চুনারুঘাট ও শায়েস্তাগঞ্জে চিকিৎসাবঞ্চিত রোগীরা
jugantor
চালু হয়নি ৫০ শয্যার হাসপাতাল
চুনারুঘাট ও শায়েস্তাগঞ্জে চিকিৎসাবঞ্চিত রোগীরা

  আবুল কালাম আজাদ, চুনারুঘাট ও কামরুজ্জামান আল রিয়াদ, শায়েস্তাগঞ্জ  

৩০ জুন ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

জনবল ও বিশেষজ্ঞ ডাক্তার না থাকায় হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ৫০ শয্যা বিশিষ্ট ভবনটি ১২ বছরেও চালু করা যায়নি। ৩০ শয্যা হাসপাতালেও জনবল সংকট। এ অবস্থায় নষ্ট হচ্ছে পরীক্ষা-নিরীক্ষার যন্ত্রপাতি। চিকিৎসাবঞ্চিত হচ্ছেন রোগীরা। জানা গেছে, ২০০৯ সালে প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকা ব্যয়ে চুনারুঘাটে ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের নতুন ভবন নির্মাণ করা হয়। ভবন নির্মিত হয়েছে, যন্ত্রপাতিও এসেছে; কিন্তু জনবল পদায়ন না করায় চালু করা যাচ্ছে না ৫০ শয্যা হাসপাতাল। এদিকে ৩১ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের জন্য ৯ জন ডাক্তার থাকার কথা থাকলেও আছে মাত্র পাঁচজন। কনসালটেন্ট নেই, নেই সার্জারি, গাইনি ও মেডিসিনের কোনো ডাক্তার। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোজাম্মেল হোসেন বলেন, দ্রুত জনবল পদায়ন করে ৫০ শয্যার হাসপাতাল চালু করার জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে।

এদিকে, শায়েস্তাগঞ্জে ভূমি অধিগ্রহণ জটিলতার কারণে তিন বছরেও চালু করা যায়নি ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল। জানা যায়, ২০১৭ সালের ১২ ডিসেম্বর মন্ত্রণালয় থেকে প্রস্তাবিত ৫০ শয্যা বিশিষ্ট্য শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জন্য চিকিৎসক, নার্স ও স্টাফ মিলে মোট ৪৭টি পদের প্রস্তাব করা হয়। পরে হবিগঞ্জ সিভিল সার্জন অফিস থেকে ১১১টি পদ সৃষ্টি করার জন্য লিখিতভাবে মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়। কিন্তু জমি অধিগ্রহণ না হওয়ায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভবন নির্মাণ সম্ভব হচ্ছে না। এ কারণে লোকবল নিয়োগের কার্যক্রমও থেমে আছে। হবিগঞ্জের ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মুখলিছুর রহমান উজ্জল বলেন, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের পাশে জমি অধিগ্রহণের কাজ শেষ হলেই ৫০ শয্যা হাসপাতাল নির্মাণ করা হবে। উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুর রশীদ তালুকদার ইকবাল বলেন, জমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।

চালু হয়নি ৫০ শয্যার হাসপাতাল

চুনারুঘাট ও শায়েস্তাগঞ্জে চিকিৎসাবঞ্চিত রোগীরা

 আবুল কালাম আজাদ, চুনারুঘাট ও কামরুজ্জামান আল রিয়াদ, শায়েস্তাগঞ্জ 
৩০ জুন ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

জনবল ও বিশেষজ্ঞ ডাক্তার না থাকায় হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ৫০ শয্যা বিশিষ্ট ভবনটি ১২ বছরেও চালু করা যায়নি। ৩০ শয্যা হাসপাতালেও জনবল সংকট। এ অবস্থায় নষ্ট হচ্ছে পরীক্ষা-নিরীক্ষার যন্ত্রপাতি। চিকিৎসাবঞ্চিত হচ্ছেন রোগীরা। জানা গেছে, ২০০৯ সালে প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকা ব্যয়ে চুনারুঘাটে ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের নতুন ভবন নির্মাণ করা হয়। ভবন নির্মিত হয়েছে, যন্ত্রপাতিও এসেছে; কিন্তু জনবল পদায়ন না করায় চালু করা যাচ্ছে না ৫০ শয্যা হাসপাতাল। এদিকে ৩১ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের জন্য ৯ জন ডাক্তার থাকার কথা থাকলেও আছে মাত্র পাঁচজন। কনসালটেন্ট নেই, নেই সার্জারি, গাইনি ও মেডিসিনের কোনো ডাক্তার। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোজাম্মেল হোসেন বলেন, দ্রুত জনবল পদায়ন করে ৫০ শয্যার হাসপাতাল চালু করার জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে।

এদিকে, শায়েস্তাগঞ্জে ভূমি অধিগ্রহণ জটিলতার কারণে তিন বছরেও চালু করা যায়নি ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল। জানা যায়, ২০১৭ সালের ১২ ডিসেম্বর মন্ত্রণালয় থেকে প্রস্তাবিত ৫০ শয্যা বিশিষ্ট্য শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জন্য চিকিৎসক, নার্স ও স্টাফ মিলে মোট ৪৭টি পদের প্রস্তাব করা হয়। পরে হবিগঞ্জ সিভিল সার্জন অফিস থেকে ১১১টি পদ সৃষ্টি করার জন্য লিখিতভাবে মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়। কিন্তু জমি অধিগ্রহণ না হওয়ায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভবন নির্মাণ সম্ভব হচ্ছে না। এ কারণে লোকবল নিয়োগের কার্যক্রমও থেমে আছে। হবিগঞ্জের ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মুখলিছুর রহমান উজ্জল বলেন, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের পাশে জমি অধিগ্রহণের কাজ শেষ হলেই ৫০ শয্যা হাসপাতাল নির্মাণ করা হবে। উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুর রশীদ তালুকদার ইকবাল বলেন, জমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : বেহাল স্বাস্থ্যসেবা