পাইকগাছায় ৯টির মধ্যে তিনটিই ঝুঁকিপূর্ণ
jugantor
ইউপি নির্বাচন
পাইকগাছায় ৯টির মধ্যে তিনটিই ঝুঁকিপূর্ণ

  পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি  

১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

পাইকগাছার ৯টি ইউনিয়নের মধ্যে ৩টি ইউনিয়নের নির্বাচন খুবই ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। দিন যতই এগিয়ে আসছে ততই নির্বাচনি পরিবেশ সংঘাতময় ও উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। এ নিয়ে জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, নির্বাচন কমিশনার ও থানায় একের পর এক অভিযোগ পড়ছে।

উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের মধ্যে ৯টি ইউনিয়নে ২০ সেপ্টেম্বর নির্বাচন। যার মধ্যে সোলাদানা, গদাইপুর ও রাড়ুলী ইউনিয়ন খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। অন্যান্য ইউনিয়নেও সংঘাত হুমকি ধামকি অব্যাহত রয়েছে বলে প্রার্থীরা জেলা প্রশাসকসহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দিয়েছেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবিএম খালিদ হোসেন সিদ্দিকী বলেন, ভোট সুষ্ঠু ও অবাধ করতে সরকার বদ্ধপরিকর। বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো অবস্থাতে নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে দেওয়া হবে না। প্রতিপক্ষ আচারণে সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে সংশয় প্রকাশ করছেন স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থীরা। সোলাদানা ইউনিয়নের স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী এসএম এনামুল হক, রাড়ুলী ইউনিয়নের স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল মজিদ গোলদার ও গদাইপুর ইউনিয়নের স্বতন্ত্র প্রার্থী গাজী জুনায়েদুর রহমানের একই অভিযোগ। তিনজনই বর্তমান চেয়ারম্যান। এ ছাড়া চাঁদখালী ইউনিয়নে বাঁশের চটা ও কাপড় দিয়ে তৈরি নৌকা প্রতীকে আগুন, চশমা প্রতীকের পোস্টার ছেঁড়া, গড়ইখালীতে আনারস প্রতীকের কর্মীদের মারধর, দোকান ভাঙচুর করার ঘটনা ঘটেছে। এ কারণে প্রার্থীদের একটাই দাবি, অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ, র‌্যাব ও বিজিবি মোতায়েন।

ইউপি নির্বাচন

পাইকগাছায় ৯টির মধ্যে তিনটিই ঝুঁকিপূর্ণ

 পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি 
১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

পাইকগাছার ৯টি ইউনিয়নের মধ্যে ৩টি ইউনিয়নের নির্বাচন খুবই ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। দিন যতই এগিয়ে আসছে ততই নির্বাচনি পরিবেশ সংঘাতময় ও উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। এ নিয়ে জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, নির্বাচন কমিশনার ও থানায় একের পর এক অভিযোগ পড়ছে।

উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের মধ্যে ৯টি ইউনিয়নে ২০ সেপ্টেম্বর নির্বাচন। যার মধ্যে সোলাদানা, গদাইপুর ও রাড়ুলী ইউনিয়ন খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। অন্যান্য ইউনিয়নেও সংঘাত হুমকি ধামকি অব্যাহত রয়েছে বলে প্রার্থীরা জেলা প্রশাসকসহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দিয়েছেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবিএম খালিদ হোসেন সিদ্দিকী বলেন, ভোট সুষ্ঠু ও অবাধ করতে সরকার বদ্ধপরিকর। বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো অবস্থাতে নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে দেওয়া হবে না। প্রতিপক্ষ আচারণে সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে সংশয় প্রকাশ করছেন স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থীরা। সোলাদানা ইউনিয়নের স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী এসএম এনামুল হক, রাড়ুলী ইউনিয়নের স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল মজিদ গোলদার ও গদাইপুর ইউনিয়নের স্বতন্ত্র প্রার্থী গাজী জুনায়েদুর রহমানের একই অভিযোগ। তিনজনই বর্তমান চেয়ারম্যান। এ ছাড়া চাঁদখালী ইউনিয়নে বাঁশের চটা ও কাপড় দিয়ে তৈরি নৌকা প্রতীকে আগুন, চশমা প্রতীকের পোস্টার ছেঁড়া, গড়ইখালীতে আনারস প্রতীকের কর্মীদের মারধর, দোকান ভাঙচুর করার ঘটনা ঘটেছে। এ কারণে প্রার্থীদের একটাই দাবি, অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ, র‌্যাব ও বিজিবি মোতায়েন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন