সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অপরাধ আমলে নিলেন আদালত
jugantor
বরগুনায় হত্যা মামলা
সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অপরাধ আমলে নিলেন আদালত

  যুগান্তর প্রতিবেদন, বরগুনা  

১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

চেয়ারম্যানের পরকীয়ায় বাধা দেওয়ায় চোখে মরিচের গুঁড়ো ও পিটিয়ে নৃশংস ভাবে হত্যা করায় এজাহারে চেয়ারম্যানের নাম থাকা সত্ত্বেও পুলিশ তার নাম ছাড়াই ফাইনাল রিপোর্ট দেয়। বাদীর নারাজি মঞ্জুর করে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার দুপুরে বরগুনার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ মাহবুব আলম এ আদেশ দিয়েছেন। আসামি হলেন বরগুনা সদর ইউনিয়নের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আবদুর রব মিয়ার ছেলে গোলাম আহাদ সোহাগ। জানা যায়, বাদী রাশেদা বেগম ২০১৮ সালের ১৫ আগস্ট বরগুনা থানায় গোলাম আহাদ সোহাগসহ ১২ জনকে আসামি করে অভিযোগ করেন। গোলাম আহাদ সোহাগ চেয়ারম্যান থাকাকালীন সত্তার মাস্টারের মেয়ে নারগিসের সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ে। বাদীর ছেলে আল আমীন দেখতে পেয়ে বাধা দেয়। এতে চেয়ারম্যান ক্ষিপ্ত হয়ে সোহাগ ও তার লোকজন নিয়ে আল আমীনকে খুন করার পরিকল্পনা করে। পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী ১২ আগস্ট সোহাগ চেয়ারম্যানের নির্দেশে আমীনকে হত্যা করা হয়। পুলিশ মামলাটি তদন্ত করে গত বছরের ২০ জানুয়ারি চেয়ারম্যান গোলাম আহাদ সোহাগকে ফাইনাল দিয়ে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। বাদী অভিযোগের বিরুদ্ধে নারাজি দাখিল করলে আদালত জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নাহিদ হোসেনের ওপর তদন্তের জন্য প্রেরণ করেন।

বরগুনায় হত্যা মামলা

সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অপরাধ আমলে নিলেন আদালত

 যুগান্তর প্রতিবেদন, বরগুনা 
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

চেয়ারম্যানের পরকীয়ায় বাধা দেওয়ায় চোখে মরিচের গুঁড়ো ও পিটিয়ে নৃশংস ভাবে হত্যা করায় এজাহারে চেয়ারম্যানের নাম থাকা সত্ত্বেও পুলিশ তার নাম ছাড়াই ফাইনাল রিপোর্ট দেয়। বাদীর নারাজি মঞ্জুর করে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার দুপুরে বরগুনার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ মাহবুব আলম এ আদেশ দিয়েছেন। আসামি হলেন বরগুনা সদর ইউনিয়নের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আবদুর রব মিয়ার ছেলে গোলাম আহাদ সোহাগ। জানা যায়, বাদী রাশেদা বেগম ২০১৮ সালের ১৫ আগস্ট বরগুনা থানায় গোলাম আহাদ সোহাগসহ ১২ জনকে আসামি করে অভিযোগ করেন। গোলাম আহাদ সোহাগ চেয়ারম্যান থাকাকালীন সত্তার মাস্টারের মেয়ে নারগিসের সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ে। বাদীর ছেলে আল আমীন দেখতে পেয়ে বাধা দেয়। এতে চেয়ারম্যান ক্ষিপ্ত হয়ে সোহাগ ও তার লোকজন নিয়ে আল আমীনকে খুন করার পরিকল্পনা করে। পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী ১২ আগস্ট সোহাগ চেয়ারম্যানের নির্দেশে আমীনকে হত্যা করা হয়। পুলিশ মামলাটি তদন্ত করে গত বছরের ২০ জানুয়ারি চেয়ারম্যান গোলাম আহাদ সোহাগকে ফাইনাল দিয়ে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। বাদী অভিযোগের বিরুদ্ধে নারাজি দাখিল করলে আদালত জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নাহিদ হোসেনের ওপর তদন্তের জন্য প্রেরণ করেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন