অনিশ্চিত শিক্ষাজীবন, বেকার শিক্ষক
jugantor
করোনা মহামারিতে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো পাঠদানে অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। অনেক দিন ধরে বৃষ্টির পানি জমে আছে প্রতিষ্ঠানের মাঠে। বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের জায়গা বেদখল হয়ে গেছে। স্থানীয়রা ভবন কিংবা মাঠ নিজেদের বাসাবাড়ির মতো ব্যবহার করছেন। মাঠকে ফসল মাড়াইয়ের উঠান বানিয়েছেন কেউ কেউ। ভাড়া নিয়ে নির্মাণসামগ্রী রাখা হয়েছে প্রতিষ্ঠানের মাঠে। ঝোপঝাড়ে পরিণত হয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। মনিটরিং না থাকায় কোনো কোনো প্রতিষ্ঠান মাদকসেবীদের আখড়ায় পরিণত হয়েছে। চট্টগ্রাম বিভাগের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চিত্র নিয়ে যুগান্তরের বিশেষ আয়োজন-
অনিশ্চিত শিক্ষাজীবন, বেকার শিক্ষক
চট্টগ্রাম ও কুমিল্লায় বন্ধের পথে এক হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

  এমএ কাউসার, চট্টগ্রাম ও আবুল খায়ের, কুমিল্লা  

১৪ জুন ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

লকডাউন

লকডাউনের কারণে প্রায় ১৫ মাস ধরে বন্ধ থাকায় চট্টগ্রাম নগরী ও জেলার অধিকাংশ বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নাজুক অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। শিক্ষার্থীরা স্কুলে আসতে না পারায় এবং ক্লাস পরীক্ষা না হওয়ায় অনেকে স্কুলের মাসিক বেতন ও ফি বন্ধ করে দিয়েছেন। এ কারণে স্কুল শিক্ষকদের বেতন-ভাতা দিতে পারেননি স্কুল পরিচালনা কর্তৃপক্ষ।

চট্টগ্রামের কিন্ডারগার্টেন অ্যাসোসিয়েশন সূত্র জানায়, চট্টগ্রাম নগরীতে ১ হাজার ২০০টি কিন্ডারগার্টেন রয়েছে। এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ পুরো জেলায় রয়েছে মোট দুই হাজার ৫০০ কিন্ডারগার্টেন স্কুল। কিন্ডরগার্টেনসহ অধিকাংশ বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।

সবকিছু মিলিয়ে চট্টগ্রামের বেসরকারি স্কুলগুলোতে হ-য-ব-র-ল অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এসব স্কুলের অন্তত ২০ হাজার শিক্ষক পরিবার-পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। কেউ কেউ এরইমধ্যে পেশা পরিবর্তন করতে বাধ্য হয়েছেন।

নগরীর এমবি গ্রামার স্কুলের অধ্যক্ষ বদরুল হাসান বলেন, দীর্ঘদিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় এর কার্যক্রম চালিয়ে রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে। হালিশহর বি ব্লকের ‘হলি কেয়ার আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ’ ও জে ব্লকের ‘জিনিয়াস পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ’-এর মতো অনেক স্কুল বন্ধ হয়ে গেছে।

বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ঐক্য পরিষদের চেয়ারম্যান এম ইকবাল বাহার চৌধুরী যুগান্তরকে বলেন, ‘আমার জানামতে করোনার কারণে নগরীতে শতাধিক কিন্ডারগার্টেন স্কুল একেবারে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

তারা ভাড়া নেওয়া ভবন ও বাসা ছেড়ে দিয়ে প্রতিষ্ঠানের চেয়ার-টেবিল পর্যন্ত বিক্রি করে দিয়েছেন। এ ছাড়া ভাড়া ঘর ছেড়ে দিয়ে অন্তত ৫০০ স্কুলের কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

