খালেক মিথ্যা তথ্য দিচ্ছেন দাবি কেসিসি মেয়রের

  খুলনা ব্যুরো ০৬ মে ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

খুলনা সিটি কর্পোরেশন (কেসিসি) নির্বাচনী প্রচারণায় ভোটারদের কাছে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী তালুকদার আবদুল খালেকের উত্থাপিত কেসিসির আর্থিক তথ্য মিথ্যা বলে দাবি করেছেন মেয়র মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মনি। শনিবার বেলা সাড়ে ১১টায় নগর ভবনের শহীদ আলতাফ মিলনায়তনে খুলনা সিটি কর্পোরেশন আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি করেন। সংবাদ সম্মেলনে মেয়র বলেন, সাবেক মেয়র তালুকদার আবদুল খালেক ২০১৩ সালে পদত্যাগের সময় কেসিসির ক্যাশ ভোল্টে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং ব্যাংকে ৯৫ কোটি ৬২ লাখ ৩৭ হাজার ৮৪৫ টাকা ৭৩ পয়সা স্থিতি ছিল। কিন্তু বর্তমানে কেসিসি নির্বাচনের মাঠে তিনি ৭শ’ কোটি টাকা রেখে যাওয়ার যে প্রচারণা চালাচ্ছেন তা সত্য নয়। সিটি মেয়র মনি বলেন, দায়িত্বশীল নেতাদের কাছ থেকে নগরবাসী দায়িত্বশীল আচরণ আশা করেন। কিন্তু সাবেক মেয়র খালেক অসত্য তথ্য দিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি করছেন। এটি উচিত নয়। সংবাদ সম্মেলনে অফিসিয়াল তথ্যের উদ্ধৃতি দিয়ে মেয়র মনি লিখিত বক্তেব্যে বলেন, কেসিসির সাবেক মেয়র তালুকদার আবদুল খালেক সম্প্রতি নির্বাচনী প্রচারণাকালে তার দায়িত্ব পালনের শেষদিনে ৭শ’ কোটি টাকা রেখে গেছেন বলে প্রচার করছেন। কথাটি সত্য নয়। তালুকদার আবদুল খালেক ২০১৩ সালের ৯ মে মেয়র পদ হতে পদত্যাগ করেন। ওই বছরের ১৫ জুন অনুষ্ঠিত সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে তিনি পরাজিত হন। তবে পরিষদের কাউন্সিলররা একই বছরের ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দায়িত্বে বহাল ছিলেন। ওই সময়ে সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ২৮নং ওয়ার্ডের পরাজিত কাউন্সিলর আজমল আহমেদ তপন মেয়র প্যানেলের এক নম্বর সদস্য থাকায় আইনগত কারণেই দায়িত্বপ্রাপ্ত মেয়র হিসেবে দাফতরিক কার্যক্রম পরিচালনা করেন। ২৫ সেপ্টেম্বর নির্বাচিত মেয়র হিসেবে আমি বিজয়ী সাধারণ ও সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলরদের সঙ্গে নিয়ে দায়িত্ব গ্রহণ করি। দায়িত্ব হস্তান্তরের স্বাক্ষরিত কাগজে সিটি কর্পোরেশনের ক্যাশ ভোল্টে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং ব্যাংক বিবরণী অনুযায়ী ৯৫ কোটি ৬২ লাখ ৩৭ হাজার ৮৪৫ টাকা ৭৩ পয়সা স্থিতির উল্লেখ ছিল। এ সম্পর্কিত সেই দিনকার দায়িত্ব অর্পণ ও গ্রহণকারী সভায় উপস্থিত ছিলেন কেসিসির তৎকালীন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা তপন কুমার ঘোষ। সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে মনিরুজ্জামান মনি বলেন, ৫ বছরে কেসিসিতে অনেক উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাস্তবায়ন হয়েছে। এর মধ্যে চত্বরসহ সুদৃশ্য শহীদ মিনার, নতুন আঙ্গিকে শহীদ হাদিস পার্ক সংস্কার, নির্মাণাধীন খালিশপুর কলেজিয়েট গার্লস স্কুল, ময়ূর নদীর পাড়ে লিনিয়ার পার্কসহ বহু উন্নয়ন ভৈরব নদীর পাড়ে রুজভেল্ট জেটি সংলগ্ন ওপেন স্পেস, রূপসা ব্রিজ থেকে আলুতলা দশ গেট পর্যন্ত রাস্তাসহ কাজ করা হয়েছে।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter