জমে উঠেছে ঈদবাজার
jugantor
জমে উঠেছে ঈদবাজার
ভৈরব ও অভয়নগরে বালাই নেই স্বাস্থ্যবিধির

  যুগান্তর ডেস্ক  

১১ মে ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বিভিন্ন স্থানে জমে উঠেছে ঈদবাজার। মার্কেট থেকে ফুটপাত সবখানে গভীর রাত পর্যন্ত ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তবে ক্রেতা-বিক্রেতাদের মাঝে নেই স্বাস্থ্যবিধি মানার কোনো বালাই। অনেকেই ব্যবহার করছেন না মাস্ক। যুগান্তর প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর-

ভৈরব (কিশোরগঞ্জ) : ভৈরবে ঈদের কেনাকাটা জমে উঠেছে। তবে স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে না। শহরের নিউমার্কেট, ছবিঘর শপিং কমপ্লেক্স, ইয়াকুব সুপার মার্কেট, হকার মার্কেট, হাজী আসমত আলী মার্কেট, সালাম প্লাজা, ফকির মার্কেটসহ শহরের প্রতিটি বিপণি বিতান, পাদুকা দোকান ও কসমেটিক্সের দোকানগুলোতে ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। প্রতিটি দোকানে শাড়ি, লুঙ্গি, থ্রিপিস, ফ্রক, প্যান্ট, শার্ট বেচাকেনার ধুম পড়েছে। ঈদে এছাড়া ফুটপাতের দোকানেও হকাররা বেচাকেনা করছেন বেশ। গরিব ও মধ্যবিত্ত পরিবারের লোকজন ফুটপাতের দোকান থেকে কম দামে কেনাকাটা সারছেন। তবে করোনাকালে সরকারের নির্দেশ অমান্য করে মার্কেটে ও ফুটপাতে কেনাকাটায় অধিকাংশ ক্রেতা স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না। অনেকেই ব্যবহার করছেন না মাস্ক। স্বাস্থ্যবিধি মানার বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের কঠোরতা নেই বললেই চলে। মাঝেমধ্য ঢিলেঢালা জরিমানা করা হচ্ছে। সবকিছু মিলিয়ে এবারের ঈদ কেনাকাটা বেশ জমে উঠেছে।

অভয়নগর (যশোর) : মহামারি করোনাকে ভুলে শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে যশোরের শিল্প ও বাণিজ্য শহর নওয়াপাড়ার ঈদবাজার। গার্মেন্ট পণ্য, জুতা, শাড়ি, চিনি, সেমাই ও কসমেটিক্সের দোকানে তিল ধারণের ঠাঁই মিলছে না। প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মার্কেটে ক্রেতার ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তবে প্রায় সবখানে উপেক্ষিত স্বাস্থ্যবিধি। অধিকাংশ ক্রেতার মুখে তো মাস্ক নেই, দোকানিদেরও মাস্ক ব্যবহারে চরম অনীহা লক্ষ্য করা গেছে। এছাড়া স্যানিটাইজারের ব্যবস্থাও নেই অধিকাংশ দোকানে। এ অবস্থায় চলছে নওয়াপাড়ার ঈদবাজার। উপজেলা প্রশাসনের দাবি-নিয়মিত মনিটরিংয়ের পাশাপাশি ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। যদিও মাঝে মাঝে সকাল-বিকালে ছাড়া উপজেলা প্রশাসনের কোনো তদারকি দিনভর দেখা যাচ্ছে না। তাছাড়া রাত ৮টার পর বাজারে পুলিশি তৎপরতা লক্ষ্য করা যায়। তবে সকাল থেকে সন্ধ্যা অবধি ক্রেতা-বিক্রেতারা ইচ্ছেমতো কেনাকাটা করছে। স্বাস্থ্যবিধি শব্দটা যেন কেবল মুখেই সীমাবদ্ধ। বাজার কমিটিসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদেরও স্বাস্থ্যবিধি মানার ব্যাপারে নজরদারির নির্দেশনা থাকলেও তাদের তৎপরতাও দেখা যাচ্ছে না।

আগৈলঝাড়া (বরিশাল) : আগৈলঝাড়ায় জমে উঠেছে ঈদের হাটবাজার। তবে বিক্রেতা ও ক্রেতাদের মাঝে স্বাস্থ্যবিধি মানার বালাই নেই। উপজেলা সদর বাজার, গৈলা, পয়সারহাট, বাশাইল বাজারসহ প্রায় হাটবাজার সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা রাখার নিয়ম থাকলেও রাত ১১টা পর্যন্ত খোলা রাখা হচ্ছে। প্রতিটি দোকানে ক্রেতার ভিড় লেগেই থাকছে। তবে ক্রেতা-বিক্রেতাদের মাঝে স্বাস্থ্যবিধি মানার কোনো বালাই নেই।