এদিকে কুমিল্লায় অনিশ্চয়তায় আড়াই লাখ কিন্ডারগার্টেনের শিক্ষার্থী। করোনাভাইরাসের কারণে বন্ধ রয়েছে জেলার ১৭৬১টি কিন্ডারগার্টেন। যার ফলে বিদ্যালয়ে এসে শিক্ষকদের কাছ থেকে পাঠ গ্রহণ একেবারেই বন্ধ রয়েছে। কোনো কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অনলাইনে পাঠদানের চেষ্টা করলেও বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমই বন্ধ রয়েছে।

যার ফলে জেলার আড়াই লাখ শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবন অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে। গত বছর এ জেলায় ২২৪৬টি কিন্ডারগার্টেন থাকলেও এ বছর এর সংখ্যা কমে ১৭৬১তে এসে দাঁড়িয়েছে। অর্থাৎ করোনাভাইরাসের কারণে গত এক বছরে ৪৮৫টি বেসরকারি কিন্ডারগার্টেন বন্ধ হয়ে গেছে।

এদিকে করোনার প্রভাব না কমলে কিংবা এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে না দিলে এ বছর আরও পাঁচ শতাধিক কিন্ডারগার্টেন বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

জেলার এমপিওভুক্ত সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা সরকারি বেতন-ভাতা পেলেও বেসরকারি এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা পাচ্ছেন না কোনো প্রকার প্রণোদনা। এতে জেলার এসব কিন্ডারগার্টেনের ২০ হাজার শিক্ষক-কর্মচারী চরম বেকায়দায় রয়েছে।

কুমিল্লার প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর জানায়, ২০২০ সালে জেলায় ২২৪৬টি কিন্ডারগার্টেন ছিল। জেলা সদরসহ বিভিন্ন উপজেলা এবং গ্রাম পর্যায়েও এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বাণিজ্যিকভাবে আড়াই লাখ শিক্ষার্থীকে পাঠদান করে আসছিল। প্রায় ২০ হাজার শিক্ষক-কর্মচারী এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাথে যুক্ত ছিল।

চলমান করোনাভাইরাসের কারণে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি কুমিল্লার সবকটি কিন্ডারগার্টেন বন্ধ হয়ে যায়। নগরীর মোগলটুলী এলাকায় বসবাসকারী এক কিন্ডারগার্টেন শিক্ষক আনোয়ার হোসেন।

তিনি জানান, স্কুলের বেতনের পাশাপাশি সংসারের ব্যয় মেটাতে অতিরিক্ত সময় শিক্ষার্থীদের প্রাইভেট পড়িয়ে চলত তার সংসার। কিন্তু করোনার কারণে স্কুলের বেতন যেমন বন্ধ তেমনি বন্ধ রয়েছে প্রাইভেট পড়ানো। নেই সরকারি সহায়তা। এতে কষ্টে কাটছে তার জীবন।

বর্তমানে তিনি একটি প্রাইভেট কোম্পানিতে সেলসম্যান হিসাবে কাজ করছেন। একইভাবে সংসার চালাতে বাসায় বাসায় ঘুরে দুধ সরবরাহ করছেন আড়াইওয়া এলাকার শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ।

কুমিল্লা জেলা কিন্ডারগার্টেন অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ মোহাম্মদ শামীম হায়দার বলেন, জেলায় দিনে দিনে কিন্ডারগার্টেনগুলো বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, করোনা মহামারিতে সরকারের পক্ষ থেকে আমরা কোনো প্রণোদনা পাইনি। এভাবে চলতে থাকলে

এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যেমন বন্ধ হয়ে যাবে তেমনি লাখ লাখ শিক্ষার্থী অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়বে।জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুল মান্নান বলেন, গত এক বছরে জেলার ৪৮৫টি বেসরকারি কিন্ডারগার্টেন বন্ধ হয়ে গেছে বলে আমাদের কাছে তথ্য রয়েছে, কিন্ডারগার্টেনগুলো বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান, এসব প্রতিষ্ঠানে সরকারি অনুদান কিংবা প্রণোদনা দেওয়ার বিষয় আমার জানা নেই।

