অন্তঃবিভাগ বন্ধ রোগীর বেডে ঘুমায় কর্মচারী
jugantor
অন্তঃবিভাগ বন্ধ রোগীর বেডে ঘুমায় কর্মচারী
চৌহালী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স

  রফিক মোল্লা, চৌহালী (সিরাজগঞ্জ)  

০৬ জুলাই ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স যেন নিজেই অসুস্থ। প্রায় ৭ বছর ধরে অন্তঃবিভাগ, এক্স-রে, আল্ট্রাসনোগ্রাম গুরুত্বপূর্ণ অন্যান্য সেবাকার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। শুধু মাত্র বহির্বিভাগে কিছু রোগীকে ওষুধপত্র দিয়েই খালাস এখানকার চিকিৎসকরা। ২০১৪ সালের ২৭ নভেম্বর হাসপাতাল ভবন যমুনাগর্ভে বিলীন হওয়ার পর থেকে চৌহালীর স্বাস্থ্য সেবায় নেমে আসে চরম বিপর্যয়। তবে খাষকাউলিয়া সিদ্দিকীয়া ফাজিল মাদ্রাসা মাঠে একটি টিনশেট ভবনে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কার্যক্রম এখন চলছে। যমুনায় বিলীনের পর হাসপাতালের একমাত্র এক্স-রে মেশিনটি পার্শ্ববর্তী শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দেয়া হয়। এছাড়া তখন থেকে আল্ট্রাসনোগ্রাফি, ইসিজিসহ প্যাথলজিক্যাল সেবা কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। অন্তঃবিভাগ চালু না থাকায় রোগী ভর্তি রেখে চিকিৎসা সেবা দেয়া সম্ভব হচ্ছে না। হাসপাতালের একটি অ্যাম্বুলেন্স অকেজো পড়ে আছে। অপরটি প্রায়ই নষ্ট থাকে। একমাত্র জেনারেটরও নষ্ট থাকে অধিকাংশ সময়। ওয়ার্ডগুলো ব্যবহৃত হচ্ছে কর্মচারীদের শোয়ার ঘর ও কিচেন রুম হিসাবে। বেডগুলো ঘুমানোর জন্য ব্যবহার করছেন পরিচ্ছন্নতা কর্মী, অফিস সহায়ক ও অন্য কর্মচারীরা।

অন্তঃবিভাগ বন্ধ রোগীর বেডে ঘুমায় কর্মচারী

চৌহালী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
 রফিক মোল্লা, চৌহালী (সিরাজগঞ্জ) 
০৬ জুলাই ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স যেন নিজেই অসুস্থ। প্রায় ৭ বছর ধরে অন্তঃবিভাগ, এক্স-রে, আল্ট্রাসনোগ্রাম গুরুত্বপূর্ণ অন্যান্য সেবাকার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। শুধু মাত্র বহির্বিভাগে কিছু রোগীকে ওষুধপত্র দিয়েই খালাস এখানকার চিকিৎসকরা। ২০১৪ সালের ২৭ নভেম্বর হাসপাতাল ভবন যমুনাগর্ভে বিলীন হওয়ার পর থেকে চৌহালীর স্বাস্থ্য সেবায় নেমে আসে চরম বিপর্যয়। তবে খাষকাউলিয়া সিদ্দিকীয়া ফাজিল মাদ্রাসা মাঠে একটি টিনশেট ভবনে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কার্যক্রম এখন চলছে। যমুনায় বিলীনের পর হাসপাতালের একমাত্র এক্স-রে মেশিনটি পার্শ্ববর্তী শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দেয়া হয়। এছাড়া তখন থেকে আল্ট্রাসনোগ্রাফি, ইসিজিসহ প্যাথলজিক্যাল সেবা কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। অন্তঃবিভাগ চালু না থাকায় রোগী ভর্তি রেখে চিকিৎসা সেবা দেয়া সম্ভব হচ্ছে না। হাসপাতালের একটি অ্যাম্বুলেন্স অকেজো পড়ে আছে। অপরটি প্রায়ই নষ্ট থাকে। একমাত্র জেনারেটরও নষ্ট থাকে অধিকাংশ সময়। ওয়ার্ডগুলো ব্যবহৃত হচ্ছে কর্মচারীদের শোয়ার ঘর ও কিচেন রুম হিসাবে। বেডগুলো ঘুমানোর জন্য ব্যবহার করছেন পরিচ্ছন্নতা কর্মী, অফিস সহায়ক ও অন্য কর্মচারীরা।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : বেহাল স্বাস্থ্যসেবা