নোংরা পরিবেশ নিম্নমানের খাবার বিতরণ
jugantor
ছাতক উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্র
নোংরা পরিবেশ নিম্নমানের খাবার বিতরণ

  আনোয়ার হোসেন, ছাতক (সুনামগঞ্জ)  

৩০ জুন ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ছাতক শিল্পনগরী উপজেলায় প্রশাসনিক অব্যবস্থাপনা ও দুর্বল জনবল নিয়ে খুঁড়িয়ে-খুঁড়িয়ে চলছে ৫ লক্ষাধিক মানুষের স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী ছাতক উপজেলার ৫১ শয্যা হাসপাতাল। একদিকে চিকিৎসকদের অবহেলা ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের স্বেচ্ছাচারিতা এবং অপরদিকে ডাক্তারবিহীন চেম্বার, নোংরা পরিবেশ, রোগীদের নিুমানের খাদ্য পরিবেশন, বিছানাপত্রের করুণ অবস্থা, ওষুধ সংকট এ হাসপাতালে। ৩ লাখ মানুষের স্বাস্থ্যসেবায় ৫ জন মেডিকেল অফিসার। পাশাপাশি উপজেলা দোয়ারা বাজার ও কোম্পানীগঞ্জের আরো প্রায় ২ লাখসহ ৫ লাখ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। রোগীদের অভিযোগ ৫ টাকা দিয়ে টিকিট করে ৫ টাকার ওষুধ দেওয়া হয়নি হাসপাতাল থেকে।

সূত্রে জানা যায়, ছাতক স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৯টি পদের বিপরীতে বিভিন্ন বিভাগে ৭ জন ডাক্তার কর্মরত রয়েছেন। তাদের মধ্যে একজন স্থানীয় ডাক্তার রয়েছেন, যিনি দীর্ঘদিন যাবত দায়িত্ব পালন না করে ঘরে বসেই সরকারি বেতন-ভাতা ভোগ করছেন। টিউবওয়েল না থাকায় রোগীদের রুটিন করে দু’বেলা বোতল দিয়ে পাম্পের পানি সংগ্রহ করতে হয়। পানির তীব্র সংকটের কারণে রোগীরা শৌচাগার ব্যবহার করছে নোংরা পরিবেশে। হাসপাতালের জেনারেটরটি দীর্ঘদিন ধরে বিকল হয়ে পড়ে আছে।

এ ব্যাপারে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা চৌধুরী রাজিব মোস্তফা জানান একাধিকবার আবেদন নিবেদন করেও ৩৯টি বছরে ও উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনার নিজস্ব কোনো ভবন না থাকায় অফিসে ব্যাপক সমস্যা লেগেই আছে।

ছাতক উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্র

নোংরা পরিবেশ নিম্নমানের খাবার বিতরণ

 আনোয়ার হোসেন, ছাতক (সুনামগঞ্জ) 
৩০ জুন ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ছাতক শিল্পনগরী উপজেলায় প্রশাসনিক অব্যবস্থাপনা ও দুর্বল জনবল নিয়ে খুঁড়িয়ে-খুঁড়িয়ে চলছে ৫ লক্ষাধিক মানুষের স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী ছাতক উপজেলার ৫১ শয্যা হাসপাতাল। একদিকে চিকিৎসকদের অবহেলা ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের স্বেচ্ছাচারিতা এবং অপরদিকে ডাক্তারবিহীন চেম্বার, নোংরা পরিবেশ, রোগীদের নিুমানের খাদ্য পরিবেশন, বিছানাপত্রের করুণ অবস্থা, ওষুধ সংকট এ হাসপাতালে। ৩ লাখ মানুষের স্বাস্থ্যসেবায় ৫ জন মেডিকেল অফিসার। পাশাপাশি উপজেলা দোয়ারা বাজার ও কোম্পানীগঞ্জের আরো প্রায় ২ লাখসহ ৫ লাখ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। রোগীদের অভিযোগ ৫ টাকা দিয়ে টিকিট করে ৫ টাকার ওষুধ দেওয়া হয়নি হাসপাতাল থেকে।

সূত্রে জানা যায়, ছাতক স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৯টি পদের বিপরীতে বিভিন্ন বিভাগে ৭ জন ডাক্তার কর্মরত রয়েছেন। তাদের মধ্যে একজন স্থানীয় ডাক্তার রয়েছেন, যিনি দীর্ঘদিন যাবত দায়িত্ব পালন না করে ঘরে বসেই সরকারি বেতন-ভাতা ভোগ করছেন। টিউবওয়েল না থাকায় রোগীদের রুটিন করে দু’বেলা বোতল দিয়ে পাম্পের পানি সংগ্রহ করতে হয়। পানির তীব্র সংকটের কারণে রোগীরা শৌচাগার ব্যবহার করছে নোংরা পরিবেশে। হাসপাতালের জেনারেটরটি দীর্ঘদিন ধরে বিকল হয়ে পড়ে আছে।

এ ব্যাপারে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা চৌধুরী রাজিব মোস্তফা জানান একাধিকবার আবেদন নিবেদন করেও ৩৯টি বছরে ও উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনার নিজস্ব কোনো ভবন না থাকায় অফিসে ব্যাপক সমস্যা লেগেই আছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : বেহাল স্বাস্থ্যসেবা