করোনা মহামারিতে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো পাঠদানে অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। অনেক দিন ধরে বৃষ্টির পানি জমে আছে প্রতিষ্ঠানের মাঠে। বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের জায়গা বেদখল হয়ে গেছে। স্থানীয়রা ভবন কিংবা মাঠ নিজেদের বাসাবাড়ির মতো ব্যবহার করছেন। মাঠকে ফসল মাড়াইয়ের উঠান বানিয়েছেন কেউ কেউ। ভাড়া নিয়ে নির্মাণসামগ্রী রাখা হয়েছে প্রতিষ্ঠানের মাঠে। ঝোপঝাড়ে পরিণত হয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। মনিটরিং না থাকায় কোনো কোনো প্রতিষ্ঠান মাদকসেবীদের আখড়ায় পরিণত হয়েছে। চট্টগ্রাম বিভাগের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চিত্র নিয়ে যুগান্তরের বিশেষ আয়োজন-

অনিশ্চিত শিক্ষাজীবন, বেকার শিক্ষক

চট্টগ্রাম ও কুমিল্লায় বন্ধের পথে এক হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
 এমএ কাউসার, চট্টগ্রাম ও আবুল খায়ের, কুমিল্লা 
১৪ জুন ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ
লকডাউন
ফাইল ছবি

লকডাউনের কারণে প্রায় ১৫ মাস ধরে বন্ধ থাকায় চট্টগ্রাম নগরী ও জেলার অধিকাংশ বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নাজুক অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। শিক্ষার্থীরা স্কুলে আসতে না পারায় এবং ক্লাস পরীক্ষা না হওয়ায় অনেকে স্কুলের মাসিক বেতন ও ফি বন্ধ করে দিয়েছেন। এ কারণে স্কুল শিক্ষকদের বেতন-ভাতা দিতে পারেননি স্কুল পরিচালনা কর্তৃপক্ষ।

চট্টগ্রামের কিন্ডারগার্টেন অ্যাসোসিয়েশন সূত্র জানায়, চট্টগ্রাম নগরীতে ১ হাজার ২০০টি কিন্ডারগার্টেন রয়েছে। এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ পুরো জেলায় রয়েছে মোট দুই হাজার ৫০০ কিন্ডারগার্টেন স্কুল। কিন্ডরগার্টেনসহ অধিকাংশ বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।

সবকিছু মিলিয়ে চট্টগ্রামের বেসরকারি স্কুলগুলোতে হ-য-ব-র-ল অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এসব স্কুলের অন্তত ২০ হাজার শিক্ষক পরিবার-পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। কেউ কেউ এরইমধ্যে পেশা পরিবর্তন করতে বাধ্য হয়েছেন।

নগরীর এমবি গ্রামার স্কুলের অধ্যক্ষ বদরুল হাসান বলেন, দীর্ঘদিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় এর কার্যক্রম চালিয়ে রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে। হালিশহর বি ব্লকের ‘হলি কেয়ার আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ’ ও জে ব্লকের ‘জিনিয়াস পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ’-এর মতো অনেক স্কুল বন্ধ হয়ে গেছে।

বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ঐক্য পরিষদের চেয়ারম্যান এম ইকবাল বাহার চৌধুরী যুগান্তরকে বলেন, ‘আমার জানামতে করোনার কারণে নগরীতে শতাধিক কিন্ডারগার্টেন স্কুল একেবারে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

তারা ভাড়া নেওয়া ভবন ও বাসা ছেড়ে দিয়ে প্রতিষ্ঠানের চেয়ার-টেবিল পর্যন্ত বিক্রি করে দিয়েছেন। এ ছাড়া ভাড়া ঘর ছেড়ে দিয়ে অন্তত ৫০০ স্কুলের কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

