গবাদিপশুর আবাসিক হোটেল

কেশবপুরে আবদুল মজিদের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ

  কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি ০৬ মে ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

যশোরের কেশবপুরে গরু-মহিষ ও ছাগলের জন্য আবাসিক হোটেল গড়ে উঠেছে। দূর-দূরান্ত থেকে হাটে নিয়ে আসা গরু, মহিষ ও ছাগল রাতে রাখার জন্য একটি আবাসিক হোটেল গড়েছেন কেশবপুরের আবদুল মজিদ। কেশবপুর উপজেলা শহর থেকে মহাকবী মাইকেল মধুসূদন দত্ত সড়কে ঢুকেই পশুর হাটের উত্তর পাশে টিনের ছাউনি দেয়া আবদুল মজিদের বাড়ি। বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করে চোখে পড়ল বিভিন্ন আকৃতির ঘরে গবাদিপশু রাখার জন্য চার সারি দড়ি বাঁধার হুক। রয়েছে খাওয়া ও গোসলের ব্যবস্থাও।

জানা যায়, হাটে বিক্রি না হওয়া গরু এই হোটেলে রাখা হয়। এতে গরু প্রতিদিনে খরচ হয় ৪৫ থেকে ৫০ টাকা। তবে খরচের তুলনায় সুবিধাই বেশি বলে জানালেন সবাই।

বরিশালের গরু ব্যবসায়ী ফজলুর রহমান ও আদম আলী বেপারি বলেন গরু এই হোটেলে এক রাত রেখে পরদিন সকালে গন্তব্যে নিয়ে যাই। তিনি আরও বলেন, হোটেলে গবাদিপশুর প্রায় সব ধরনের খাবার পাওয়া যায়। রয়েছে গোসলের ব্যবস্থা। তাছাড়া, গরুর রাখালের জন্যেও থাকার ব্যবস্থা রয়েছে। অনেকেই হোটেলকে ব্যবসা নয়, বরং সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবেই মন্তব্য করেন।

গবাদিপশুর হোটেলের মালিক আবদুল মজিদ জানান, প্রথমে ১০ থেকে ১২টি গরু-মহিষ রাখার মতো ক্ষুদ্র পরিসরে হোটেল চালু করেন তিনি। তবে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় বছর দুয়েক আগে ১৯ শতাংশ জমির ওপর ৬৫ থেকে ৭০টি গরু-মহিষ ও ছাগল রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

আবদুল মজিদ বলেন, হোটেল থেকে মাসে প্রায় ২৫ হাজার টাকা আয় হয়। আগামীতে গবাদিপশু রাখার জায়গা আরও বড় করার ইচ্ছা তার। অবিক্রীত গবাদিপশু নিয়ে ব্যবসায়ীরা বিপাকে পড়ায় তিনি সেটা উপলব্ধি করতে পেরে গড়ে তোলেন গরু-মহিষ ও ছাগলের আবাসিক হোটেল।

 

 

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
bestelectronics

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter
.