জমে উঠেছে ঈদবাজার

ভৈরব ও অভয়নগরে বালাই নেই স্বাস্থ্যবিধির
 যুগান্তর ডেস্ক 
১১ মে ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বিভিন্ন স্থানে জমে উঠেছে ঈদবাজার। মার্কেট থেকে ফুটপাত সবখানে গভীর রাত পর্যন্ত ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তবে ক্রেতা-বিক্রেতাদের মাঝে নেই স্বাস্থ্যবিধি মানার কোনো বালাই। অনেকেই ব্যবহার করছেন না মাস্ক। যুগান্তর প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর-

ভৈরব (কিশোরগঞ্জ) : ভৈরবে ঈদের কেনাকাটা জমে উঠেছে। তবে স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে না। শহরের নিউমার্কেট, ছবিঘর শপিং কমপ্লেক্স, ইয়াকুব সুপার মার্কেট, হকার মার্কেট, হাজী আসমত আলী মার্কেট, সালাম প্লাজা, ফকির মার্কেটসহ শহরের প্রতিটি বিপণি বিতান, পাদুকা দোকান ও কসমেটিক্সের দোকানগুলোতে ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। প্রতিটি দোকানে শাড়ি, লুঙ্গি, থ্রিপিস, ফ্রক, প্যান্ট, শার্ট বেচাকেনার ধুম পড়েছে। ঈদে এছাড়া ফুটপাতের দোকানেও হকাররা বেচাকেনা করছেন বেশ। গরিব ও মধ্যবিত্ত পরিবারের লোকজন ফুটপাতের দোকান থেকে কম দামে কেনাকাটা সারছেন। তবে করোনাকালে সরকারের নির্দেশ অমান্য করে মার্কেটে ও ফুটপাতে কেনাকাটায় অধিকাংশ ক্রেতা স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না। অনেকেই ব্যবহার করছেন না মাস্ক। স্বাস্থ্যবিধি মানার বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের কঠোরতা নেই বললেই চলে। মাঝেমধ্য ঢিলেঢালা জরিমানা করা হচ্ছে। সবকিছু মিলিয়ে এবারের ঈদ কেনাকাটা বেশ জমে উঠেছে।

অভয়নগর (যশোর) : মহামারি করোনাকে ভুলে শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে যশোরের শিল্প ও বাণিজ্য শহর নওয়াপাড়ার ঈদবাজার। গার্মেন্ট পণ্য, জুতা, শাড়ি, চিনি, সেমাই ও কসমেটিক্সের দোকানে তিল ধারণের ঠাঁই মিলছে না। প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মার্কেটে ক্রেতার ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তবে প্রায় সবখানে উপেক্ষিত স্বাস্থ্যবিধি। অধিকাংশ ক্রেতার মুখে তো মাস্ক নেই, দোকানিদেরও মাস্ক ব্যবহারে চরম অনীহা লক্ষ্য করা গেছে। এছাড়া স্যানিটাইজারের ব্যবস্থাও নেই অধিকাংশ দোকানে। এ অবস্থায় চলছে নওয়াপাড়ার ঈদবাজার। উপজেলা প্রশাসনের দাবি-নিয়মিত মনিটরিংয়ের পাশাপাশি ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। যদিও মাঝে মাঝে সকাল-বিকালে ছাড়া উপজেলা প্রশাসনের কোনো তদারকি দিনভর দেখা যাচ্ছে না। তাছাড়া রাত ৮টার পর বাজারে পুলিশি তৎপরতা লক্ষ্য করা যায়। তবে সকাল থেকে সন্ধ্যা অবধি ক্রেতা-বিক্রেতারা ইচ্ছেমতো কেনাকাটা করছে। স্বাস্থ্যবিধি শব্দটা যেন কেবল মুখেই সীমাবদ্ধ। বাজার কমিটিসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদেরও স্বাস্থ্যবিধি মানার ব্যাপারে নজরদারির নির্দেশনা থাকলেও তাদের তৎপরতাও দেখা যাচ্ছে না।

আগৈলঝাড়া (বরিশাল) : আগৈলঝাড়ায় জমে উঠেছে ঈদের হাটবাজার। তবে বিক্রেতা ও ক্রেতাদের মাঝে স্বাস্থ্যবিধি মানার বালাই নেই। উপজেলা সদর বাজার, গৈলা, পয়সারহাট, বাশাইল বাজারসহ প্রায় হাটবাজার সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা রাখার নিয়ম থাকলেও রাত ১১টা পর্যন্ত খোলা রাখা হচ্ছে। প্রতিটি দোকানে ক্রেতার ভিড় লেগেই থাকছে। তবে ক্রেতা-বিক্রেতাদের মাঝে স্বাস্থ্যবিধি মানার কোনো বালাই নেই।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন