৬ বছর বাক্সবন্দি কোটি টাকার যন্ত্রপাতি
jugantor
সিরাজদিখান হাসপাতাল
৬ বছর বাক্সবন্দি কোটি টাকার যন্ত্রপাতি

  সুব্রত দাস রনক, সিরাজদিখান  

০৭ জুলাই ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

৬ বছর বাক্সবন্দি কোটি টাকার যন্ত্রপাতি

সিরাজদিখান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শুধুমাত্র টেকনিশিয়ানের অভাবে ছয় বছর কোটি টাকার এক্স-রে, ইসিজি ও ডিজিটাল আল্ট্রাসনোগ্রাফি মেশিন বাক্সবন্দি করে এক্স-রে কক্ষে তালাবদ্ধ অবস্থায় পড়ে রয়েছে। ফলে রোগীরা এসব যন্ত্রের সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এদিকে সার্জারি অ্যানেস্থেসিয়া ও গাইনিসহ জুনিয়র কনসালটেন্টের পদ শূন্য। সার্জারি ও অ্যানেস্থেসিয়া চিকিৎসক ও ডিজিটাল আল্ট্রাসনোগ্রাফি টেকনিশিয়ান (সনোলিস্ট/ রেডিওগ্রাফার) না থাকায় অপারেশন থিয়েটারও আলোর মুখ দেখছে না।

জানা যায়, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জন্য ২০১৮ সালে ডিজিটাল এক্স-রে মেশিন, ইসিজি মেশিন, ২০১৭ সালে আরেকটি ইসিজি মেশিন এবং ২০১৫ সালে ডিজিটাল আল্ট্রাসনোগ্রাফি মেশিন সরবরাহ করে সরকার। ওই তিনটি মেশিন সরবরাহ করার পর কোনো টেকনিশিয়ান (সনোলিস্ট/রেডিওগ্রাফার) পদে কোনো লোক না থাকায় কোটি টাকার এ মেশিনগুলোর সুবিধা রোগীদের দিতে পারেনি কর্তৃপক্ষ। ছয় বছর ধরে মেশিনগুলো বাক্সবন্দি অবস্থায় এক্স-রে রুমে তালাবদ্ধ করে রাখা হয়েছে। বারবার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরে টেকনিশিয়ানের জন্য পত্র পাঠানো হলেও এ পদে কোনো লোক পদায়ন করছে না কর্তৃপক্ষ। মেশিনগুলো ব্যবহার না হওয়ায় এ যন্ত্রপাতি সচল না বিকল তা নিয়ে দ্বিধা-দ্বন্দ্বে সংশ্লিষ্টরা। হাসপাতালের পার্শ্ববর্তী ইছাপুরা গ্রামের বাসিন্দা কমল কৃষ্ণ পাল বলেন, উপজেলা হাসপাতালে সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা থাকলেও রোগীরা হাসপাতাল থেকে কোনো সুবিধা পাচ্ছে না।

সিরাজদিখান উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আনজুম আরা বেগম বলেন, এক্স-রে, ইসিজি, ডিজিটাল আল্ট্রাসনোগ্রাম মেশিন আছে। কিন্তু টেকনিশিয়ান প্রয়োজন। এ বিষয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তর বরাবরে মেশিনগুলো চালুর জন্য কর্তৃপক্ষকে পত্র পাঠানো হয়েছে।

সিরাজদিখান হাসপাতাল

৬ বছর বাক্সবন্দি কোটি টাকার যন্ত্রপাতি

 সুব্রত দাস রনক, সিরাজদিখান 
০৭ জুলাই ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ
৬ বছর বাক্সবন্দি কোটি টাকার যন্ত্রপাতি
প্রতীকী ছবি

সিরাজদিখান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শুধুমাত্র টেকনিশিয়ানের অভাবে ছয় বছর কোটি টাকার এক্স-রে, ইসিজি ও ডিজিটাল আল্ট্রাসনোগ্রাফি মেশিন বাক্সবন্দি করে এক্স-রে কক্ষে তালাবদ্ধ অবস্থায় পড়ে রয়েছে। ফলে রোগীরা এসব যন্ত্রের সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এদিকে সার্জারি অ্যানেস্থেসিয়া ও গাইনিসহ জুনিয়র কনসালটেন্টের পদ শূন্য। সার্জারি ও অ্যানেস্থেসিয়া চিকিৎসক ও ডিজিটাল আল্ট্রাসনোগ্রাফি টেকনিশিয়ান (সনোলিস্ট/ রেডিওগ্রাফার) না থাকায় অপারেশন থিয়েটারও আলোর মুখ দেখছে না।

জানা যায়, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জন্য ২০১৮ সালে ডিজিটাল এক্স-রে মেশিন, ইসিজি মেশিন, ২০১৭ সালে আরেকটি ইসিজি মেশিন এবং ২০১৫ সালে ডিজিটাল আল্ট্রাসনোগ্রাফি মেশিন সরবরাহ করে সরকার। ওই তিনটি মেশিন সরবরাহ করার পর কোনো টেকনিশিয়ান (সনোলিস্ট/রেডিওগ্রাফার) পদে কোনো লোক না থাকায় কোটি টাকার এ মেশিনগুলোর সুবিধা রোগীদের দিতে পারেনি কর্তৃপক্ষ। ছয় বছর ধরে মেশিনগুলো বাক্সবন্দি অবস্থায় এক্স-রে রুমে তালাবদ্ধ করে রাখা হয়েছে। বারবার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরে টেকনিশিয়ানের জন্য পত্র পাঠানো হলেও এ পদে কোনো লোক পদায়ন করছে না কর্তৃপক্ষ। মেশিনগুলো ব্যবহার না হওয়ায় এ যন্ত্রপাতি সচল না বিকল তা নিয়ে দ্বিধা-দ্বন্দ্বে সংশ্লিষ্টরা। হাসপাতালের পার্শ্ববর্তী ইছাপুরা গ্রামের বাসিন্দা কমল কৃষ্ণ পাল বলেন, উপজেলা হাসপাতালে সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা থাকলেও রোগীরা হাসপাতাল থেকে কোনো সুবিধা পাচ্ছে না।

সিরাজদিখান উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আনজুম আরা বেগম বলেন, এক্স-রে, ইসিজি, ডিজিটাল আল্ট্রাসনোগ্রাম মেশিন আছে। কিন্তু টেকনিশিয়ান প্রয়োজন। এ বিষয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তর বরাবরে মেশিনগুলো চালুর জন্য কর্তৃপক্ষকে পত্র পাঠানো হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : বেহাল স্বাস্থ্যসেবা