শিশু ওয়ার্ডে শয্যা সংকটে বারান্দায় চিকিৎসা
jugantor
মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতাল
শিশু ওয়ার্ডে শয্যা সংকটে বারান্দায় চিকিৎসা

  মেহেরপুর প্রতিনিধি  

১৪ অক্টোবর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালের ৩য় তলায় শিশু ওয়ার্ডের বাইরে বারান্দাতে শিশু রোগীর চাপে পা ফেলার জায়গা নেই। সিঁড়ির মুখেও বারান্দার মেঝেতে বেড জোড়া দিয়ে শিশু রোগী রাখা হয়েছে। ফলে সিঁড়ি দিয়ে ওঠানামা দুষ্কর হয়ে পড়েছে। হাসপাতালে আসা শিশু রোগীরা জ্বর, কাশি, নিউমোনিয়াসহ ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত। ২০ শয্যার শিশু ওয়ার্ডে বর্তমানে চিকিৎসাধীন দেড় শতাধিক, যা শয্যার তুলনায় কয়েকগুণ বেশি। তীব্র শয্যা সংকটে রোগীরা মেঝেতে বেড বিছিয়ে চিকিৎসা নিতে বাধ্য হচ্ছে। চিকিৎসকরা বলছেন, শয্যা সংকটের কারণে রোগীদের হাসপাতালের বারান্দা ও মেঝেতে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। অতিরিক্ত রোগীর এ চাপ সামাল দিতে গিয়ে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছেন সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের চিকিৎসক ও সেবিকারা। হাসপাতালের ৩য় তলায় শিশু ওয়ার্ড। বুধবার বেলা সাড়ে ১০টার দিকে দেখা যায় ৩য় তলায় ওঠার সিঁড়িতে মানুষে ভরা সিঁড়ির দোতলা পর্যন্ত। ফলে মুমূর্ষু রোগী নিয়ে ৩য় তলার ওয়ার্ডে যেতে অনেককেই বেগ পেতে হয়। হাসপাতালে মাস্টার রোলের কর্মচারীদের দেখা মেলে বাঁশি বাজিয়ে সিঁড়ি ফাঁকা করতে। ওয়ার্ডের ভেতরেও ভিড়। ভিড়ের মধ্যেই চিকিৎসকেরা সেবা দিচ্ছেন শিশু রোগীদের। শিশু ওয়ার্ডের জ্যেষ্ঠ স্টাফ নার্স আজিরুন নেছা জানান, প্রায় পনেরো দিন ধরে হাসাপাতালে রোগীর চাপ বেড়েই চলেছে।

মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতাল

শিশু ওয়ার্ডে শয্যা সংকটে বারান্দায় চিকিৎসা

 মেহেরপুর প্রতিনিধি 
১৪ অক্টোবর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালের ৩য় তলায় শিশু ওয়ার্ডের বাইরে বারান্দাতে শিশু রোগীর চাপে পা ফেলার জায়গা নেই। সিঁড়ির মুখেও বারান্দার মেঝেতে বেড জোড়া দিয়ে শিশু রোগী রাখা হয়েছে। ফলে সিঁড়ি দিয়ে ওঠানামা দুষ্কর হয়ে পড়েছে। হাসপাতালে আসা শিশু রোগীরা জ্বর, কাশি, নিউমোনিয়াসহ ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত। ২০ শয্যার শিশু ওয়ার্ডে বর্তমানে চিকিৎসাধীন দেড় শতাধিক, যা শয্যার তুলনায় কয়েকগুণ বেশি। তীব্র শয্যা সংকটে রোগীরা মেঝেতে বেড বিছিয়ে চিকিৎসা নিতে বাধ্য হচ্ছে। চিকিৎসকরা বলছেন, শয্যা সংকটের কারণে রোগীদের হাসপাতালের বারান্দা ও মেঝেতে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। অতিরিক্ত রোগীর এ চাপ সামাল দিতে গিয়ে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছেন সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের চিকিৎসক ও সেবিকারা। হাসপাতালের ৩য় তলায় শিশু ওয়ার্ড। বুধবার বেলা সাড়ে ১০টার দিকে দেখা যায় ৩য় তলায় ওঠার সিঁড়িতে মানুষে ভরা সিঁড়ির দোতলা পর্যন্ত। ফলে মুমূর্ষু রোগী নিয়ে ৩য় তলার ওয়ার্ডে যেতে অনেককেই বেগ পেতে হয়। হাসপাতালে মাস্টার রোলের কর্মচারীদের দেখা মেলে বাঁশি বাজিয়ে সিঁড়ি ফাঁকা করতে। ওয়ার্ডের ভেতরেও ভিড়। ভিড়ের মধ্যেই চিকিৎসকেরা সেবা দিচ্ছেন শিশু রোগীদের। শিশু ওয়ার্ডের জ্যেষ্ঠ স্টাফ নার্স আজিরুন নেছা জানান, প্রায় পনেরো দিন ধরে হাসাপাতালে রোগীর চাপ বেড়েই চলেছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন