সিগন্যাল বাতি না থাকায় লঞ্চ আটকে আছে ডুবোচরে
jugantor
রাজাপুরের বিষখালী নদী
সিগন্যাল বাতি না থাকায় লঞ্চ আটকে আছে ডুবোচরে

  রাজাপুর (ঝালকাঠি) প্রতিনিধি  

১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

রাজাপুরের বিষখালী নদীতে সিগন্যাল বাতি না থাকায় ঢাকা টু বরগুনাগামী পূবালী-১ নামের একটি দোতলা লঞ্চ ডুবোচরে আটকে গেছে। অনেক চেষ্টা করেও গত ৪ দিনে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। উপজেলার বড়ইয়া ইউনিয়নের চরপালট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, ১২ সেপ্টেম্বর রাত ৩টার দিকে হঠাৎ ঝড়-বাতাস শুরু হলে পূবালী-১ নামের ওই লঞ্চটি প্রায় সাড়ে ৩০০ যাত্রী নিয়ে উপজেলার চরপালট এলাকায় ডুবোচরে আটকে যায়। এতে ওই লঞ্চে থাকা যাত্রীরা পড়েন চরম দুর্ভোগে। পরে লঞ্চের কিছু যাত্রীকে রাজারহাট-বি নামে অপর একটি লঞ্চে তুলে দেয় পূবালী-১ লঞ্চ কর্তৃপক্ষ। বাকিরা সকালে যে যার মতো করে নিজ খরচে গন্তব্যে ফেরেন। অভিযোগ রয়েছে ওই চরে বারবার লঞ্চ আটকে যাওয়ার কারণে ড্রেজার দিয়ে চর কেটে লঞ্চ নামাতে হচ্ছে। এতে পাশের গুচ্ছগ্রামটি ঝুঁকিতে পড়তে পারে। ১৩ আগস্ট একই স্থানে ‘অভিযান-১০’ নামে একটি লঞ্চ আটকে ছিল, যা প্রায় ১৫ দিন পরে উদ্ধার করে লঞ্চ কর্তৃপক্ষ। পূবালী-১ লঞ্চের ইনচার্জ মাস্টার জহিরুল ইসলাম জানান, ঢাকা টু বরগুনা নৌ-পথে ঝালকাঠির পর সিগন্যাল নেই, যার কারণে দিকনির্ণয় বা কোনটা ডুবোচর তা দূর থেকে বোঝা মুশকিল।

রাজাপুরের বিষখালী নদী

সিগন্যাল বাতি না থাকায় লঞ্চ আটকে আছে ডুবোচরে

 রাজাপুর (ঝালকাঠি) প্রতিনিধি 
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

রাজাপুরের বিষখালী নদীতে সিগন্যাল বাতি না থাকায় ঢাকা টু বরগুনাগামী পূবালী-১ নামের একটি দোতলা লঞ্চ ডুবোচরে আটকে গেছে। অনেক চেষ্টা করেও গত ৪ দিনে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। উপজেলার বড়ইয়া ইউনিয়নের চরপালট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, ১২ সেপ্টেম্বর রাত ৩টার দিকে হঠাৎ ঝড়-বাতাস শুরু হলে পূবালী-১ নামের ওই লঞ্চটি প্রায় সাড়ে ৩০০ যাত্রী নিয়ে উপজেলার চরপালট এলাকায় ডুবোচরে আটকে যায়। এতে ওই লঞ্চে থাকা যাত্রীরা পড়েন চরম দুর্ভোগে। পরে লঞ্চের কিছু যাত্রীকে রাজারহাট-বি নামে অপর একটি লঞ্চে তুলে দেয় পূবালী-১ লঞ্চ কর্তৃপক্ষ। বাকিরা সকালে যে যার মতো করে নিজ খরচে গন্তব্যে ফেরেন। অভিযোগ রয়েছে ওই চরে বারবার লঞ্চ আটকে যাওয়ার কারণে ড্রেজার দিয়ে চর কেটে লঞ্চ নামাতে হচ্ছে। এতে পাশের গুচ্ছগ্রামটি ঝুঁকিতে পড়তে পারে। ১৩ আগস্ট একই স্থানে ‘অভিযান-১০’ নামে একটি লঞ্চ আটকে ছিল, যা প্রায় ১৫ দিন পরে উদ্ধার করে লঞ্চ কর্তৃপক্ষ। পূবালী-১ লঞ্চের ইনচার্জ মাস্টার জহিরুল ইসলাম জানান, ঢাকা টু বরগুনা নৌ-পথে ঝালকাঠির পর সিগন্যাল নেই, যার কারণে দিকনির্ণয় বা কোনটা ডুবোচর তা দূর থেকে বোঝা মুশকিল।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন