চাটমোহরে অকোজো ‘গরিবের অ্যাম্বুলেন্স’
jugantor
রক্ষণাবেক্ষণের অভাব
চাটমোহরে অকোজো ‘গরিবের অ্যাম্বুলেন্স’

  চাটমোহর (পাবনা) প্রতিনিধি  

১১ মে ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে পাঁচ বছর আগে চাটমোহর উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে চালু করা হয়েছিল ‘গরিবের অ্যাম্বুলেন্স’। জরুরিভিত্তিতে অসুস্থ রোগীদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসতে এ সেবা চালু করেছিল উপজেলা প্রশাসন। কিন্তু রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে নিুমানের ব্যাটারিচালিত ইজিবাইকগুলো নষ্ট হয়ে যাওয়ায় গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জন্য এই সেবা কার্যক্রমের মুখ থুবড়ে পড়েছে। বর্তমানে বিকল গাড়িগুলোর ঠাঁই হয়েছে ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে। এতে অপচয় হয়েছে সরকারের লাখ লাখ টাকা। সরেজমিন ঘুরে জানা গেছে, বছর পাঁচেক আগেও উপজেলার অধিকাংশ গ্রাম ছিল দুর্গম। গ্রামের মানুষ অসুস্থ হলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যাতায়াত করা ছিল দুরূহ। অধিকাংশ মানুষ স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছিল। এ দুর্ভোগ থেকে বাঁচাতে ২০১৬ সালে জুন মাসে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এবং ইউনিয়ন পরিষদের তত্ত্বাবধানে এলজিএসপি প্রকল্পের অর্থায়নে উপজেলার ১১টি ইউনিয়নের ১১টি ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক অ্যাম্বুলেন্স তৈরি করা হয়। তৎকালীন পাবনার জেলা প্রশাসক রেখা রানী বালো এ অ্যাম্বুলেন্স সেবার উদ্বোধন করেন। খুব অল্প সময়ের মধ্যে বেশ জনপ্রিয় হয়ে ওঠায় সাধারণ মানুষ এই গাড়ির

নাম দেন, ‘গরিবের অ্যাম্বুলেন্স’। অ্যাম্বুলেন্স চালানোর জন্য প্রতিটি ইউনিয়নে একজন করে গ্রাম পুলিশকে দায়িত্ব দেয়া হয়। শুধু তাই নয়, এ স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণের জন্য একটি করে কর্পোরেট সিমসহ মোবাইলও দেয়া হয়। কিন্তু বছর ঘুরতে না ঘুরতেই গাড়ি নষ্ট হওয়া শুরু হয়।

রক্ষণাবেক্ষণের অভাব

চাটমোহরে অকোজো ‘গরিবের অ্যাম্বুলেন্স’

 চাটমোহর (পাবনা) প্রতিনিধি 
১১ মে ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে পাঁচ বছর আগে চাটমোহর উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে চালু করা হয়েছিল ‘গরিবের অ্যাম্বুলেন্স’। জরুরিভিত্তিতে অসুস্থ রোগীদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসতে এ সেবা চালু করেছিল উপজেলা প্রশাসন। কিন্তু রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে নিুমানের ব্যাটারিচালিত ইজিবাইকগুলো নষ্ট হয়ে যাওয়ায় গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জন্য এই সেবা কার্যক্রমের মুখ থুবড়ে পড়েছে। বর্তমানে বিকল গাড়িগুলোর ঠাঁই হয়েছে ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে। এতে অপচয় হয়েছে সরকারের লাখ লাখ টাকা। সরেজমিন ঘুরে জানা গেছে, বছর পাঁচেক আগেও উপজেলার অধিকাংশ গ্রাম ছিল দুর্গম। গ্রামের মানুষ অসুস্থ হলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যাতায়াত করা ছিল দুরূহ। অধিকাংশ মানুষ স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছিল। এ দুর্ভোগ থেকে বাঁচাতে ২০১৬ সালে জুন মাসে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এবং ইউনিয়ন পরিষদের তত্ত্বাবধানে এলজিএসপি প্রকল্পের অর্থায়নে উপজেলার ১১টি ইউনিয়নের ১১টি ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক অ্যাম্বুলেন্স তৈরি করা হয়। তৎকালীন পাবনার জেলা প্রশাসক রেখা রানী বালো এ অ্যাম্বুলেন্স সেবার উদ্বোধন করেন। খুব অল্প সময়ের মধ্যে বেশ জনপ্রিয় হয়ে ওঠায় সাধারণ মানুষ এই গাড়ির

নাম দেন, ‘গরিবের অ্যাম্বুলেন্স’। অ্যাম্বুলেন্স চালানোর জন্য প্রতিটি ইউনিয়নে একজন করে গ্রাম পুলিশকে দায়িত্ব দেয়া হয়। শুধু তাই নয়, এ স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণের জন্য একটি করে কর্পোরেট সিমসহ মোবাইলও দেয়া হয়। কিন্তু বছর ঘুরতে না ঘুরতেই গাড়ি নষ্ট হওয়া শুরু হয়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন