মদনে বিদ্যালয়ে ভাঙারির দোকান
jugantor
মদনে বিদ্যালয়ে ভাঙারির দোকান

  তোফাজ্জল হোসেন, মদন (নেত্রকোনা)  

১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মদনে বিদ্যালয়ে ভাঙারির দোকান

বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ভাড়া নিয়মিত পরিশোধ করতে না পেরে বন্ধ করে দিয়েছে নবজাগরণ নামে একটি কিন্ডারগার্টেন স্কুল। এদিকে বিদ্যালয়টির ঘরের মালিক তাপস মিয়া ৫ বছরের মেয়াদে ভাঙারিদের মালামাল রাখার জন্য ভাড়া দিয়েছেন বলে তিনি জানান। উপজেলার বালালী বাঘমরা বাজারে এ কিন্ডারগার্টেন স্কুলটি উপস্থিত। কিন্ডারগার্টেনটিতে মঙ্গলবার সকালে সরেজমিন গেলে বন্ধ পাওয়া যায়। সামনে রয়েছে কিছু ইট ও সুরকি। তবে এলাকাবাসী জানান, করোনার শুরুতেই এ কিন্ডারগার্টেনটি বন্ধ হয়ে গেছে। কর্মরত শিক্ষক ও কর্মচারীরাও পেশা পরিবর্তন করে বিভিন্ন স্থানে চলে গেছে। এ সময় কয়েকজন জানান, স্কুলটি তালাবদ্ধ থাকায় গত কয়েকদিন হল ঘরের মালিক ভাঙারি ব্যবসায়ীদের কাছে ৫ বছরের চুক্তিতে বিদ্যালয়টি ভাড়া দিয়েছেন। মনে হয় এখানে আর কোনো দিন শিশুরা পড়াশোনা করবে না। এদিকে পৌর সদরের ডিজিটাল কিন্ডারগার্টেনটি বন্ধ হয়ে গেছে। পাশে রয়েছে দি স্টার কিন্ডারগার্টেন, ডেফডিল কিন্ডারগার্টেন এসব বিদ্যালয় খোলা হলেও ছাত্রছাত্রী একেবারেই আসছে না বলে জানান বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ফলে হাওড়ের বেশ কয়েকটি কিন্ডারগার্টেন বন্ধ হয়ে যাওয়ার পথে। তবে বাকি বিদ্যালয়গুলোও নিয়মতি বেতন না পেলে বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তবে একাদিক শিক্ষক নেতা জানান, বিদ্যালয়গুলো দীর্ঘসময় বন্ধ থাকায় অনেক শিক্ষক সাময়িক ছুটি নিয়ে অন্য পেশায় চলে গেছে। ভালোভাবে পরিবেশ ফিরে এলে হয়তো কাজে যোগদান দিতে পারেন।

মদনে বিদ্যালয়ে ভাঙারির দোকান

 তোফাজ্জল হোসেন, মদন (নেত্রকোনা) 
১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ
মদনে বিদ্যালয়ে ভাঙারির দোকান
ছবি: যুগান্তর

বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ভাড়া নিয়মিত পরিশোধ করতে না পেরে বন্ধ করে দিয়েছে নবজাগরণ নামে একটি কিন্ডারগার্টেন স্কুল। এদিকে বিদ্যালয়টির ঘরের মালিক তাপস মিয়া ৫ বছরের মেয়াদে ভাঙারিদের মালামাল রাখার জন্য ভাড়া দিয়েছেন বলে তিনি জানান। উপজেলার বালালী বাঘমরা বাজারে এ কিন্ডারগার্টেন স্কুলটি উপস্থিত। কিন্ডারগার্টেনটিতে মঙ্গলবার সকালে সরেজমিন গেলে বন্ধ পাওয়া যায়। সামনে রয়েছে কিছু ইট ও সুরকি। তবে এলাকাবাসী জানান, করোনার শুরুতেই এ কিন্ডারগার্টেনটি বন্ধ হয়ে গেছে। কর্মরত শিক্ষক ও কর্মচারীরাও পেশা পরিবর্তন করে বিভিন্ন স্থানে চলে গেছে। এ সময় কয়েকজন জানান, স্কুলটি তালাবদ্ধ থাকায় গত কয়েকদিন হল ঘরের মালিক ভাঙারি ব্যবসায়ীদের কাছে ৫ বছরের চুক্তিতে বিদ্যালয়টি ভাড়া দিয়েছেন। মনে হয় এখানে আর কোনো দিন শিশুরা পড়াশোনা করবে না। এদিকে পৌর সদরের ডিজিটাল কিন্ডারগার্টেনটি বন্ধ হয়ে গেছে। পাশে রয়েছে দি স্টার কিন্ডারগার্টেন, ডেফডিল কিন্ডারগার্টেন এসব বিদ্যালয় খোলা হলেও ছাত্রছাত্রী একেবারেই আসছে না বলে জানান বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ফলে হাওড়ের বেশ কয়েকটি কিন্ডারগার্টেন বন্ধ হয়ে যাওয়ার পথে। তবে বাকি বিদ্যালয়গুলোও নিয়মতি বেতন না পেলে বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তবে একাদিক শিক্ষক নেতা জানান, বিদ্যালয়গুলো দীর্ঘসময় বন্ধ থাকায় অনেক শিক্ষক সাময়িক ছুটি নিয়ে অন্য পেশায় চলে গেছে। ভালোভাবে পরিবেশ ফিরে এলে হয়তো কাজে যোগদান দিতে পারেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন