দিরাইয়ে ৬ জন আটক : মূল হোতা পলাতক
jugantor
বিল থেকে খণ্ডিত লাশ উদ্ধার
দিরাইয়ে ৬ জন আটক : মূল হোতা পলাতক

  দিরাই সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি  

০৭ মে ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দিরাই উপজেলার মঙ্গলপুর গ্রামের বিল থেকে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির ৬ টুকরো ভাসমান লাশ উদ্ধারের ঘটনায় এক নারীসহ ৬ জনকে আটক করেছে র‌্যাব-৯ সুনামগঞ্জ ক্যাম্পের সদস্যরা। ?র‌্যাব সদস্যরা দিরাইয়ের বিভিন্ন এলাকা থেকে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে। এরপর বুধবার গভীর রাতে দিরাই থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে আটককৃতদের।

আটককৃতরা হল ইসলামপুর গ্রামের মৃত আব্দুল কাইয়ুমের স্ত্রী আল বাহার বেগম, ভাঙ্গাডহর গ্রামের মৃত জলধর দাসের সত্যরঞ্জন দাস, নরুত্তমপুর গ্রামের ফজলুল হকের ছেলে নাসির উদ্দিন, দাউদপুর গ্রামের মৃত তোয়াহিত মিয়ার ছেলের নাজমুল হুসাইন, নরুত্তমপুর মুসলিম উল্লাহর ছেলে লুৎফর রহমান ও ভাঙ্গাডহর গ্রামের মকবুল আলীর ছেলে আ. মালেক। র‌্যাব-৯ সুনামগঞ্জ ক্যাম্পের অধিনায়ক লে. কমান্ডার সিঞ্চন আহমেদ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়- আটককৃত ৬ জন প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে দাউদপুর গ্রামের মো. কবির হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। দুদু মিয়ার সঙ্গে কবিরের আর্থিক লেনদেন নিয়ে শত্রুতার জের এবং দুদু কর্তৃক কবিরকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন ও অপমানিত হওয়ার জেরে কবির সহযোগীদের নিয়ে দুদুকে হত্যা করে। পরে লাশ কেটে টুকরো টুকরো করে বিলে ফেলে দেয়। ঘটনায় জড়িত সন্দেহদের আটক করা হলেও মূল হোতা আটককৃত নাজমুলের ভাই কবির মিয়া ও তার সহযোগী ভাঙ্গাডহর গ্রামের দোলন মিয়া পলাতক রয়েছে।

বিল থেকে খণ্ডিত লাশ উদ্ধার

দিরাইয়ে ৬ জন আটক : মূল হোতা পলাতক

 দিরাই সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি 
০৭ মে ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দিরাই উপজেলার মঙ্গলপুর গ্রামের বিল থেকে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির ৬ টুকরো ভাসমান লাশ উদ্ধারের ঘটনায় এক নারীসহ ৬ জনকে আটক করেছে র‌্যাব-৯ সুনামগঞ্জ ক্যাম্পের সদস্যরা। ?র‌্যাব সদস্যরা দিরাইয়ের বিভিন্ন এলাকা থেকে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে। এরপর বুধবার গভীর রাতে দিরাই থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে আটককৃতদের।

আটককৃতরা হল ইসলামপুর গ্রামের মৃত আব্দুল কাইয়ুমের স্ত্রী আল বাহার বেগম, ভাঙ্গাডহর গ্রামের মৃত জলধর দাসের সত্যরঞ্জন দাস, নরুত্তমপুর গ্রামের ফজলুল হকের ছেলে নাসির উদ্দিন, দাউদপুর গ্রামের মৃত তোয়াহিত মিয়ার ছেলের নাজমুল হুসাইন, নরুত্তমপুর মুসলিম উল্লাহর ছেলে লুৎফর রহমান ও ভাঙ্গাডহর গ্রামের মকবুল আলীর ছেলে আ. মালেক। র‌্যাব-৯ সুনামগঞ্জ ক্যাম্পের অধিনায়ক লে. কমান্ডার সিঞ্চন আহমেদ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়- আটককৃত ৬ জন প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে দাউদপুর গ্রামের মো. কবির হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। দুদু মিয়ার সঙ্গে কবিরের আর্থিক লেনদেন নিয়ে শত্রুতার জের এবং দুদু কর্তৃক কবিরকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন ও অপমানিত হওয়ার জেরে কবির সহযোগীদের নিয়ে দুদুকে হত্যা করে। পরে লাশ কেটে টুকরো টুকরো করে বিলে ফেলে দেয়। ঘটনায় জড়িত সন্দেহদের আটক করা হলেও মূল হোতা আটককৃত নাজমুলের ভাই কবির মিয়া ও তার সহযোগী ভাঙ্গাডহর গ্রামের দোলন মিয়া পলাতক রয়েছে।

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন