শ্রমিক সংকটে ডুবে আছে কৃষকের স্বপ্নের ধান

  গুরুদাসপুর (নাটোর) প্রতিনিধি ০৫ মে ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

কয়েকদিনের প্রবল বর্ষণের পাশাপাশি শুক্রবার সকালে দেড় ঘণ্টার বৃষ্টির কারণে এবারও কপাল পুড়েছে কৃষকের। শত শত হেক্টর জমির আধাপাকা ধান তলিয়ে গেছে চলনবিলের পানিতে। কারও ধান ডুবেছে সবই, কারও আবার অল্প। আবার পানিতে ডুবলেও ওই টুকুই তুলতে পারছে না শ্রমিক সংকটের কারণে। শুক্রবার সকালে নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার পিপলা, বিলহরিবাড়ী, যোগেন্দ্রনগর, বিলসা, সিংড়ার বিলদহর, কৃষ্ণপুর ও সিরাজগঞ্জের তাড়াশের কুন্দোইর ঘুরে দেখা যায় এমন দৃশ্য। অতিবর্ষণে পরপর দু’বছর এমন ফসলহানিতে দিশাহারা কৃষকরা। গুরুদাসপুরের খুরজীপুর ইউনিয়নের বিলসা মা-জননী সেতুর দু’ধারের মাঠের দিকে তাকালে চোখে পড়ে কৃষকদের দুর্দশার করুণ চিত্র। দেখা যায়, কৃষকরা পানিতে নিমজ্জিত ধান কাটছে। একই সময় দেখা গেল ডিঙ্গি নৌকা করে বিলের মাঝামাঝি থেকে কাটা ধান আনার দৃশ্য। নৌকায় নিয়ে আসা ধানগুলো বিলের পাশের রাস্তায় নামিয়ে রাখছেন কৃষকরা। সেই সঙ্গে তাদের চোখেমুখে রয়েছে হতাশার ছাপ। কুন্দোইলের আবু জাফর নামের এক কৃষক বলেন, গতবছর অতিবর্ষণে যখন সব শেষ হয়ে গিয়েছিল তখন মন্ত্রী-এমপিরা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন চলনবিলের মাঝ দিয়ে বয়ে যাওয়া কাটাগাং খালগুলো খনন করে বিলের পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা হবে। তাদের সেসব প্রতিশ্রুতি আজও বাস্তবায়ন হয়নি। অতিবৃষ্টির পানি বিলের মাঝে ঢুকে এভাবেই ধান তলিয়ে যায়। গত মৌসুমে একই কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন তিনি। যে জমি থেকে অন্য বছরে বিঘাপ্রতি ৩০ মণ ধান পেয়েছেন, সেখানে গত বছর পেয়েছেন সর্বোচ্চ ১০-১২ মণ। এবার তা ১০ মণও পাওয়া যাবে না। না পাকতেই জমির ধান পানিতে তলিয়ে গেছে। একই কথা জানান এলাকার আরও কয়জন কৃষক।

 

 

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter