নদীতে বিলীন বিদ্যালয়, অনিশ্চিত শিক্ষাজীবন
jugantor
নদীতে বিলীন বিদ্যালয়, অনিশ্চিত শিক্ষাজীবন

  রহিমা সুলতানা মুকুল, ইসলামপুর (জামালপুর)  

১১ জুন ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার সাপধরী ইউনিয়নের দুর্গম চরাঞ্চল যমুনা দ্বীপচর উত্তর দিঘাইর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় গত বছরের বন্যায় যমুনা নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। ফলে ওই বিদ্যালয়ের ১৬৬ জন শিক্ষার্থীর শিক্ষাদান ব্যাহতের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হলে বিলীন হওয়া বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা কোথায় বসে শিক্ষা গ্রহণ করবে তা নিয়ে শিক্ষক ও অভিভাবকরা চিন্তিত রয়েছেন। সরেজমিন দেখা গেছে, বিদ্যালয়টির ভিটামাটি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। সামান্য কিছু ইটের গোড়া আংশিক পড়ে রয়েছে। এ সময় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পারভীন আক্তার জানান, গত বছর বন্যার স্রোতে রাতের অন্ধকারে বিদ্যালয় ভবনসহ ভিটামাটি যমুনায় বিলীন হয়ে যায়। সংশ্লিষ্ট অফিসে যোগাযোগ করে ভবন নির্মাণের প্রতিশ্রুতি পাওয়া যায়নি। সাপধরী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীন বিএসসির বলেন, দ্রুততম সময়ের মধ্যে নতুন কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে ব্যর্থ হলে চরাঞ্চলের শিক্ষার্থীরা অদূর ভবিষ্যতে ঝরে পড়বে। এ ব্যাপারে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ ফেরদৌসের বলেন বিলীন হওয়া বিদ্যালয় সংক্রান্ত বিষয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে।

নদীতে বিলীন বিদ্যালয়, অনিশ্চিত শিক্ষাজীবন

 রহিমা সুলতানা মুকুল, ইসলামপুর (জামালপুর) 
১১ জুন ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার সাপধরী ইউনিয়নের দুর্গম চরাঞ্চল যমুনা দ্বীপচর উত্তর দিঘাইর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় গত বছরের বন্যায় যমুনা নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। ফলে ওই বিদ্যালয়ের ১৬৬ জন শিক্ষার্থীর শিক্ষাদান ব্যাহতের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হলে বিলীন হওয়া বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা কোথায় বসে শিক্ষা গ্রহণ করবে তা নিয়ে শিক্ষক ও অভিভাবকরা চিন্তিত রয়েছেন। সরেজমিন দেখা গেছে, বিদ্যালয়টির ভিটামাটি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। সামান্য কিছু ইটের গোড়া আংশিক পড়ে রয়েছে। এ সময় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পারভীন আক্তার জানান, গত বছর বন্যার স্রোতে রাতের অন্ধকারে বিদ্যালয় ভবনসহ ভিটামাটি যমুনায় বিলীন হয়ে যায়। সংশ্লিষ্ট অফিসে যোগাযোগ করে ভবন নির্মাণের প্রতিশ্রুতি পাওয়া যায়নি। সাপধরী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীন বিএসসির বলেন, দ্রুততম সময়ের মধ্যে নতুন কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে ব্যর্থ হলে চরাঞ্চলের শিক্ষার্থীরা অদূর ভবিষ্যতে ঝরে পড়বে। এ ব্যাপারে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ ফেরদৌসের বলেন বিলীন হওয়া বিদ্যালয় সংক্রান্ত বিষয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন