দিনে গোচারণভূমি রাতে মাদকের আড্ডা
jugantor
দিনে গোচারণভূমি রাতে মাদকের আড্ডা

  মো. আব্দুর রহিম বাদল, শেরপুর  

১১ জুন ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মহামারি করোনার কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীরা মোবাইলে আসক্ত হয়ে পড়েছে। শেরপুর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনের মাঠে ঘাস ও আগাছা গজিয়ে ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বারান্দায় স্থানীয়রা ছাগল পালন করছেন।

সরেজমিনে কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শনে গিয়ে দেখা গেছে, বিদ্যালয়েরর বারান্দায় চলছে বখাটেদের আড্ডা ও ধূমপান। সন্ধ্যায় মাদকের আড্ডা হলে বিদ্যালয়ে, এমন অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।

শেরপুর টাউনের ঐতিহ্যবাহী দৃষ্টি নন্দন শেরপুর জিকে পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে বুধবার দুপুর সোয়া ১২টায় গিয়ে দেখা যায় বাহিরাগতদের আড্ডা চলছে। ক্লাস কক্ষে বসার বেঞ্চগুলোতে পড়েছে ধুলোর আস্তরণ। বিদ্যালয়ের মাঠে পুরোনো টিনসেট বিল্ডিং ঘরে ইট স্তূপ করে রাখা আছে।

শেরপুর সদর উপজেলার মধ্যবড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায় একজন এমএলএসএস অফিস খুলে বসে আছেন। টিনসেডের ক্লাস কক্ষগুলো জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে। সাম্প্রতিক ঝড়ে ক্লাস কক্ষের বারান্দার টিনের চালা উড়ে গেছে দক্ষিণ পাশের বারান্দায় কিছু আবর্জনা বস্তায় ভরে স্তূপ করে রাখা হয়েছে। এদিকে ৪৩নং মধ্য বয়ড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বুধবার দুপুরে গিয়ে দেখা গেল বিদ্যালয় তালাবদ্ধ। বীর মুক্তিযোদ্ধা ফকির আখতারুজ্জামান যুগান্তরকে বলেন, করোনায় দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো সবচেয়ে খারাপ অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ছেলেমেয়েরা পড়ার টেবিলে বসতেই চায় না। শুধু মোবাইলে গেম খেলা নিয়ে সময় নষ্ট করতে চায়। স্কুল খোলার কথা যখন শুনি একুট স্বস্তি পাই, আবার যখন স্কুল বন্ধের সময় বাড়ানো হয় তখন অস্বস্তি লাগে।

শেরপুর জিকে পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুহাম্মদ মঞ্জরুল ইসলাম বলেন, স্কুল খোলার কথা হওয়ায় বার বার স্কুল পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করি। কিন্তু বন্ধের মেয়াদ বেড়ে যাওয়া আবার ময়লা আবর্জনা জমে যায়। স্কুল প্রাঙ্গণসহ আশপাশে ঘাস ও আগাছা জন্মায়। পরিষ্কার করতে টাকাও ব্যয় হয়। আমরা স্কুল খোলার ব্যাপারে প্রস্তুত আছি। সরকারে নির্দেশনা পেলেই স্কুল খুলে ক্লাস ও পরীক্ষা নেয়া হবে। স্কুল বন্ধ থাকায় বহিরাগতদের উপদ্রব বেড়ে গেছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

শেরপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ফেরদৌসী বেগম বলেন, জেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকরা অনলাইনে ক্লাস নেয়া হচ্ছে বাড়ি বাড়ি শিক্ষার্থীদের কাছে অ্যাসাইনমেন্ট সিট পৌঁছে দিচ্ছে আবার সেগুলো জমা নেওয়া হচ্ছে।

দিনে গোচারণভূমি রাতে মাদকের আড্ডা

 মো. আব্দুর রহিম বাদল, শেরপুর 
১১ জুন ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মহামারি করোনার কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীরা মোবাইলে আসক্ত হয়ে পড়েছে। শেরপুর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনের মাঠে ঘাস ও আগাছা গজিয়ে ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বারান্দায় স্থানীয়রা ছাগল পালন করছেন।

সরেজমিনে কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শনে গিয়ে দেখা গেছে, বিদ্যালয়েরর বারান্দায় চলছে বখাটেদের আড্ডা ও ধূমপান। সন্ধ্যায় মাদকের আড্ডা হলে বিদ্যালয়ে, এমন অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।

শেরপুর টাউনের ঐতিহ্যবাহী দৃষ্টি নন্দন শেরপুর জিকে পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে বুধবার দুপুর সোয়া ১২টায় গিয়ে দেখা যায় বাহিরাগতদের আড্ডা চলছে। ক্লাস কক্ষে বসার বেঞ্চগুলোতে পড়েছে ধুলোর আস্তরণ। বিদ্যালয়ের মাঠে পুরোনো টিনসেট বিল্ডিং ঘরে ইট স্তূপ করে রাখা আছে।

শেরপুর সদর উপজেলার মধ্যবড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায় একজন এমএলএসএস অফিস খুলে বসে আছেন। টিনসেডের ক্লাস কক্ষগুলো জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে। সাম্প্রতিক ঝড়ে ক্লাস কক্ষের বারান্দার টিনের চালা উড়ে গেছে দক্ষিণ পাশের বারান্দায় কিছু আবর্জনা বস্তায় ভরে স্তূপ করে রাখা হয়েছে। এদিকে ৪৩নং মধ্য বয়ড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বুধবার দুপুরে গিয়ে দেখা গেল বিদ্যালয় তালাবদ্ধ। বীর মুক্তিযোদ্ধা ফকির আখতারুজ্জামান যুগান্তরকে বলেন, করোনায় দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো সবচেয়ে খারাপ অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ছেলেমেয়েরা পড়ার টেবিলে বসতেই চায় না। শুধু মোবাইলে গেম খেলা নিয়ে সময় নষ্ট করতে চায়। স্কুল খোলার কথা যখন শুনি একুট স্বস্তি পাই, আবার যখন স্কুল বন্ধের সময় বাড়ানো হয় তখন অস্বস্তি লাগে।

শেরপুর জিকে পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুহাম্মদ মঞ্জরুল ইসলাম বলেন, স্কুল খোলার কথা হওয়ায় বার বার স্কুল পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করি। কিন্তু বন্ধের মেয়াদ বেড়ে যাওয়া আবার ময়লা আবর্জনা জমে যায়। স্কুল প্রাঙ্গণসহ আশপাশে ঘাস ও আগাছা জন্মায়। পরিষ্কার করতে টাকাও ব্যয় হয়। আমরা স্কুল খোলার ব্যাপারে প্রস্তুত আছি। সরকারে নির্দেশনা পেলেই স্কুল খুলে ক্লাস ও পরীক্ষা নেয়া হবে। স্কুল বন্ধ থাকায় বহিরাগতদের উপদ্রব বেড়ে গেছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

শেরপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ফেরদৌসী বেগম বলেন, জেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকরা অনলাইনে ক্লাস নেয়া হচ্ছে বাড়ি বাড়ি শিক্ষার্থীদের কাছে অ্যাসাইনমেন্ট সিট পৌঁছে দিচ্ছে আবার সেগুলো জমা নেওয়া হচ্ছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন