আল্ট্রাসনোগ্রাম এক্স-রে কক্ষে ভূতুড়ে পরিবেশ
jugantor
আল্ট্রাসনোগ্রাম এক্স-রে কক্ষে ভূতুড়ে পরিবেশ

  জিয়াউর রহমান লিটন, দিরাই  

৩০ জুন ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

লোকবল সংকট ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার অভাবে যুগের পর যুগ ধরে প্রায় অচল হয়ে পড়েছে উপজেলার সাড়ে ৩ লক্ষাধিক মানুষের একমাত্র চিকিৎসাসেবা কেন্দ্র দিরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রটি। ২০১৬ সালে ৩১ থেকে ৫০ শয্যায় উন্নীত হলেও আজও লোকবল অনুমোদন মেলেনি। এমনকি কার্যত ৩১ শয্যারই চিকিৎসকসহ চরম লোকবল সংকট রয়েছে হাসপাতালটিতে।

সরেজমিন হাসপাতাল ঘুরে দেখা যায়, কোনো ল্যাব নেই। এক্সরে রুম ও আল্টাসনোগ্রাফি রুমে ভূতুড়ে পরিবেশ বিরাজ করছে। রক্ত পরীক্ষা ও ইউরিনসহ কোন ধরনের পরীক্ষার ব্যবস্থা নেই হাসপাতালে।

জিন এক্সপার্ট মেশিন থাকলেও অকেজো। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছেন ঢাকা থেকে ২বার লোক এসেও মেশিনটি ইনস্টল করতে পারেনি। আল্টাসনোগ্রাফি মেশিন থাকলেও অকেজো হয়ে পড়ে আছে। ঝাড়ুদারের দখলে রয়েছে আল্টাসনোগ্রাফের রুমটি। এখানেই তিনি রাত যাপন করছেন।

ইসিজি বন্ধ রয়েছে দীর্ঘ দিন ধরে। হাসপাতালে ল্যাবের কোনো অস্তিত্ব খোঁজে পাওয়া যায়নি, রক্ত পরীক্ষা, ইউরিন পরীক্ষা করা হয় না প্রায় একযুগ ধরে। প্রায় ৩ যুগ ধরে এক্সরে মেশিনটি বিকল হয়ে পড়ে আছে। এক্সরে রুমের চারপাশে ময়লা আবর্জনার স্তূপ, ধুলো বালুতে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে কোটি টাকা মূল্যেও এ যন্ত্রটি। এক্সরে মেশিনের রিল বাক্সবন্দি হয়ে পড়ে থাকতে দেখা যায় বারান্দায়।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. স্বাধীন কুমার দাস বলেন, ৫০ শয্যায় উন্নীত হলেও কার্যত ৩১ শয্যার লোকবলই নেই হাসপাতালটিতে। লোকবল সংকটের কারণেই সার্ভিস থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সাধারণ মানুষ।

আল্ট্রাসনোগ্রাম এক্স-রে কক্ষে ভূতুড়ে পরিবেশ

 জিয়াউর রহমান লিটন, দিরাই 
৩০ জুন ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

লোকবল সংকট ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার অভাবে যুগের পর যুগ ধরে প্রায় অচল হয়ে পড়েছে উপজেলার সাড়ে ৩ লক্ষাধিক মানুষের একমাত্র চিকিৎসাসেবা কেন্দ্র দিরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রটি। ২০১৬ সালে ৩১ থেকে ৫০ শয্যায় উন্নীত হলেও আজও লোকবল অনুমোদন মেলেনি। এমনকি কার্যত ৩১ শয্যারই চিকিৎসকসহ চরম লোকবল সংকট রয়েছে হাসপাতালটিতে।

সরেজমিন হাসপাতাল ঘুরে দেখা যায়, কোনো ল্যাব নেই। এক্সরে রুম ও আল্টাসনোগ্রাফি রুমে ভূতুড়ে পরিবেশ বিরাজ করছে। রক্ত পরীক্ষা ও ইউরিনসহ কোন ধরনের পরীক্ষার ব্যবস্থা নেই হাসপাতালে।

জিন এক্সপার্ট মেশিন থাকলেও অকেজো। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছেন ঢাকা থেকে ২বার লোক এসেও মেশিনটি ইনস্টল করতে পারেনি। আল্টাসনোগ্রাফি মেশিন থাকলেও অকেজো হয়ে পড়ে আছে। ঝাড়ুদারের দখলে রয়েছে আল্টাসনোগ্রাফের রুমটি। এখানেই তিনি রাত যাপন করছেন।

ইসিজি বন্ধ রয়েছে দীর্ঘ দিন ধরে। হাসপাতালে ল্যাবের কোনো অস্তিত্ব খোঁজে পাওয়া যায়নি, রক্ত পরীক্ষা, ইউরিন পরীক্ষা করা হয় না প্রায় একযুগ ধরে। প্রায় ৩ যুগ ধরে এক্সরে মেশিনটি বিকল হয়ে পড়ে আছে। এক্সরে রুমের চারপাশে ময়লা আবর্জনার স্তূপ, ধুলো বালুতে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে কোটি টাকা মূল্যেও এ যন্ত্রটি। এক্সরে মেশিনের রিল বাক্সবন্দি হয়ে পড়ে থাকতে দেখা যায় বারান্দায়।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. স্বাধীন কুমার দাস বলেন, ৫০ শয্যায় উন্নীত হলেও কার্যত ৩১ শয্যার লোকবলই নেই হাসপাতালটিতে। লোকবল সংকটের কারণেই সার্ভিস থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সাধারণ মানুষ।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : বেহাল স্বাস্থ্যসেবা