এদিকে কুমিল্লায় অনিশ্চয়তায় আড়াই লাখ কিন্ডারগার্টেনের শিক্ষার্থী। করোনাভাইরাসের কারণে বন্ধ রয়েছে জেলার ১৭৬১টি কিন্ডারগার্টেন। যার ফলে বিদ্যালয়ে এসে শিক্ষকদের কাছ থেকে পাঠ গ্রহণ একেবারেই বন্ধ রয়েছে। কোনো কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অনলাইনে পাঠদানের চেষ্টা করলেও বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমই বন্ধ রয়েছে।

যার ফলে জেলার আড়াই লাখ শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবন অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে। গত বছর এ জেলায় ২২৪৬টি কিন্ডারগার্টেন থাকলেও এ বছর এর সংখ্যা কমে ১৭৬১তে এসে দাঁড়িয়েছে। অর্থাৎ করোনাভাইরাসের কারণে গত এক বছরে ৪৮৫টি বেসরকারি কিন্ডারগার্টেন বন্ধ হয়ে গেছে।

এদিকে করোনার প্রভাব না কমলে কিংবা এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে না দিলে এ বছর আরও পাঁচ শতাধিক কিন্ডারগার্টেন বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

জেলার এমপিওভুক্ত সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা সরকারি বেতন-ভাতা পেলেও বেসরকারি এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা পাচ্ছেন না কোনো প্রকার প্রণোদনা। এতে জেলার এসব কিন্ডারগার্টেনের ২০ হাজার শিক্ষক-কর্মচারী চরম বেকায়দায় রয়েছে।

কুমিল্লার প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর জানায়, ২০২০ সালে জেলায় ২২৪৬টি কিন্ডারগার্টেন ছিল। জেলা সদরসহ বিভিন্ন উপজেলা এবং গ্রাম পর্যায়েও এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বাণিজ্যিকভাবে আড়াই লাখ শিক্ষার্থীকে পাঠদান করে আসছিল। প্রায় ২০ হাজার শিক্ষক-কর্মচারী এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাথে যুক্ত ছিল।

চলমান করোনাভাইরাসের কারণে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি কুমিল্লার সবকটি কিন্ডারগার্টেন বন্ধ হয়ে যায়। নগরীর মোগলটুলী এলাকায় বসবাসকারী এক কিন্ডারগার্টেন শিক্ষক আনোয়ার হোসেন।

তিনি জানান, স্কুলের বেতনের পাশাপাশি সংসারের ব্যয় মেটাতে অতিরিক্ত সময় শিক্ষার্থীদের প্রাইভেট পড়িয়ে চলত তার সংসার। কিন্তু করোনার কারণে স্কুলের বেতন যেমন বন্ধ তেমনি বন্ধ রয়েছে প্রাইভেট পড়ানো। নেই সরকারি সহায়তা। এতে কষ্টে কাটছে তার জীবন।

বর্তমানে তিনি একটি প্রাইভেট কোম্পানিতে সেলসম্যান হিসাবে কাজ করছেন। একইভাবে সংসার চালাতে বাসায় বাসায় ঘুরে দুধ সরবরাহ করছেন আড়াইওয়া এলাকার শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ।

কুমিল্লা জেলা কিন্ডারগার্টেন অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ মোহাম্মদ শামীম হায়দার বলেন, জেলায় দিনে দিনে কিন্ডারগার্টেনগুলো বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, করোনা মহামারিতে সরকারের পক্ষ থেকে আমরা কোনো প্রণোদনা পাইনি। এভাবে চলতে থাকলে

এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যেমন বন্ধ হয়ে যাবে তেমনি লাখ লাখ শিক্ষার্থী অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়বে।জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুল মান্নান বলেন, গত এক বছরে জেলার ৪৮৫টি বেসরকারি কিন্ডারগার্টেন বন্ধ হয়ে গেছে বলে আমাদের কাছে তথ্য রয়েছে, কিন্ডারগার্টেনগুলো বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান, এসব প্রতিষ্ঠানে সরকারি অনুদান কিংবা প্রণোদনা দেওয়ার বিষয় আমার জানা নেই।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন