ফরিদগঞ্জের ১০০ গজ সড়ক নিয়ে জনগণের দুঃখগাথা
jugantor
ফরিদগঞ্জের ১০০ গজ সড়ক নিয়ে জনগণের দুঃখগাথা

  ফরিদগঞ্জ (চাঁদপুর) প্রতিনিধি  

২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সড়কটির দৈর্ঘ্য সর্বোচ্চ একশ গজ হবে। কিন্তু এই একশ গজের দুরবস্থার কারণে জনগণকে দুর্ভোগের শিকার হতে হচ্ছে। সড়কটি ফরিদগঞ্জ উপজেলা সদরের পূর্ববাজারের কেরোয়া সড়কের মুখ থেকে কেরোয়া ব্রিজ পর্যন্ত। বৃষ্টি হলেই রাস্তায় পানি জমা। দোকানে পানি ঢুকে পড়া। একই সঙ্গে প্রতিদিনের চিত্র যানজট। এই একশ গজ সড়কের কারণে এ দুরাবস্থা। সর্বশেষ কয়েক মাস আগে সড়কের পাশ দিয়ে ৩৪ পৌরসভা উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তর ড্রেন নির্মাণ শুরু করায় আরও দুরবস্থার সৃষ্টি হয়। রাস্তার একপাশ খালে পরিণত হয়। নির্মাণ কাজ চলাকালে নির্মাণ ত্র“টি নিয়ে আপত্তি ওঠায় বেশ কয়েক দফা কাজ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আরও দুর্ভোগ বাড়ে। শেষ পর্যন্ত ড্রেনের নির্মাণ কাজ শেষ হলেও রাস্তার অবস্থা শোচনীয় হয়। গত কয়েকদিনের বৃষ্টিতে কর্দমাক্ত রাস্তায় নাজেহাল হতে হচ্ছে চলাচলকারী লোকজনকে। অথচ এই সড়কটি চান্দ্রা বাজার ও কামতা বাজারসহ পূর্বাঞ্চলের মানুষের যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম।

সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন আসা-যাওয়া করা স্কুল শিক্ষক মনির হোসেন বলেন, স্কুলগামী শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে সর্বস্তরের মানুষকে এই অল্প একটু রাস্তার জন্য চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। বেশ কয়েকজন ব্যবসায়ী বলেন, ফরিদগঞ্জ পূর্ব বাজারে জানজটের কারণ এই সরু রাস্তা। মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা হিসাবে যুক্ত হয়েছে সড়কের এবড়ো-খেবড়ো অবস্থা। পৌর কর্তৃপক্ষ ড্রেন নির্মাণকালে সড়কের উত্তর পাশের অংশ দোকানগুলোকে তিনফুট ছেড়ে দিতে অনুরোধ করে। এতে সাড়া দিয়ে বেশ কয়েকজন তাদের ভবনের একাংশ ভেঙে দেয়। এখন প্রয়োজন সড়কের দক্ষিণ অংশের তিন ফুট করে ভাঙা। তাতে সড়কটি চওড়া হবে। একই সঙ্গে দ্রুত গতিতে সড়কের কাজ সম্পন্ন করা।

পৌরসভা সূত্রে জানা গেছে, ফরিদগঞ্জ বাজারের থানার মোড় থেকে উত্তর গলি হয়ে কেরোয়া ব্রিজ পর্যন্ত সড়কটি আরসিসি ঢালাইয়ের জন্য টেন্ডার দেওয়া হয়েছে। ঠিকাদার আলমগীর মোল্লা কার্যাদেশ পেলেও ড্রেন নির্মাণের জন্য এতদিন অপেক্ষা করেছেন। ফরিদগঞ্জে পৌরসভার সচিব একেএম খোরশেদ আলম জানান, সড়কটির দুর্দশার কথা অবহিত হয়েছি।

ফরিদগঞ্জের ১০০ গজ সড়ক নিয়ে জনগণের দুঃখগাথা

 ফরিদগঞ্জ (চাঁদপুর) প্রতিনিধি 
২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সড়কটির দৈর্ঘ্য সর্বোচ্চ একশ গজ হবে। কিন্তু এই একশ গজের দুরবস্থার কারণে জনগণকে দুর্ভোগের শিকার হতে হচ্ছে। সড়কটি ফরিদগঞ্জ উপজেলা সদরের পূর্ববাজারের কেরোয়া সড়কের মুখ থেকে কেরোয়া ব্রিজ পর্যন্ত। বৃষ্টি হলেই রাস্তায় পানি জমা। দোকানে পানি ঢুকে পড়া। একই সঙ্গে প্রতিদিনের চিত্র যানজট। এই একশ গজ সড়কের কারণে এ দুরাবস্থা। সর্বশেষ কয়েক মাস আগে সড়কের পাশ দিয়ে ৩৪ পৌরসভা উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তর ড্রেন নির্মাণ শুরু করায় আরও দুরবস্থার সৃষ্টি হয়। রাস্তার একপাশ খালে পরিণত হয়। নির্মাণ কাজ চলাকালে নির্মাণ ত্র“টি নিয়ে আপত্তি ওঠায় বেশ কয়েক দফা কাজ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আরও দুর্ভোগ বাড়ে। শেষ পর্যন্ত ড্রেনের নির্মাণ কাজ শেষ হলেও রাস্তার অবস্থা শোচনীয় হয়। গত কয়েকদিনের বৃষ্টিতে কর্দমাক্ত রাস্তায় নাজেহাল হতে হচ্ছে চলাচলকারী লোকজনকে। অথচ এই সড়কটি চান্দ্রা বাজার ও কামতা বাজারসহ পূর্বাঞ্চলের মানুষের যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম।

সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন আসা-যাওয়া করা স্কুল শিক্ষক মনির হোসেন বলেন, স্কুলগামী শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে সর্বস্তরের মানুষকে এই অল্প একটু রাস্তার জন্য চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। বেশ কয়েকজন ব্যবসায়ী বলেন, ফরিদগঞ্জ পূর্ব বাজারে জানজটের কারণ এই সরু রাস্তা। মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা হিসাবে যুক্ত হয়েছে সড়কের এবড়ো-খেবড়ো অবস্থা। পৌর কর্তৃপক্ষ ড্রেন নির্মাণকালে সড়কের উত্তর পাশের অংশ দোকানগুলোকে তিনফুট ছেড়ে দিতে অনুরোধ করে। এতে সাড়া দিয়ে বেশ কয়েকজন তাদের ভবনের একাংশ ভেঙে দেয়। এখন প্রয়োজন সড়কের দক্ষিণ অংশের তিন ফুট করে ভাঙা। তাতে সড়কটি চওড়া হবে। একই সঙ্গে দ্রুত গতিতে সড়কের কাজ সম্পন্ন করা।

পৌরসভা সূত্রে জানা গেছে, ফরিদগঞ্জ বাজারের থানার মোড় থেকে উত্তর গলি হয়ে কেরোয়া ব্রিজ পর্যন্ত সড়কটি আরসিসি ঢালাইয়ের জন্য টেন্ডার দেওয়া হয়েছে। ঠিকাদার আলমগীর মোল্লা কার্যাদেশ পেলেও ড্রেন নির্মাণের জন্য এতদিন অপেক্ষা করেছেন। ফরিদগঞ্জে পৌরসভার সচিব একেএম খোরশেদ আলম জানান, সড়কটির দুর্দশার কথা অবহিত হয়েছি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন