বিদ্যালয়ে গোয়ালঘর
jugantor
বিদ্যালয়ে গোয়ালঘর

  আবুল কালাম আজাদ, চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ)  

১২ জুন ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

স্কুলের পরিত্যক্ত ভবনগুলো এখন রাতে গরু-ছাগল রাখার ঘর হিসাবে ব্যবহার হচ্ছে। আর দিনে মাঠেই চরানো হচ্ছে গরু। তবে স্কুলের নতুন ভবন রয়েছে তালাবদ্ধ। এমনই দৃশ্যই দেখা গেছে চুনারুঘাট উপজেলার পাকুড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। শনিবার সরেজমিন বেশ কয়েকটি স্কুল ঘুরে দেখা গেছে, স্কুলের মাঠে চরানো হচ্ছে গরু আর স্কুলের ভেতর রয়েছে নোংরা অপরিচ্ছন্ন অবস্থা। আবার কোথাও কোথাও সন্ধ্যার পরই বারান্দায় মাদক ও জুয়ার আসর বসার অভিযোগও পাওয়া গেছে। করোনার কারণে প্রায় ১৫ মাস ধরে বন্ধ রয়েছে স্কুল। এ অবস্থায় উপজেলার অধিকাংশ স্কুল মাঝে মধ্যে খোলা হলেও কোনো কোনো স্কুল রয়েছে তালাবদ্ধ। আবার কোনো কোনো স্কুলের পুরোনো কিংবা পরিত্যক্ত ভবনগুলো এখন গরু-ছাগল কিংবা জ্বালানি কাঠ রাখার ঘর হিসাবে ব্যবহার হচ্ছে। আবার কোনো কোনো স্কুলে সন্ধ্যার পরপরই বসছে মাদক ও জুয়ার আসর। রাতে দপ্তরিদের পাহারা থাকার কথা থাকলে তারা পাহারা দিচ্ছেন না। এমন অভিযোগ বিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট এলাকাবাসীর। উপজেলরা পাচগাতিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বারান্দায় রাখা হয় গরু। সরেজমিন গরু পাওয়া না গেলেও পাওয়া গেছে গরুর খাবার ও গোবর। মাঠে চরানো হচ্ছে গরু। সুন্দর ওয়াস ব্লকটির টেপগুলো খুলে নিয়ে গেছে কে বা কারা। তবে কোনো কোনো বিদ্যালয়ে পাওয়া গেছে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের। মিরাশী উচ্চ বিদ্যালয়ে দেখা যায়, গেট খোলা এবং মাঠে চরানো হচ্ছে গরু। একইভাবে দৌলতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ কয়েকটি বিদ্যালয় মাঠে গরু চরানোর দৃশ্য দেখা যায়। এর মধ্যে পাচারগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও গোয়াসপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায় শিক্ষকরা অনলাইনে ক্লাস নিচ্ছেন। এ বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মাসুদ রানা বলেন, আমাদের সব স্কুলই বিল্ডিং এবং দপ্তরি রয়েছে। সেখানে নিরাপত্তারও কোনো অভাবই নেই। শিক্ষার্থীরা না এলেও শিক্ষকরা পালা করে স্কুলে আসছেন, প্রয়োজনীয় কাজ করছেন এবং অনলাইনে ক্লাস নিচ্ছেন। তারা এখন বাড়ি বাড়িও যাচ্ছেন। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় কোনো কোনো স্কুলে ময়লা-আবর্জনা জমতে পারে, তবে আমরা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করছি। বিদ্যালয় খোলার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, পরিত্যক্ত ভবনে কেউ কোনো কিছু রাখলে আমরা তা অবশ্যই দেখব এবং সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিদ্যালয়ে গোয়ালঘর

 আবুল কালাম আজাদ, চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ) 
১২ জুন ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

স্কুলের পরিত্যক্ত ভবনগুলো এখন রাতে গরু-ছাগল রাখার ঘর হিসাবে ব্যবহার হচ্ছে। আর দিনে মাঠেই চরানো হচ্ছে গরু। তবে স্কুলের নতুন ভবন রয়েছে তালাবদ্ধ। এমনই দৃশ্যই দেখা গেছে চুনারুঘাট উপজেলার পাকুড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। শনিবার সরেজমিন বেশ কয়েকটি স্কুল ঘুরে দেখা গেছে, স্কুলের মাঠে চরানো হচ্ছে গরু আর স্কুলের ভেতর রয়েছে নোংরা অপরিচ্ছন্ন অবস্থা। আবার কোথাও কোথাও সন্ধ্যার পরই বারান্দায় মাদক ও জুয়ার আসর বসার অভিযোগও পাওয়া গেছে। করোনার কারণে প্রায় ১৫ মাস ধরে বন্ধ রয়েছে স্কুল। এ অবস্থায় উপজেলার অধিকাংশ স্কুল মাঝে মধ্যে খোলা হলেও কোনো কোনো স্কুল রয়েছে তালাবদ্ধ। আবার কোনো কোনো স্কুলের পুরোনো কিংবা পরিত্যক্ত ভবনগুলো এখন গরু-ছাগল কিংবা জ্বালানি কাঠ রাখার ঘর হিসাবে ব্যবহার হচ্ছে। আবার কোনো কোনো স্কুলে সন্ধ্যার পরপরই বসছে মাদক ও জুয়ার আসর। রাতে দপ্তরিদের পাহারা থাকার কথা থাকলে তারা পাহারা দিচ্ছেন না। এমন অভিযোগ বিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট এলাকাবাসীর। উপজেলরা পাচগাতিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বারান্দায় রাখা হয় গরু। সরেজমিন গরু পাওয়া না গেলেও পাওয়া গেছে গরুর খাবার ও গোবর। মাঠে চরানো হচ্ছে গরু। সুন্দর ওয়াস ব্লকটির টেপগুলো খুলে নিয়ে গেছে কে বা কারা। তবে কোনো কোনো বিদ্যালয়ে পাওয়া গেছে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের। মিরাশী উচ্চ বিদ্যালয়ে দেখা যায়, গেট খোলা এবং মাঠে চরানো হচ্ছে গরু। একইভাবে দৌলতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ কয়েকটি বিদ্যালয় মাঠে গরু চরানোর দৃশ্য দেখা যায়। এর মধ্যে পাচারগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও গোয়াসপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায় শিক্ষকরা অনলাইনে ক্লাস নিচ্ছেন। এ বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মাসুদ রানা বলেন, আমাদের সব স্কুলই বিল্ডিং এবং দপ্তরি রয়েছে। সেখানে নিরাপত্তারও কোনো অভাবই নেই। শিক্ষার্থীরা না এলেও শিক্ষকরা পালা করে স্কুলে আসছেন, প্রয়োজনীয় কাজ করছেন এবং অনলাইনে ক্লাস নিচ্ছেন। তারা এখন বাড়ি বাড়িও যাচ্ছেন। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় কোনো কোনো স্কুলে ময়লা-আবর্জনা জমতে পারে, তবে আমরা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করছি। বিদ্যালয় খোলার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, পরিত্যক্ত ভবনে কেউ কোনো কিছু রাখলে আমরা তা অবশ্যই দেখব এবং সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন