়ে ঢাকার জয়দেবপুরে পাড়ি জমান। সেখানে মণিপুর মহল্লায় বাসা ভাড়া নিয়ে নির্মাণ শ্রমিকের কাজ করে কোনোমতে সংসার চালাচ্ছিলেন। হঠাৎই অসুস্থ হয় হাসিব।

শুরু হয় শ্বাসকষ্ট ও বুকে ব্যথা। স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়ার পর হাসিবকে নিয়ে যাওয়া হয় ঢাকার ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটে। পরীক্ষা-নিরীক্ষায় দেখা যায় হাসিবের হার্টে ছিদ্র রয়েছে। দ্রুত অপারেশন করানো ছাড়া কোনো উপায় নেই। আর অপারেশনের জন্য লাগবে দুই লাখ টাকা। সহযোগিতার জন্য হাসিবের পরিবারের সঙ্গে ০১৭৩৬৪১৬৬৪২ মোবাইল নাম্বারে যোগাযোগ করা যাবে।

দুই লাখ টাকার জন্য থেমে যাচ্ছে হাসিবের জীবন

কিডনি বিক্রি করতে চান মা
 চাটমোহর (পাবনা) প্রতিনিধি 
০৮ এপ্রিল ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ
দুই লাখ টাকার জন্য থেমে যাচ্ছে হাসিবের জীবন
মায়ের কোলে বসে শিশু হাসিব শেখ। ছবি: যুগান্তর

ছয় বছর বয়সী হাসিব শেখ। মুখ ভরা হাসি দেখে বোঝার উপায় নেই, বুক ভরা কষ্ট শিশুটির। বছরখানেক আগেও সমবয়সীদের সঙ্গে খেলাধুলায় মেতে থাকা, দাদা-দাদির সঙ্গে খুনসুটি আর চিৎকার-চেঁচামেচিতে পুরো বাড়ি মাতিয়ে রাখাই ছিল হাসিবের নিত্যদিনের কাজ।

অথচ এখন মাঝেমধ্যে মুখে হাসি দেখা গেলেও হার্টে ছিদ্র ধরা পড়ায় বুকের যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে শিশুটি। হাসিব চাটমোহর পৌর শহরের বালুচর মহল্লার হাসমত আলীর ছেলে। নির্মাণ শ্রমিক বাবার সাধ্য নেই ছেলের চিকিৎসা করানোর। একমাত্র ছেলের এমন করুণ পরিণতি মেনে নিতে পারছেন না শিশুটির মা সীমা খাতুন।

হাসিবের মা বলেন, ‘দয়া করে আমার ছেলের চিকিৎসা করানোর ব্যবস্থা করেন। ওর (হাসিব) কষ্ট আমি মা হয়ে সহ্য করতে পারছি না! চিকিৎসা করানোর মতো টাকা আমাদের নেই।’ তিনি আরও বলেন, ‘টিভি ও পেপার পত্রিকায় দেখেছি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী অনেককেই সহযোগিতা করেছেন বা করেন। আমার ছেলের চিকিৎসার দায়িত্ব প্রধানমন্ত্রী নিলে চিরকৃতজ্ঞ থাকতাম। যদি না হয়, তবে আমার কিডনি বিক্রি করে হলেও ছেলেকে বাঁচাতে চাই।’

জানা যায়, বছরছয়েক আগে করোনা পরিস্থিতি শুরু হওয়ায় চাটমোহরে নির্মাণ কাজে ভাটা পড়ে। জীবিকার তাগিদে হাসমত আলী ও সীমা খাতুন ছেলে হাসিবকে নিয়ে ঢাকার জয়দেবপুরে পাড়ি জমান। সেখানে মণিপুর মহল্লায় বাসা ভাড়া নিয়ে নির্মাণ শ্রমিকের কাজ করে কোনোমতে সংসার চালাচ্ছিলেন। হঠাৎই অসুস্থ হয় হাসিব।

শুরু হয় শ্বাসকষ্ট ও বুকে ব্যথা। স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়ার পর হাসিবকে নিয়ে যাওয়া হয় ঢাকার ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটে। পরীক্ষা-নিরীক্ষায় দেখা যায় হাসিবের হার্টে ছিদ্র রয়েছে। দ্রুত অপারেশন করানো ছাড়া কোনো উপায় নেই। আর অপারেশনের জন্য লাগবে দুই লাখ টাকা। সহযোগিতার জন্য হাসিবের পরিবারের সঙ্গে ০১৭৩৬৪১৬৬৪২ মোবাইল নাম্বারে যোগাযোগ করা যাবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন