মামলার ভয় দেখিয়ে ১৫ হাজার টাকায় সমঝোতা!
jugantor
রাঙ্গাবালীতে ঋণ গ্রহীতাকে মারধর
মামলার ভয় দেখিয়ে ১৫ হাজার টাকায় সমঝোতা!

  রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি  

১৮ জুন ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

রাঙ্গাবালী উপজেলায় ঋণ গ্রহীতাকে বকেয়া ৫৮৭ টাকার জন্য অফিসে ডেকে মারধরের ঘটনা ধামাচাপা দিতে উল্টো লুটপাটের মামলার ভয় দেখিয়ে চিকিৎসা খরচ ১৫ হাজার টাকা দিয়ে রফাদফা হয়েছে। বুধবার রাতে রাঙ্গাবালী থানায় এনজিও কর্মীদের সঙ্গে মারধরের শিকার ওই ব্যক্তির পরিবারকে এ সমাঝোতা করায় স্থানীয় প্রভাবশালী একটি চক্র।

জানা গেছে, এর আগে বুধবার বেলা ১১টার দিকে ৫৮৭ টাকার জন্য সদর ইউনিয়নের কাছিয়াবুনিয়া গ্রামের বাসিন্দা কাঠমিস্ত্রি আবু সালেহকে খালগোড়া বাজারে অবস্থিত এনজিওর রাঙ্গাবালী ব্রাঞ্চে ডেকে আনা হয়। ওই সময় আবু সালেহের দাবি, তার কাছে কোন টাকাই পাওনা নেই। আর এনজিও কর্মীদের দাবি, পাশ বইয়ে টাকা পাওনা আছে। এ নিয়ে ব্রাঞ্চ ম্যানেজার দেলোয়ার হোসেনের সঙ্গে আবু সালেহের বাগ্বিতণ্ডা এবং হাতাহাতি হয়। একপর্যায়ে ম্যানেজার, মাঠকর্মী ও অফিস সহায়ক ক্ষিপ্ত হয়ে আবু সালেহকে বেধড়ক মারধর করে। এতে বাঁ হাতে প্রচণ্ড জখম হয়।

এ ঘটনায় দুপুরে রাঙ্গাবালী থানায় আশার ম্যানেজার দেলোয়ারসহ অজ্ঞাত তিন-চারজনের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ করে মারধরের শিকার আবু সালেহের ভাই ফারুক হোসেন। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বিকালে ম্যানেজারসহ সংশ্লিষ্টদের থানায় ডেকে আনা হয়। জানা গেছে, স্থানীয় প্রভাবশালী চক্র এনজিওর পক্ষে অবস্থান নিয়ে রাত ৯টার দিকে থানায় মারধরের শিকার আবু সালেহের পক্ষে তার ভাই দ্বীন মোহম্মাদসহ কয়েকজন এনে ম্যানেজার-কর্মীদের সঙ্গে সমঝোতা করিয়ে দেয়। আবু সালেহের চিকিৎসার জন্য ১৫ হাজার টাকা দেওয়া হয়। এ সময় আপা-মীমাংসার লিখিত নেওয়া হয়। এ বিষয়ে জানতে এনজিওর রাঙ্গাবালী ব্রাঞ্চ ম্যানেজার দেলোয়ার হোসেনের মোবাইলে একাধিকবার ফোন করলেও তার ফোনটি বন্ধ থাকায় মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে জেলা ম্যানেজার (গলাচিপা-রাঙ্গাবালী) মো. গিয়াস উদ্দিন জানান, ‘আমি ওখানে (রাঙ্গাবালী) গিয়েছিলাম। ওসি দুই পক্ষকে ডেকেছে। পরে উনি (আবু সালেহ) গরিব মানুষ বলছে তার ভাইয়েরা। তাই চিকিৎসার জন্য ১৫ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে।

রাঙ্গাবালীতে ঋণ গ্রহীতাকে মারধর

মামলার ভয় দেখিয়ে ১৫ হাজার টাকায় সমঝোতা!

 রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি 
১৮ জুন ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

রাঙ্গাবালী উপজেলায় ঋণ গ্রহীতাকে বকেয়া ৫৮৭ টাকার জন্য অফিসে ডেকে মারধরের ঘটনা ধামাচাপা দিতে উল্টো লুটপাটের মামলার ভয় দেখিয়ে চিকিৎসা খরচ ১৫ হাজার টাকা দিয়ে রফাদফা হয়েছে। বুধবার রাতে রাঙ্গাবালী থানায় এনজিও কর্মীদের সঙ্গে মারধরের শিকার ওই ব্যক্তির পরিবারকে এ সমাঝোতা করায় স্থানীয় প্রভাবশালী একটি চক্র।

জানা গেছে, এর আগে বুধবার বেলা ১১টার দিকে ৫৮৭ টাকার জন্য সদর ইউনিয়নের কাছিয়াবুনিয়া গ্রামের বাসিন্দা কাঠমিস্ত্রি আবু সালেহকে খালগোড়া বাজারে অবস্থিত এনজিওর রাঙ্গাবালী ব্রাঞ্চে ডেকে আনা হয়। ওই সময় আবু সালেহের দাবি, তার কাছে কোন টাকাই পাওনা নেই। আর এনজিও কর্মীদের দাবি, পাশ বইয়ে টাকা পাওনা আছে। এ নিয়ে ব্রাঞ্চ ম্যানেজার দেলোয়ার হোসেনের সঙ্গে আবু সালেহের বাগ্বিতণ্ডা এবং হাতাহাতি হয়। একপর্যায়ে ম্যানেজার, মাঠকর্মী ও অফিস সহায়ক ক্ষিপ্ত হয়ে আবু সালেহকে বেধড়ক মারধর করে। এতে বাঁ হাতে প্রচণ্ড জখম হয়।

এ ঘটনায় দুপুরে রাঙ্গাবালী থানায় আশার ম্যানেজার দেলোয়ারসহ অজ্ঞাত তিন-চারজনের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ করে মারধরের শিকার আবু সালেহের ভাই ফারুক হোসেন। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বিকালে ম্যানেজারসহ সংশ্লিষ্টদের থানায় ডেকে আনা হয়। জানা গেছে, স্থানীয় প্রভাবশালী চক্র এনজিওর পক্ষে অবস্থান নিয়ে রাত ৯টার দিকে থানায় মারধরের শিকার আবু সালেহের পক্ষে তার ভাই দ্বীন মোহম্মাদসহ কয়েকজন এনে ম্যানেজার-কর্মীদের সঙ্গে সমঝোতা করিয়ে দেয়। আবু সালেহের চিকিৎসার জন্য ১৫ হাজার টাকা দেওয়া হয়। এ সময় আপা-মীমাংসার লিখিত নেওয়া হয়। এ বিষয়ে জানতে এনজিওর রাঙ্গাবালী ব্রাঞ্চ ম্যানেজার দেলোয়ার হোসেনের মোবাইলে একাধিকবার ফোন করলেও তার ফোনটি বন্ধ থাকায় মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে জেলা ম্যানেজার (গলাচিপা-রাঙ্গাবালী) মো. গিয়াস উদ্দিন জানান, ‘আমি ওখানে (রাঙ্গাবালী) গিয়েছিলাম। ওসি দুই পক্ষকে ডেকেছে। পরে উনি (আবু সালেহ) গরিব মানুষ বলছে তার ভাইয়েরা। তাই চিকিৎসার জন্য ১৫ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন