সখীপুরে ব্যবসায়ীকে মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ
jugantor
সখীপুরে ব্যবসায়ীকে মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ

  যুগান্তর প্রতিবেদন, টাঙ্গাইল  

২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সখীপুরে উজ্জল নামে এক ব্যবসায়ীকে পেছন থেকে মোটরসাইকেলের ধাক্কা দিয়ে আবার ক্ষিপ্ত হয়ে তাকেই দুটি মামলায় আসামি করে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে ঘাটাইলের ধলাপাড়া ভারপ্রাপ্ত রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. সিরাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে। ২৭ জুলাই করাতকলের মামলা ও ৩১ আগস্ট বনের গাছ কাটা মামলায় উজ্জলকে আসামি করা হয়। উজ্জলের দাবি, বনের গাছ কাটার সঙ্গে জড়িত ও তার করাতকল না থাকলেও তার বিরুদ্ধে অবৈধ করাতকল ও বনের গাছ কাটার মামলা দেয়া হয়েছে। করাতকলের মামলায় গ্রেফতারের পর জামিনে মুক্ত হলেও বনের গাছ কাটার মামলায় উজ্জলের বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট হয়েছে। মামলার পর উজ্জল ও তার পরিবার আতঙ্কে দিন পার করছে। মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে উজ্জল ও তার পরিবার।

উজ্জল জানান, ঘাটাইলের ধলাপাড়া রেঞ্জের ভারপ্রাপ্ত রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. সিরাজুল ইসলামের সঙ্গে পূর্বে তার কোনো পরিচয় ছিল না। ৩ আগস্ট সখীপুরের নলুয়া থেকে তার বাড়ি ধেওদীঘি যাওয়ার সময় ধেওয়াধীঘি বাজারের একপাশে মোটরসাইকেল নিয়ে দাঁড়িয়ে সিএনজিসহ অন্যান্য যানবাহনকে যাওয়ার সুযোগ করে দেয়। এ সময় রেঞ্জ কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম মোটরসাইকেল দিয়ে পেছন থেকে উজ্জল মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দেন। এ সময় দুজনের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। স্থানীয়রা এসে সিরাজুল ইসলামকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠিয়ে দেয়। পরবর্তীতে উজ্জলকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেয় সিরাজুল ইসলাম। পরে পার্শ্ববর্তী ঘাটাইল উপজেলার যুগিয়া টেংগর এলাকায় বে-আইনিভাবে করাতকল স্থাপনের অভিযোগে ফরেস্টার মো. সিরাজুল ইসলাম বাদী হয়ে তিনজনের নামে মামলা করেন। মামলায় উজ্জলকে তিন নম্বর আসামি করা হয়। এছাড়াও ঘাটাইলের ধলাপাড়া রেঞ্জের বটতলী বিট এলাকায় সরকারি গাছ কাটার অভিযোগে দুইজনের নামে মামলা করেন। করাতকল মামলায় উজ্জলকে ১৩ সেপ্টেম্বর গ্রেফতার করে পুলিশ। ১৬ সেপ্টেম্বর জামিনে মুক্ত হয় উজ্জল।

সখীপুরে ব্যবসায়ীকে মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ

 যুগান্তর প্রতিবেদন, টাঙ্গাইল 
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সখীপুরে উজ্জল নামে এক ব্যবসায়ীকে পেছন থেকে মোটরসাইকেলের ধাক্কা দিয়ে আবার ক্ষিপ্ত হয়ে তাকেই দুটি মামলায় আসামি করে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে ঘাটাইলের ধলাপাড়া ভারপ্রাপ্ত রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. সিরাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে। ২৭ জুলাই করাতকলের মামলা ও ৩১ আগস্ট বনের গাছ কাটা মামলায় উজ্জলকে আসামি করা হয়। উজ্জলের দাবি, বনের গাছ কাটার সঙ্গে জড়িত ও তার করাতকল না থাকলেও তার বিরুদ্ধে অবৈধ করাতকল ও বনের গাছ কাটার মামলা দেয়া হয়েছে। করাতকলের মামলায় গ্রেফতারের পর জামিনে মুক্ত হলেও বনের গাছ কাটার মামলায় উজ্জলের বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট হয়েছে। মামলার পর উজ্জল ও তার পরিবার আতঙ্কে দিন পার করছে। মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে উজ্জল ও তার পরিবার।

উজ্জল জানান, ঘাটাইলের ধলাপাড়া রেঞ্জের ভারপ্রাপ্ত রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. সিরাজুল ইসলামের সঙ্গে পূর্বে তার কোনো পরিচয় ছিল না। ৩ আগস্ট সখীপুরের নলুয়া থেকে তার বাড়ি ধেওদীঘি যাওয়ার সময় ধেওয়াধীঘি বাজারের একপাশে মোটরসাইকেল নিয়ে দাঁড়িয়ে সিএনজিসহ অন্যান্য যানবাহনকে যাওয়ার সুযোগ করে দেয়। এ সময় রেঞ্জ কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম মোটরসাইকেল দিয়ে পেছন থেকে উজ্জল মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দেন। এ সময় দুজনের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। স্থানীয়রা এসে সিরাজুল ইসলামকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠিয়ে দেয়। পরবর্তীতে উজ্জলকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেয় সিরাজুল ইসলাম। পরে পার্শ্ববর্তী ঘাটাইল উপজেলার যুগিয়া টেংগর এলাকায় বে-আইনিভাবে করাতকল স্থাপনের অভিযোগে ফরেস্টার মো. সিরাজুল ইসলাম বাদী হয়ে তিনজনের নামে মামলা করেন। মামলায় উজ্জলকে তিন নম্বর আসামি করা হয়। এছাড়াও ঘাটাইলের ধলাপাড়া রেঞ্জের বটতলী বিট এলাকায় সরকারি গাছ কাটার অভিযোগে দুইজনের নামে মামলা করেন। করাতকল মামলায় উজ্জলকে ১৩ সেপ্টেম্বর গ্রেফতার করে পুলিশ। ১৬ সেপ্টেম্বর জামিনে মুক্ত হয় উজ্জল।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন