সহকারী শিক্ষকদের গ্রেড পরিবর্তনে বাণিজ্য
jugantor
দেওয়ানগঞ্জ প্রাথমিক বিদ্যালয়
সহকারী শিক্ষকদের গ্রেড পরিবর্তনে বাণিজ্য

  দেওয়ানগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধি  

২৫ জুন ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দেওয়ানগঞ্জ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের একটি চক্র গ্রেড পরিবর্তন এবং শিক্ষা কর্মকর্তার বিদায় অনুষ্ঠানের নামে সহকারী শিক্ষকদের কাছ থেকে টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষা অফিস সূত্র জানায়, দেওয়ানগঞ্জ উপজেলায় ১৩৯টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৬৭৮জন সহকারী শিক্ষক রয়েছে। এদের মধ্যে ৪শ সহকারী শিক্ষক বিভিন্ন গ্রেড পরিবর্তন হয়ে ১৩তম গ্রেড পাবেন। উপজেলার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক শিক্ষক যুগান্তরকে বলেন, সরকার আমাদের গ্রেড পরিবর্তন করেছে আমরা খুবই খুশি। অথচ করোনা চলাকালীন সময়ে আমাদের কাছ থেকে গ্রেড পরিবর্তন ও শিক্ষা কর্মকর্তা বিদায় অনুষ্ঠানের নামে ৫-৭শ করে টাকা নেওয়া হচ্ছে। সীমান্ত এলাকার দুজন সহকারী যাদের একজন বাবুল অন্যজন বোরহান। তারা শিক্ষক নিকট থেকে টাকা তুলেছে জানা যায়, বিভিন্ন গ্রেডের নামে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের ১৩তম গ্রেডে উন্নত স্কেল প্রদান করা হয়। দেওয়ানগঞ্জ প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এখনও বদলি হননিই। বদলির জন্য আবেদন করেছেন মাত্র। অথচ শিক্ষা কর্মকর্তার ফেয়াওয়েলের কথা বলে শিক্ষকদের কাছ থেকে টাকা আদায় করছেন চক্র।

সহকারী শিক্ষক খোরশেদ তবে এ ব্যাপারে বোরহানউদ্দিন জানান, কারো কাছ থেকে কোনো টাকা পয়সা নেইনি। বাবুলকে অনেকবার মোবাইলে চেষ্টা করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। এ প্রতিনিধিকে বলেন, ভাই মিথ্যা কথা বলব না আমি দু-একজনের থেকে টাকা নিয়ে অফিস সহকারী কুদ্দুস ভাইকে দিয়েছি আমি আর এ কাজ করব না। এ বিষয়ে আব্দুল কুদ্দুস বলেন, গ্রেড পরিবর্তনের কাজ করছি টাকা নিচ্ছি না। তবে হিসাব রক্ষণ অফিসে কিছু খরচ চেয়েছে।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আফতাব উদ্দিন যুগান্তরকে বলেন, শিক্ষকদের মধ্যে ধাপ্পাবাজ কিছু শিক্ষক রয়েছে। এরা এ ধরনের কাজ করে। আমিও এখনও বদলি হইনিই।

দেওয়ানগঞ্জ প্রাথমিক বিদ্যালয়

সহকারী শিক্ষকদের গ্রেড পরিবর্তনে বাণিজ্য

 দেওয়ানগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধি 
২৫ জুন ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দেওয়ানগঞ্জ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের একটি চক্র গ্রেড পরিবর্তন এবং শিক্ষা কর্মকর্তার বিদায় অনুষ্ঠানের নামে সহকারী শিক্ষকদের কাছ থেকে টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষা অফিস সূত্র জানায়, দেওয়ানগঞ্জ উপজেলায় ১৩৯টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৬৭৮জন সহকারী শিক্ষক রয়েছে। এদের মধ্যে ৪শ সহকারী শিক্ষক বিভিন্ন গ্রেড পরিবর্তন হয়ে ১৩তম গ্রেড পাবেন। উপজেলার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক শিক্ষক যুগান্তরকে বলেন, সরকার আমাদের গ্রেড পরিবর্তন করেছে আমরা খুবই খুশি। অথচ করোনা চলাকালীন সময়ে আমাদের কাছ থেকে গ্রেড পরিবর্তন ও শিক্ষা কর্মকর্তা বিদায় অনুষ্ঠানের নামে ৫-৭শ করে টাকা নেওয়া হচ্ছে। সীমান্ত এলাকার দুজন সহকারী যাদের একজন বাবুল অন্যজন বোরহান। তারা শিক্ষক নিকট থেকে টাকা তুলেছে জানা যায়, বিভিন্ন গ্রেডের নামে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের ১৩তম গ্রেডে উন্নত স্কেল প্রদান করা হয়। দেওয়ানগঞ্জ প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এখনও বদলি হননিই। বদলির জন্য আবেদন করেছেন মাত্র। অথচ শিক্ষা কর্মকর্তার ফেয়াওয়েলের কথা বলে শিক্ষকদের কাছ থেকে টাকা আদায় করছেন চক্র।

সহকারী শিক্ষক খোরশেদ তবে এ ব্যাপারে বোরহানউদ্দিন জানান, কারো কাছ থেকে কোনো টাকা পয়সা নেইনি। বাবুলকে অনেকবার মোবাইলে চেষ্টা করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। এ প্রতিনিধিকে বলেন, ভাই মিথ্যা কথা বলব না আমি দু-একজনের থেকে টাকা নিয়ে অফিস সহকারী কুদ্দুস ভাইকে দিয়েছি আমি আর এ কাজ করব না। এ বিষয়ে আব্দুল কুদ্দুস বলেন, গ্রেড পরিবর্তনের কাজ করছি টাকা নিচ্ছি না। তবে হিসাব রক্ষণ অফিসে কিছু খরচ চেয়েছে।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আফতাব উদ্দিন যুগান্তরকে বলেন, শিক্ষকদের মধ্যে ধাপ্পাবাজ কিছু শিক্ষক রয়েছে। এরা এ ধরনের কাজ করে। আমিও এখনও বদলি হইনিই।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন