শ্রীমঙ্গলে ইউএনওর নেতৃত্বে ধান কেটে দেওয়া হচ্ছে কৃষকের
jugantor
শ্রীমঙ্গলে ইউএনওর নেতৃত্বে ধান কেটে দেওয়া হচ্ছে কৃষকের

  শ্রীমঙ্গল (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি  

২৩ এপ্রিল ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

শ্রীমঙ্গলে কৃষকদের জমির ধান কেটে সহযোগিতা করতে মাঠে নেমেছেন স্বেচ্ছাসেবকরা। আর এই স্বেচ্ছাশ্রমে ধান কাটার নেতৃত্ব দিচ্ছেন শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম। বুধবার রাতে উপজেলা প্রশাসনের ফেসবুক পেজে দেওয়া ইউএনওর আহ্বানে সারা দিয়ে বিভিন্ন সংগঠন ও স্বেচ্ছাসেবকরা কৃষকদের ধান কেটে দিতে এগিয়ে আসেন।

উপজেলার কালাপুর ইউনিয়নের হাজিপুর গ্রামের হাইল হাওর সংলগ্ন এলাকায় বৃহস্পতিবার গিয়ে দেখা যায়, ইউএনওর নেতৃত্বে প্রায় শতাধিক মানুষ হাতে কাস্তে নিয়ে ধান কাটছে। প্রখর রোদ উপেক্ষা করে তারা একের পর এক কৃষকের জমির ধান কেটে দিচ্ছেন। ইউএনও তাদের সঙ্গে টানা ২ ঘণ্টা নিজে মাঠে থেকে ধান কেটে চলেছেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন শ্রীমঙ্গল উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নেছার উদ্দীন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নিলুফার ইয়াসমিন মোনালিসা সুইটি প্রমুখ।

উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্যমতে, এ মৌসুমে উপজেলার ৯ হাজার ৬৫২ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের চাষ হয়েছে। এর মধ্যে হাওড় অঞ্চলের নিচু জায়গায় ৩ হাজার ৭২৭ হেক্টর জমি রয়েছে।

শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম বলেন, চলতি সপ্তাহে সিলেট অঞ্চলে ভারি বৃষ্টিপাত ও হাওড় অঞ্চলে আকস্মিক বন্যার আশঙ্কা রয়েছে। এদিকে আমাদের হাওড় অঞ্চলের ধান প্রায় ৮০ থেকে ১০০ ভাগ পেকে গেছে। হঠাৎ যদি ভারি বৃষ্টিপাত হয় তাহলে এই পাকা ধানগুলো পানির নিচে পড়ে নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

শ্রীমঙ্গলে ইউএনওর নেতৃত্বে ধান কেটে দেওয়া হচ্ছে কৃষকের

 শ্রীমঙ্গল (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি 
২৩ এপ্রিল ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

শ্রীমঙ্গলে কৃষকদের জমির ধান কেটে সহযোগিতা করতে মাঠে নেমেছেন স্বেচ্ছাসেবকরা। আর এই স্বেচ্ছাশ্রমে ধান কাটার নেতৃত্ব দিচ্ছেন শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম। বুধবার রাতে উপজেলা প্রশাসনের ফেসবুক পেজে দেওয়া ইউএনওর আহ্বানে সারা দিয়ে বিভিন্ন সংগঠন ও স্বেচ্ছাসেবকরা কৃষকদের ধান কেটে দিতে এগিয়ে আসেন।

উপজেলার কালাপুর ইউনিয়নের হাজিপুর গ্রামের হাইল হাওর সংলগ্ন এলাকায় বৃহস্পতিবার গিয়ে দেখা যায়, ইউএনওর নেতৃত্বে প্রায় শতাধিক মানুষ হাতে কাস্তে নিয়ে ধান কাটছে। প্রখর রোদ উপেক্ষা করে তারা একের পর এক কৃষকের জমির ধান কেটে দিচ্ছেন। ইউএনও তাদের সঙ্গে টানা ২ ঘণ্টা নিজে মাঠে থেকে ধান কেটে চলেছেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন শ্রীমঙ্গল উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নেছার উদ্দীন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নিলুফার ইয়াসমিন মোনালিসা সুইটি প্রমুখ।

উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্যমতে, এ মৌসুমে উপজেলার ৯ হাজার ৬৫২ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের চাষ হয়েছে। এর মধ্যে হাওড় অঞ্চলের নিচু জায়গায় ৩ হাজার ৭২৭ হেক্টর জমি রয়েছে।

শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম বলেন, চলতি সপ্তাহে সিলেট অঞ্চলে ভারি বৃষ্টিপাত ও হাওড় অঞ্চলে আকস্মিক বন্যার আশঙ্কা রয়েছে। এদিকে আমাদের হাওড় অঞ্চলের ধান প্রায় ৮০ থেকে ১০০ ভাগ পেকে গেছে। হঠাৎ যদি ভারি বৃষ্টিপাত হয় তাহলে এই পাকা ধানগুলো পানির নিচে পড়ে নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন