শাহজাদপুর চাটমোহরে বন্যায় প্লাবিত অর্ধশতাধিক বিদ্যালয়
jugantor
শাহজাদপুর চাটমোহরে বন্যায় প্লাবিত অর্ধশতাধিক বিদ্যালয়

  মো. মুমীদুজ্জামান জাহান, শাহজাদপুর ও পবিত্র তালুকদার, চাটমোহর  

০৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরের ১৩টি ইউনিয়নের ২৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্যার পানিতে ডুবে গেছে। এ ছাড়া বন্যার পানিতে ৮৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাঠ ডুবে গেছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ১১১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

এ বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস ফজলুল হক জানান, শাহজাদপুর উপজেলায় ১২৪টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। বন্যায় ডুবে যাওয়া বিদ্যালয় ছাড়া অন্য সব স্কুল সরকার ঘোষিত নিয়ম মেনে বিদ্যালয় খোলার জন্য প্রস্তুতি আছে। বন্যার পানি সরে গেলে ডুবে যাওয়া বিদ্যালয়গুলো জীবাণুনাশক দিয়ে পরিষ্কার করে তারপর সেখানে পাঠদান শুরু করা হবে। এ বিষয়ে মনাকষা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মীর ইনাম আহমেদ রবিন বলেন, বিদ্যালয় খোলার জন্য সরকারি সব ধরনের বিধি মেনে প্রস্তুতি নিয়েছি। তবে বিদ্যালয়ের চারদিকে এখন অথৈ বন্যার পানি। এখানে নৌকাও চলে না। তাই শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের জন্য বাঁশের সাঁকো দেওয়া হয়েছে। তবে এতে শিক্ষার্থীদের দুর্ঘটনার আশঙ্কাও রয়েছে। বিষয়টি উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে। উপজেলা সহকারী মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার শফিউল ইসলাম জানান, শাহজাদপুর উপজেলায় ৫১টি হাইস্কুল, ১৯টি দাখিল মাদ্রাসা ও ১০টি কলেজ রয়েছে। এর মধ্যে ১৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্যার পানিতে ডুবে গেছে। মাঠ ডুবে গেছে ২৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের। ডুবে যাওয়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাদে অন্য সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলতে সরকারি নির্দেশ অনুযায়ী সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

এদিকে পাবনার চাটমোহর উপজেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে মোট ১৫৫টি। এর মধ্যে নিুাঞ্চলের মোট ২২টি প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়েছে। অন্যদিকে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে ৮৭টি। এর মধ্যে ৭টি হাইস্কুল এবং ৪টি মাদ্রাসা বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়েছে। উপজেলার নটাবাড়িয়া, টেংগরজানি, ব্রহ্মপুর, দরাপপুর, বিশ্বনাথপুর, বনমালীনগর, করকোলা, দয়রামপুরসহ বেশকিছু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বন্যার পানি প্রবেশ করেছে। স্কুলের অফিসকক্ষ থেকে শুরু করে শ্রেণিকক্ষগুলো পানিতে টইটম্বুর। অন্যদিকে উপজেলার লাঙলমোড়া, চরনবীণ, ছাইকোলা, খতবাড়ি, বামনগ্রামসহ বেশকিছু এলাকার হাইস্কুল এবং মাদ্রাসাতেও বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে।

শাহজাদপুর চাটমোহরে বন্যায় প্লাবিত অর্ধশতাধিক বিদ্যালয়

 মো. মুমীদুজ্জামান জাহান, শাহজাদপুর ও পবিত্র তালুকদার, চাটমোহর 
০৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরের ১৩টি ইউনিয়নের ২৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্যার পানিতে ডুবে গেছে। এ ছাড়া বন্যার পানিতে ৮৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাঠ ডুবে গেছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ১১১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

এ বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস ফজলুল হক জানান, শাহজাদপুর উপজেলায় ১২৪টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। বন্যায় ডুবে যাওয়া বিদ্যালয় ছাড়া অন্য সব স্কুল সরকার ঘোষিত নিয়ম মেনে বিদ্যালয় খোলার জন্য প্রস্তুতি আছে। বন্যার পানি সরে গেলে ডুবে যাওয়া বিদ্যালয়গুলো জীবাণুনাশক দিয়ে পরিষ্কার করে তারপর সেখানে পাঠদান শুরু করা হবে। এ বিষয়ে মনাকষা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মীর ইনাম আহমেদ রবিন বলেন, বিদ্যালয় খোলার জন্য সরকারি সব ধরনের বিধি মেনে প্রস্তুতি নিয়েছি। তবে বিদ্যালয়ের চারদিকে এখন অথৈ বন্যার পানি। এখানে নৌকাও চলে না। তাই শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের জন্য বাঁশের সাঁকো দেওয়া হয়েছে। তবে এতে শিক্ষার্থীদের দুর্ঘটনার আশঙ্কাও রয়েছে। বিষয়টি উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে। উপজেলা সহকারী মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার শফিউল ইসলাম জানান, শাহজাদপুর উপজেলায় ৫১টি হাইস্কুল, ১৯টি দাখিল মাদ্রাসা ও ১০টি কলেজ রয়েছে। এর মধ্যে ১৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্যার পানিতে ডুবে গেছে। মাঠ ডুবে গেছে ২৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের। ডুবে যাওয়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বাদে অন্য সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলতে সরকারি নির্দেশ অনুযায়ী সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

এদিকে পাবনার চাটমোহর উপজেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে মোট ১৫৫টি। এর মধ্যে নিুাঞ্চলের মোট ২২টি প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়েছে। অন্যদিকে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে ৮৭টি। এর মধ্যে ৭টি হাইস্কুল এবং ৪টি মাদ্রাসা বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়েছে। উপজেলার নটাবাড়িয়া, টেংগরজানি, ব্রহ্মপুর, দরাপপুর, বিশ্বনাথপুর, বনমালীনগর, করকোলা, দয়রামপুরসহ বেশকিছু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বন্যার পানি প্রবেশ করেছে। স্কুলের অফিসকক্ষ থেকে শুরু করে শ্রেণিকক্ষগুলো পানিতে টইটম্বুর। অন্যদিকে উপজেলার লাঙলমোড়া, চরনবীণ, ছাইকোলা, খতবাড়ি, বামনগ্রামসহ বেশকিছু এলাকার হাইস্কুল এবং মাদ্রাসাতেও বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন