অবসরে যাওয়া বেসরকারি শিক্ষকদের চরম দুর্দিন
jugantor
অবসরে যাওয়া বেসরকারি শিক্ষকদের চরম দুর্দিন
প্রধানমন্ত্রীর আর্থিক সহায়তা দাবি

  ভোলা প্রতিনিধি  

০৫ মে ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ভোলাসহ সারা দেশের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকরা করোনাকালীন সময়ে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ আর্থিক সহায়তার দাবি জানিয়েছেন। এসব শিক্ষক চরম কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন। তিন বছরেও পাননি নিজেদের রেখে যাওয়া কল্যান তহবিলের টাকা ও অবসরভাতা। করোনাকালীন মহাদুর্যোগে পরিবার-পরিজন নিয়ে তাদের অমানবিক জীবনযাপন করতে হচ্ছে। মঙ্গলবার যুগান্তরের কাছে এমন বিষয় তুলে ধরে ঈদের আগে বিশেষ আথিক অনুদানের দাবি জানান বাংলাদেশ বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারী ফোরামের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাইদুল হাসান সেলিম। তিনি জানান যে শিক্ষকরা শিক্ষিত জাতি গড়ার কারিগর ছিলেন। তারা অভাব অনটনে দিন কাটাচ্ছেন। ভোলা প্রেস ক্লাবে সাংবাদিকদের কাছে এমন দাবির কথা জানাতে গিয়ে অনেকে আবেগতাড়িত হন। এর আগে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদফতরের (বরিশাল অঞ্চল) পরিচালক প্রফেসর মোয়াজ্জেম হোসেন যুগান্তরকে জানান, অবসরে যাওয়া বেসরকারি শিক্ষকদের অনেকে নানা সমস্যায় রয়েছেন এটা সত্য। তাদের দাবিও যুক্তিযুক্ত। বর্তমানে তাদের আর্থিক সুবিধা দেয়ার কোনো সিদ্ধান্ত নেই। সাবেক অধ্যক্ষ এম. ফারুকুর রহমান জানান, অবসরে যাওয়া শিক্ষকদের বিষয়টি এখন সময়ের দাবি। যে শিক্ষকরা তাদের জীবনের স্বর্ণযুগে শুধু শিক্ষাদান করে গেছেন। অবসরে গিয়ে তাদের ধারদেনা করে চলতে হচ্ছে। এটা অমানবিক। একই কথা জানান নলিনী দাস বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক অসীম সাহা, পৌর বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক গোলাম মাহামুদ, ঘুইঙ্গারহাট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক আবদুল অদুদ, গাজীপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক মো. নুরুল ইসলাম, চরনোয়াবাদ মুসলিম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক আবু তাহের, দৌলতখান খাদিজা খানম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক ফরমুজল হক, চরফ্যাশন টাউন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর সহিদ, চরফ্যাশন কেরামতগঞ্জ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. হারুন অর রশিদ। জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মাধ্যম চন্দ্র দাস জানান, ভোলা জেলায় বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে ৫৩০টি। শিক্ষক রয়েছেন ৮ হাজার ৭২০ জন। গত ৫ বছরের হিসেবে অবসরে গেছেন এক হাজার ৮শ জন শিক্ষক ও স্টাফ। এর মধ্যে আর্থিক অভাব অনটনে রয়েছেন কমপক্ষে এক হাজার শিক্ষক ও স্টাফ। এমন চিত্র সারা দেশের। ফলে এদের আর্থিক সহযোগিতার বিষয়টি জরুরি বলে দাবি করেন নাগরিক কমিটির সহসভাপতি সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর দুলাল চন্দ্র ঘোষ।

অবসরে যাওয়া বেসরকারি শিক্ষকদের চরম দুর্দিন

প্রধানমন্ত্রীর আর্থিক সহায়তা দাবি
 ভোলা প্রতিনিধি 
০৫ মে ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ভোলাসহ সারা দেশের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকরা করোনাকালীন সময়ে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ আর্থিক সহায়তার দাবি জানিয়েছেন। এসব শিক্ষক চরম কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন। তিন বছরেও পাননি নিজেদের রেখে যাওয়া কল্যান তহবিলের টাকা ও অবসরভাতা। করোনাকালীন মহাদুর্যোগে পরিবার-পরিজন নিয়ে তাদের অমানবিক জীবনযাপন করতে হচ্ছে। মঙ্গলবার যুগান্তরের কাছে এমন বিষয় তুলে ধরে ঈদের আগে বিশেষ আথিক অনুদানের দাবি জানান বাংলাদেশ বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারী ফোরামের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাইদুল হাসান সেলিম। তিনি জানান যে শিক্ষকরা শিক্ষিত জাতি গড়ার কারিগর ছিলেন। তারা অভাব অনটনে দিন কাটাচ্ছেন। ভোলা প্রেস ক্লাবে সাংবাদিকদের কাছে এমন দাবির কথা জানাতে গিয়ে অনেকে আবেগতাড়িত হন। এর আগে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদফতরের (বরিশাল অঞ্চল) পরিচালক প্রফেসর মোয়াজ্জেম হোসেন যুগান্তরকে জানান, অবসরে যাওয়া বেসরকারি শিক্ষকদের অনেকে নানা সমস্যায় রয়েছেন এটা সত্য। তাদের দাবিও যুক্তিযুক্ত। বর্তমানে তাদের আর্থিক সুবিধা দেয়ার কোনো সিদ্ধান্ত নেই। সাবেক অধ্যক্ষ এম. ফারুকুর রহমান জানান, অবসরে যাওয়া শিক্ষকদের বিষয়টি এখন সময়ের দাবি। যে শিক্ষকরা তাদের জীবনের স্বর্ণযুগে শুধু শিক্ষাদান করে গেছেন। অবসরে গিয়ে তাদের ধারদেনা করে চলতে হচ্ছে। এটা অমানবিক। একই কথা জানান নলিনী দাস বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক অসীম সাহা, পৌর বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক গোলাম মাহামুদ, ঘুইঙ্গারহাট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক আবদুল অদুদ, গাজীপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক মো. নুরুল ইসলাম, চরনোয়াবাদ মুসলিম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক আবু তাহের, দৌলতখান খাদিজা খানম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক ফরমুজল হক, চরফ্যাশন টাউন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর সহিদ, চরফ্যাশন কেরামতগঞ্জ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. হারুন অর রশিদ। জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মাধ্যম চন্দ্র দাস জানান, ভোলা জেলায় বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে ৫৩০টি। শিক্ষক রয়েছেন ৮ হাজার ৭২০ জন। গত ৫ বছরের হিসেবে অবসরে গেছেন এক হাজার ৮শ জন শিক্ষক ও স্টাফ। এর মধ্যে আর্থিক অভাব অনটনে রয়েছেন কমপক্ষে এক হাজার শিক্ষক ও স্টাফ। এমন চিত্র সারা দেশের। ফলে এদের আর্থিক সহযোগিতার বিষয়টি জরুরি বলে দাবি করেন নাগরিক কমিটির সহসভাপতি সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর দুলাল চন্দ্র ঘোষ।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন