স্বাস্থ্যমন্ত্রীর এলাকায় নামেই হাসপাতাল
jugantor
স্বাস্থ্যমন্ত্রীর এলাকায় নামেই হাসপাতাল
অর্ধেক জনবলও নেই * অপারেশন থিয়েটার বন্ধ * নষ্ট হচ্ছে যন্ত্রপাতি

  সাজাহান সরকার, সাটুরিয়া (মানিকগঞ্জ)  

০৭ জুলাই ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

৩১ শয্যার জনবল দিয়ে চলছে ৫০ শয্যার সাটুরিয়া উপজেলা সদর সরকারি হাসপাতাল। কর্মকর্তা কর্মচারীর ১৮৩ পদের মধ্যে প্রায় অর্ধেকই খালি পড়ে আছে। ডাক্তার সংকট প্রকট, যারা আছেন তারাও অনিয়মিত। রোগী দেখেন ফার্মাসিস্টরা। দীর্ঘদিন একই স্থানে চাকরি করায় বেড়েছে নার্সদের স্বেচ্ছারিতা। অপারেশন থিয়েটার চাদরে ঢাকা। প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম থাকলেও চালু করা যাচ্ছে না অপারেশন থিয়েটার। এতে নষ্ট হচ্ছে কোটি কোটি টাকার যন্ত্রাংশ। অপারেশনের প্রয়োজন হলেই রোগীদের মানিকগঞ্জ জেলা সদরে স্থানান্তর করা হয়। হাসপাতালের পরিবেশও নোংরা। রয়েছে মশার উপদ্রব।

জানা যায়, সাটুরিয়া ৫০ শয্যার উপজেলা হাসপাতালে মেডিকেল অফিসার, সহকারী সার্জনসহ জুনিয়র কনসালটেন্ট এনস্থেসিয়াসহ ১০টি পদ শূন্য দীর্ঘদিন ধরে। প্রথম শ্রেণির ২২ কর্মকর্তার মধ্যে আছেন ১২ জন। নার্সসহ দ্বিতীয় শ্রেণির কর্মকর্তাদের ৩১ জনের মধ্যে রয়েছেন ৮ জন। তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী স্বাস্থ্য সহকারী ৩১ পদের ১০ পদই শূন্য। সাটুরিয়া উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা পদ শূন্য ৬ মাস ধরে। মেডিকেল অফিসারের ২ পদে আছেন ১ জন। তাও প্রেশনে দীর্ঘদিন ঢাকায় কাজ করেন, বেতন তুলছেন সাটুরিয়া থেকে। পরিবার পরিকল্পনা বিভাগে পরিবার কল্যাণ সহকারীসহ বিভিন্ন পদে লোকবল থাকার কথা ৪২ জন। সেখানে মাত্র ২০ জন আছেন। চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের অভিযোগ হাসপাতালের কর্মকর্তাদের কক্ষ ছাড়া প্রায় প্রতিটি কক্ষেই নোংরা। জানালার বাইরে উচ্ছিষ্ট খাবার ফেলায় অ-স্বাস্থ্যকর পরিবেশ তৈরি হয়েছে। টয়লেটগুলোতে প্রবেশ করলে দম বন্ধ হয়ে যায়। বেসিনে হাত ধোয়ার পরিবেশ নেই। সাটুরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মো. মামুনুর রশিদ বলেন, মূলত ৩১ শয্যার জনবল দিয়ে চলছে ৫০ শয্যার হাসপাতাল।

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর এলাকায় নামেই হাসপাতাল

অর্ধেক জনবলও নেই * অপারেশন থিয়েটার বন্ধ * নষ্ট হচ্ছে যন্ত্রপাতি
 সাজাহান সরকার, সাটুরিয়া (মানিকগঞ্জ) 
০৭ জুলাই ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

৩১ শয্যার জনবল দিয়ে চলছে ৫০ শয্যার সাটুরিয়া উপজেলা সদর সরকারি হাসপাতাল। কর্মকর্তা কর্মচারীর ১৮৩ পদের মধ্যে প্রায় অর্ধেকই খালি পড়ে আছে। ডাক্তার সংকট প্রকট, যারা আছেন তারাও অনিয়মিত। রোগী দেখেন ফার্মাসিস্টরা। দীর্ঘদিন একই স্থানে চাকরি করায় বেড়েছে নার্সদের স্বেচ্ছারিতা। অপারেশন থিয়েটার চাদরে ঢাকা। প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম থাকলেও চালু করা যাচ্ছে না অপারেশন থিয়েটার। এতে নষ্ট হচ্ছে কোটি কোটি টাকার যন্ত্রাংশ। অপারেশনের প্রয়োজন হলেই রোগীদের মানিকগঞ্জ জেলা সদরে স্থানান্তর করা হয়। হাসপাতালের পরিবেশও নোংরা। রয়েছে মশার উপদ্রব।

জানা যায়, সাটুরিয়া ৫০ শয্যার উপজেলা হাসপাতালে মেডিকেল অফিসার, সহকারী সার্জনসহ জুনিয়র কনসালটেন্ট এনস্থেসিয়াসহ ১০টি পদ শূন্য দীর্ঘদিন ধরে। প্রথম শ্রেণির ২২ কর্মকর্তার মধ্যে আছেন ১২ জন। নার্সসহ দ্বিতীয় শ্রেণির কর্মকর্তাদের ৩১ জনের মধ্যে রয়েছেন ৮ জন। তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী স্বাস্থ্য সহকারী ৩১ পদের ১০ পদই শূন্য। সাটুরিয়া উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা পদ শূন্য ৬ মাস ধরে। মেডিকেল অফিসারের ২ পদে আছেন ১ জন। তাও প্রেশনে দীর্ঘদিন ঢাকায় কাজ করেন, বেতন তুলছেন সাটুরিয়া থেকে। পরিবার পরিকল্পনা বিভাগে পরিবার কল্যাণ সহকারীসহ বিভিন্ন পদে লোকবল থাকার কথা ৪২ জন। সেখানে মাত্র ২০ জন আছেন। চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের অভিযোগ হাসপাতালের কর্মকর্তাদের কক্ষ ছাড়া প্রায় প্রতিটি কক্ষেই নোংরা। জানালার বাইরে উচ্ছিষ্ট খাবার ফেলায় অ-স্বাস্থ্যকর পরিবেশ তৈরি হয়েছে। টয়লেটগুলোতে প্রবেশ করলে দম বন্ধ হয়ে যায়। বেসিনে হাত ধোয়ার পরিবেশ নেই। সাটুরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মো. মামুনুর রশিদ বলেন, মূলত ৩১ শয্যার জনবল দিয়ে চলছে ৫০ শয্যার হাসপাতাল।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : বেহাল স্বাস্থ্যসেবা