লোকবল সংকটে ভেন্টিলেটর সুবিধাবঞ্চিত রোগীরা
jugantor
শেরপুরে করোনা রোগীর সংখ্যা বাড়ছে
লোকবল সংকটে ভেন্টিলেটর সুবিধাবঞ্চিত রোগীরা

  শেরপুর প্রতিনিধি  

২১ এপ্রিল ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

এপ্রিল মাসে শেরপুরে করোনা রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। এ মাসে কোভিড-১৯ রোগীর সংখ্যা ৫৬ জনে দাঁড়িয়েছে। এদের মধ্যে ৪ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়ে এবং বাকিরা বাসায় হোম আইসোলেশনে চিকিৎসা নিচ্ছেন। জেলা সদর হাসপাতালে ৪টি ভেন্টিলেটর ব্যবস্থা থাকলেও প্রশিক্ষিত লোকবলের অভাবে ভেন্টিলেটর সুবিধা পাচ্ছে না রোগিরা। তবে করোনা রোগীদের সেবা দেয়ার জন্য পর্যাপ্ত অক্সিজেন সিলিন্ডার আছে বলে সিভিল সার্জন জানিয়েছেন।

সিভিল সার্জন ডা. একেএম আনওয়ারুর রউফ জানান, শেরপুর জেলায় এ পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে ৬৬৫ জন। শুধু এপ্রিল মাসে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৬ জনে। শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে ৫০ করোনা রোগীর জন্য বিছানা প্রস্তুত করা আছে। এখানে সেন্টার অক্সিজেন লাইনের মাধ্যম অক্সিজেন সরবরাহ করা হয়। আমাদের পর্যাপ্ত অক্সিজেন সিলিন্ডার আছে। করোনা রোগীদের সর্বোচ্চ চিকিৎসা দেয়ার জন্য এখানে হাইপো নেজার ক্যানোলা স্থাপন করা আছে। এছাড়া দুটি ভেন্টিলেটরও স্থাপন করা আছে। আরও দুটি ভেন্টিলেটর চলে এসেছে। যে কোনো সময় ওই দুইটি স্থাপন করা হবে। কিন্তু ভেন্টিলেটর সাপোর্ট আপাতত আমাদের হাসপাতালে দেয়া সম্ভব নয়। কারণ ভেন্টিলেটর চালানোর মতো লোকবল আমাদের হাসপাতালে নেই। প্রশিক্ষিত জনবলও আমাদের এখানে নেই। কাজেই ভেন্টিলেটর সুবিধা আমরা দিতে পারবো না। তবে হাইপো নেজার ক্যানোলা দিয়ে আমরা সর্বোচ্চ চিকিৎসা কোভিড রোগীদের দিতে পারবো। আমাদের ৪টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২০টি করে মোট ৮০টি বিছানা কোভিড-১৯ রোগীদের জন্য বিছানা প্রস্তুত করা আছে। জেলায় ৫টি টিকা দান কেন্দ্রের মাধ্যমে কোভিড-১৯ টিকা দেয়ার কার্যক্রম অব্যাহত আছে।

শেরপুরে করোনা রোগীর সংখ্যা বাড়ছে

লোকবল সংকটে ভেন্টিলেটর সুবিধাবঞ্চিত রোগীরা

 শেরপুর প্রতিনিধি 
২১ এপ্রিল ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

এপ্রিল মাসে শেরপুরে করোনা রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। এ মাসে কোভিড-১৯ রোগীর সংখ্যা ৫৬ জনে দাঁড়িয়েছে। এদের মধ্যে ৪ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়ে এবং বাকিরা বাসায় হোম আইসোলেশনে চিকিৎসা নিচ্ছেন। জেলা সদর হাসপাতালে ৪টি ভেন্টিলেটর ব্যবস্থা থাকলেও প্রশিক্ষিত লোকবলের অভাবে ভেন্টিলেটর সুবিধা পাচ্ছে না রোগিরা। তবে করোনা রোগীদের সেবা দেয়ার জন্য পর্যাপ্ত অক্সিজেন সিলিন্ডার আছে বলে সিভিল সার্জন জানিয়েছেন।

সিভিল সার্জন ডা. একেএম আনওয়ারুর রউফ জানান, শেরপুর জেলায় এ পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে ৬৬৫ জন। শুধু এপ্রিল মাসে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৬ জনে। শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে ৫০ করোনা রোগীর জন্য বিছানা প্রস্তুত করা আছে। এখানে সেন্টার অক্সিজেন লাইনের মাধ্যম অক্সিজেন সরবরাহ করা হয়। আমাদের পর্যাপ্ত অক্সিজেন সিলিন্ডার আছে। করোনা রোগীদের সর্বোচ্চ চিকিৎসা দেয়ার জন্য এখানে হাইপো নেজার ক্যানোলা স্থাপন করা আছে। এছাড়া দুটি ভেন্টিলেটরও স্থাপন করা আছে। আরও দুটি ভেন্টিলেটর চলে এসেছে। যে কোনো সময় ওই দুইটি স্থাপন করা হবে। কিন্তু ভেন্টিলেটর সাপোর্ট আপাতত আমাদের হাসপাতালে দেয়া সম্ভব নয়। কারণ ভেন্টিলেটর চালানোর মতো লোকবল আমাদের হাসপাতালে নেই। প্রশিক্ষিত জনবলও আমাদের এখানে নেই। কাজেই ভেন্টিলেটর সুবিধা আমরা দিতে পারবো না। তবে হাইপো নেজার ক্যানোলা দিয়ে আমরা সর্বোচ্চ চিকিৎসা কোভিড রোগীদের দিতে পারবো। আমাদের ৪টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২০টি করে মোট ৮০টি বিছানা কোভিড-১৯ রোগীদের জন্য বিছানা প্রস্তুত করা আছে। জেলায় ৫টি টিকা দান কেন্দ্রের মাধ্যমে কোভিড-১৯ টিকা দেয়ার কার্যক্রম অব্যাহত আছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন