শরীয়তপুর পৌর এলাকায় ড্রেন নির্মাণে ধীরগতি

  শরীয়তপুর প্রতিনিধি ০৪ মে ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

প্রায় ২ বছর ধরে শরীয়তপুর পৌরসভার ড্রেনেজ নির্মাণ কাজ শুরু করলেও এখনো শেষ হয়নি। দীর্ঘদিন ধরে রাস্তা কেটে ফেলে রাখায় জনদুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে। মাঝে মধ্যে সামান্য কিছু কাজ করলে তাও খুবই ধীরগতি। রাস্তা কেটে রাখার ফলে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এতে দুর্ঘটনার ঝুঁকিতে সাইফুর রহমান রাজ্জাক বলেন, পৌরবাসীসহ ভেদরগঞ্জ, ডামুড্যা উপজেলার যাতায়াতকারী লাখ লাখ মানুষ। ১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সাইদুর রহমান রাজ্জাক বলেন, দ্রুত কাজ শেষ করার জন্য বার বার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মালিককে লিখিতভাবে তাগিদ দেয়া হয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী আগামী ৩০ জুনের মধ্যে কাজ শেষ করতে ব্যর্থ হলে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছে পৌর কর্তৃপক্ষ। পৌরসভা অফিস সূত্রে জানা গেছে, শরীয়তপুর পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের শান্তিনগর ও নিরালা এলাকায় জলাবদ্ধতা নিরসনের জন্য পৌর কর্তৃপক্ষ শান্তি নগরের পুলিশ ভবন থেকে শুরু করে সদর উপজেলা ভূমি অফিস পর্যন্ত মেইন খালের সঙ্গে সংযুক্ত করে ড্রেন নির্মাণের জন্য ইতোমধ্যে ৮ কোটি ১৬ লাখ টাকার দরপত্র আহ্বান করে। দরপত্রের নিম্ন দরদাতা হিসেবে ‘মেসার্স পিই আরসিআরআইএমপি’ জয়েন্ট বেঞ্চার নামের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে ৭ কোটি টাকায় ২০১৬ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর কার্যাদেশ দেয়। উক্ত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান দীর্ঘ প্রায় ১ বছর ৭ মাস ধরে পালং মডেল থানার দক্ষিণ কর্নার পুলিশ ভবন থেকে শুরু করে সদর উপজেলা ভূমি অফিস পর্যন্ত রাস্তার পার্শ্বে, পালং স্কুলের পূর্ব পার্শ্বে কাসেম ভেন্ডার বাড়ি থেকে শুরু করে পালং উত্তর বাজার পর্যন্ত রাস্তায় ভ্যেকু মেশিন দিয়ে মাটি খনন করে বিরাট গর্ত করে রেখেছে। মাঝে মধ্যে সামান্য কিয়দাংশ পাকা ওয়াল ও ঢাকনা দিলেও অনেক অংশে এখনো কাজ ধরেনি। যেসব অংশে ড্রেনেজের জন্য রাস্তা কেটে রাখা হয়েছে, সেসব অংশে বৃষ্টির কারণে ওই গর্তে বৃষ্টির পানি জমে চরম জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। রাস্তার পাশে গর্ত থাকার কারনে রাস্তা ভেঙে বিরাট বিরাট গর্ত হয়ে মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। বর্তমানে কাজের কোনো গতি নেই। শরীয়তপুর-কানাবাজার সড়ক দিয়ে ভেদরগঞ্জ, ডামুড্যা উপজেলাসহ পালং ইউনিয়নের লাখ লাখ লোক এ রোড দিয়ে যাতায়াত করে। এতে করে জনগণের যেমন ভোগান্তি, অপরদিকে প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা। শান্তিনগরের বাসিন্দা শান্ত বলেন, দীর্ঘদিন ড্রেন নির্মাণের নামে ভ্যেকু দিয়ে মাটি খনন করে ফেলে রাখায় জনদুর্ভোগ বেড়ে গেছে। নিরালা এলাকার আমিনুল ইসলাম খান, আনিস উদ্দিন বেপারি, মোশারফ হোসেন বলেন, প্রায় ২ বছর ধরে এলাকায় ড্রেনেজের কাজ শুরু করে। ভেক্যু মেশিন দিয়ে রাস্তা কেটে রাখায় বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। ‘মেসার্স পিই আরসি আর আই এমপি’ জয়েন্ট বেঞ্চার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মালিককে বার বার মোবাইলে ফোন করে ও পাওয়া যায়নি। শরীয়তপুর পৌরসভা নির্বাহী প্রকৌশলী লক্ষ্মীকান্ত হালদার বলেন, শরীয়তপুর পৌর এলাকার শান্তিনগরের ড্রেন নির্মাণ কাজটা ধীরগতি। এ ব্যাপারে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মালিককে লিখিতভাবে বার বার তাগিদ দেয়া হয়েছে। এরপরে ও ৩০ জুনের মধ্যে কাজ শেষ না করলে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 

 

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter