মাদারগঞ্জে বেকারদের ৬ কোটি টাকা হাতিয়ে পালাল প্রতারক
jugantor
মাদারগঞ্জে বেকারদের ৬ কোটি টাকা হাতিয়ে পালাল প্রতারক

  মাদারগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধি  

০৫ মে ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

জামালপুরের মাদারগঞ্জে চাকরি দেওয়ার নাম করে বেকার যুবকদের কাছ থেকে কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে পালিয়েছেন এসএম শহিদুজ্জামান লাঞ্জু নামে এক প্রতারক।

দারিদ্র্যপীড়িত এলাকা উপজেলার বিন্যাফৈর গ্রামের শহিদুজ্জামান লাঞ্জু তার নিজ বাড়িতে ‘গ্রমীণ মানবকল্যাণ’ সংস্থা নামে দুটি বড় সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে এই প্রতারণা ব্যবসা শুরু করেন।

সাইনবোর্ডের নিচের অংশে সহযোগিতায়-ইউএসএইড এবং অর্থায়নে আমেরিকা, লন্ডন, দক্ষিণ কোরিয়া লেখা দেখে এলাকার বেকার যুবকরা ওই সংস্থায় চাকরি জন্য মরিয়া হয়ে পড়েন।

উপজেলার আদারভিটা গ্রামের মুনির উদ্দিনের ছেলে জুলফিকার আলী ও ঢাকার গাজীপুরের খাদিজা আক্তার বীনাসহ প্রতারিত বেকার যুবকরা জানান, দরিদ্রদের রেশন হিসাবে চাল, ডাল, তেল, চিনিসহ নিত্যপ্রয়োজনী খাদ্যসামগ্রী দেওয়ার নামে দরিদ্রদের তালিকা তৈরির কথা বলে জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি ও ছবি সংগ্রহ করেন।

এছাড়া চর উন্নয়ন প্রকল্প ও টাঙ্গাইলে বিদ্যুৎ পাওয়ার প্ল্যান্ট স্থাপন করবেন বলে প্রচার করে লোকজনের বিশ্বাস অর্জন করে। এসব শুনে জামালপুর জেলার বিভিন্ন এলাকার বেকার যুবকরা গ্রমীণ মানবকল্যাণ সংস্থায় চাকরি নেওয়ার জন্য হুমড়ি খেয়ে পড়েন।

চাকরির নামে প্রতারিত জুলফিকার আলী জানান, তার কাছ থেকে ৪ লাখ টাকা নিয়ে শহিদুজ্জামান লাঞ্জু সংস্থার উপপরিচালকের পিএস হিসাবে তাকে চাকরি দেন।

কিন্তু ওই অফিসে লাখ লাখ টাকা উৎকোচ নিয়ে নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মীদের শুধু চেয়ার-টেবিলে বসিয়ে রাখা হতো; কাউকে দিয়ে কোনো কাজ করানো হয়নি।

দুই মাস পর চাকরির নামে ১৫৩ জন বেকার যুবকের কাছ থেকে অন্তত ৬ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে অফিস ছেড়ে দিয়ে লাঞ্জু আত্মগোপন করেন।

খাদিজা আক্তার বীনা জানান, লাঞ্জু তাদের একটি সংস্থার নামে বৃদ্ধাশ্রম করার কাজে সহযোগিতার কথা বলে ১৬ লাখ টাকা নিয়েছেন। অভিযুক্ত শহিদুজ্জামান লাঞ্জু সবাইকে টাকা ফেরত দিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন।

মাদারগঞ্জে বেকারদের ৬ কোটি টাকা হাতিয়ে পালাল প্রতারক

 মাদারগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধি 
০৫ মে ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

জামালপুরের মাদারগঞ্জে চাকরি দেওয়ার নাম করে বেকার যুবকদের কাছ থেকে কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে পালিয়েছেন এসএম শহিদুজ্জামান লাঞ্জু নামে এক প্রতারক।

দারিদ্র্যপীড়িত এলাকা উপজেলার বিন্যাফৈর গ্রামের শহিদুজ্জামান লাঞ্জু তার নিজ বাড়িতে ‘গ্রমীণ মানবকল্যাণ’ সংস্থা নামে দুটি বড় সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে এই প্রতারণা ব্যবসা শুরু করেন।

সাইনবোর্ডের নিচের অংশে সহযোগিতায়-ইউএসএইড এবং অর্থায়নে আমেরিকা, লন্ডন, দক্ষিণ কোরিয়া লেখা দেখে এলাকার বেকার যুবকরা ওই সংস্থায় চাকরি জন্য মরিয়া হয়ে পড়েন।

উপজেলার আদারভিটা গ্রামের মুনির উদ্দিনের ছেলে জুলফিকার আলী ও ঢাকার গাজীপুরের খাদিজা আক্তার বীনাসহ প্রতারিত বেকার যুবকরা জানান, দরিদ্রদের রেশন হিসাবে চাল, ডাল, তেল, চিনিসহ নিত্যপ্রয়োজনী খাদ্যসামগ্রী দেওয়ার নামে দরিদ্রদের তালিকা তৈরির কথা বলে জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি ও ছবি সংগ্রহ করেন।

এছাড়া চর উন্নয়ন প্রকল্প ও টাঙ্গাইলে বিদ্যুৎ পাওয়ার প্ল্যান্ট স্থাপন করবেন বলে প্রচার করে লোকজনের বিশ্বাস অর্জন করে। এসব শুনে জামালপুর জেলার বিভিন্ন এলাকার বেকার যুবকরা গ্রমীণ মানবকল্যাণ সংস্থায় চাকরি নেওয়ার জন্য হুমড়ি খেয়ে পড়েন।

চাকরির নামে প্রতারিত জুলফিকার আলী জানান, তার কাছ থেকে ৪ লাখ টাকা নিয়ে শহিদুজ্জামান লাঞ্জু সংস্থার উপপরিচালকের পিএস হিসাবে তাকে চাকরি দেন।

কিন্তু ওই অফিসে লাখ লাখ টাকা উৎকোচ নিয়ে নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মীদের শুধু চেয়ার-টেবিলে বসিয়ে রাখা হতো; কাউকে দিয়ে কোনো কাজ করানো হয়নি।

দুই মাস পর চাকরির নামে ১৫৩ জন বেকার যুবকের কাছ থেকে অন্তত ৬ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে অফিস ছেড়ে দিয়ে লাঞ্জু আত্মগোপন করেন।

খাদিজা আক্তার বীনা জানান, লাঞ্জু তাদের একটি সংস্থার নামে বৃদ্ধাশ্রম করার কাজে সহযোগিতার কথা বলে ১৬ লাখ টাকা নিয়েছেন। অভিযুক্ত শহিদুজ্জামান লাঞ্জু সবাইকে টাকা ফেরত দিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন