জিপিএ নির্ধারণে অ্যাসাইনমেন্টকে গুরুত্ব দেওয়া হবে: মাউশি অধিদপ্তরের মহাপরিচালক
jugantor
জিপিএ নির্ধারণে অ্যাসাইনমেন্টকে গুরুত্ব দেওয়া হবে: মাউশি অধিদপ্তরের মহাপরিচালক

  দিনাজপুর প্রতিনিধি  

১৭ অক্টোবর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা (মাউশি) অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রফেসর ড. সৈয়দ মো. গোলাম ফারুক বলেছেন, শিক্ষার্থীদের পরীক্ষায় মূল্যায়ন বা জিপিএ নির্ধারণের ক্ষেত্রে প্রাতিষ্ঠানিক মূল্যায়ন অ্যাসাইনমেন্টকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। যার কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, শিক্ষকের স্ট্যাটাস বাড়লে শিক্ষার গুণগতমান বাড়বে এবং শিক্ষার গুণগতমান বাড়লে শিক্ষকের স্ট্যাটাস বাড়বে। শিক্ষার গুণগত মান ও শিক্ষকের স্ট্যাটাস বাড়াতেই শিক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট বা প্রাতিষ্ঠানিক মূল্যায়ন ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। শনিবার বিকালে দিনাজপুর শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে শিক্ষার্থীদের কৈশোরকালীন পুষ্টি ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, অ্যাসাইনমেন্ট ও চলমান শ্রেণি কার্যক্রম বিষয়ে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রফেসর ড. সৈয়দ মো. গোলাম ফারুক। দিনাজপুর জেলা প্রশাসক খালেদ মোহাম্মদ জাকির সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর রংপুর অঞ্চলের পরিচালক প্রফেসর এসএম আব্দুল মতিন লস্কর, দিনাজপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর আবু বক্কর সিদ্দিক, মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. সাইয়েদুল হক, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর রংপুর অঞ্চলের উপ-পরিচালক মো. আখতারুজ্জামান, মাউশি ঢাকার সহকারী পরিচালক মাজহারুল হক মাসুদ ও ইউনিসেফ প্রতিনিধি ড. আইরিন আক্তার চৌধুরী। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন দিনাজপুর জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম।

জিপিএ নির্ধারণে অ্যাসাইনমেন্টকে গুরুত্ব দেওয়া হবে: মাউশি অধিদপ্তরের মহাপরিচালক

 দিনাজপুর প্রতিনিধি 
১৭ অক্টোবর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা (মাউশি) অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রফেসর ড. সৈয়দ মো. গোলাম ফারুক বলেছেন, শিক্ষার্থীদের পরীক্ষায় মূল্যায়ন বা জিপিএ নির্ধারণের ক্ষেত্রে প্রাতিষ্ঠানিক মূল্যায়ন অ্যাসাইনমেন্টকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। যার কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, শিক্ষকের স্ট্যাটাস বাড়লে শিক্ষার গুণগতমান বাড়বে এবং শিক্ষার গুণগতমান বাড়লে শিক্ষকের স্ট্যাটাস বাড়বে। শিক্ষার গুণগত মান ও শিক্ষকের স্ট্যাটাস বাড়াতেই শিক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট বা প্রাতিষ্ঠানিক মূল্যায়ন ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। শনিবার বিকালে দিনাজপুর শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে শিক্ষার্থীদের কৈশোরকালীন পুষ্টি ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, অ্যাসাইনমেন্ট ও চলমান শ্রেণি কার্যক্রম বিষয়ে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রফেসর ড. সৈয়দ মো. গোলাম ফারুক। দিনাজপুর জেলা প্রশাসক খালেদ মোহাম্মদ জাকির সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর রংপুর অঞ্চলের পরিচালক প্রফেসর এসএম আব্দুল মতিন লস্কর, দিনাজপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর আবু বক্কর সিদ্দিক, মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. সাইয়েদুল হক, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর রংপুর অঞ্চলের উপ-পরিচালক মো. আখতারুজ্জামান, মাউশি ঢাকার সহকারী পরিচালক মাজহারুল হক মাসুদ ও ইউনিসেফ প্রতিনিধি ড. আইরিন আক্তার চৌধুরী। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন দিনাজপুর জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন